বিশেষ নিবন্ধ
 

২১ জুলাই: গণতন্ত্র ফেরানোর মস্ত সুযোগ
হারাধন চৌধুরী

১৩ আগস্ট সাত পুরসভায় নির্বাচন। ভোট নেওয়া হবে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুরের বুনিয়াদপুর, নদীয়ার কুপার্স ক্যাম্প, বীরভূমের নলহাটি, পূর্ব মেদিনীপুরের হলদিয়া ও পাঁশকুড়া পুরসভায় এবং পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর কর্পোরেশনে। চাঁপদানি ও ঝাড়গ্রামের মোট দুটি পুর ওয়ার্ডে উপনির্বাচনও হবে। সব মিলিয়ে দেড়শোটি পুর ওয়ার্ডের ভোট। রাজ্য নির্বাচন কমিশন ভোটের ঘোষণা করেছে ১৩ জুলাই। বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে সোমবার। মনোনয়নপত্র জমা নেওয়া শুরু হবে ২৪ জুলাই। অর্থাৎ এই গুরুত্বপূর্ণ পুরভোটের মূল লড়াই শুরুই হয়ে গিয়েছে।
এর মধ্যেই চলে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেস দলের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক কর্মসূচি ২১ জুলাই বা ‘শহিদ দিবস’ পালন। আমরা জানি, ১৯৯৩ সালের ওই দিনে রাজ্য যুব কংগ্রেস সভানেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মহাকরণ অভিযানের ডাক দেন। তিনি ওই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বাংলায় গণতন্ত্র ফেরানোর দাবিতে—বারবার ভোটের নামে প্রহসন ঠেকাতে ভোটারদের সচিত্র পরিচয়পত্র দেখিয়েই ভোটগ্রহণ বাধ্যতামূলক করার আওয়াজ তোলেন মমতা। যুব কংগ্রেসের নামে ওই জনসমাবেশের ডাক দেওয়া হলেও তাতে কংগ্রেসের সর্বস্তরের দরদি কর্মী সমর্থক নেতা যোগ দেন। তা দেখে জ্যোতি বসুর পার্টি ও প্রশাসন দিশেহারা হয়ে পড়ে। ভয়ডরহীন নরনারীর বিক্ষোভ সামাল দিতে পুলিশ বেপরোয়া হয়ে উঠতেই বেধে যায় নিরস্ত্র জনতা ও সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর সম্মুখ-লড়াই। সেদিন পুলিশের নির্মম আক্রমণে ১৩ জন কংগ্রেসি নিহত হন। কমবেশি জখম হন অগণিত সাধারণ মানুষ। সেদিন পুলিশের গুলিতে অত্যাচারে যাঁদের রক্ত ঝরেছে, যাঁরা প্রাণ দিয়েছেন তাঁদের মর্যাদা দিতেই পরের বছর থেকে ২১ জুলাই ‘শহিদ তর্পণ’ আরম্ভ করেন মমতা ও তাঁর অনুগামীরা।
বলার অপেক্ষা রাখে না যে, ২০১১ সালে রাজ্যপাটে যে ‘পরিবর্তন’ হয়েছে তাতে ২১ জুলাইয়ের ভূমিকা অপরিমেয়। একুশে তৃণমূলকে নীরবেই ডিভিডেন্ড দিয়ে চলেছে। ২০১১-র আগে এবং পরেও, আজ পর্যন্ত। এই প্রসঙ্গে একাধিকবার লোকসভা ও বিধানসভার ভোট, পঞ্চায়েত ও পুরভোটের কথা উল্লেখ করা চলে। মমতার দ্বিতীয়বার মুখ্যমন্ত্রিত্বলাভেও একুশের নীরব অবদান অনস্বীকার্য।
আগামী ১৩ আগস্ট পুরভোটেও একুশের শহিদদের দোয়া আশীর্বাদ নিশ্চয় চাইবে তৃণমূল। এটা খুবই স্বাভাবিক। তবে, ‘একুশে জুলাই’ সংঘটনের উদ্দেশ্যটা ভুলে যাওয়া উচিত হবে না—বাংলায় গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পুনঃপ্রতিষ্ঠা। আত্মবিস্মৃত ইতিহাসবিস্মৃত জাতি আমরা। তাই এই ভয়টা থেকেই যায়। ঘা শুকিয়ে যাওয়ার পর ব্যথা যন্ত্রণার কথা আমাদের ক্বচিৎ স্মরণে আসে। ঠিক তেমনি তৃণমূল শাসকদলরূপে আত্মপ্রকাশ করার পর থেকে এই ভয়টাই বড় হয়ে দেখা দিয়েছে। তৃণমূল রাজ্যে যখন বিরোধী দল ছিল তখন তার কাছে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের যে মূল্য ছিল, তার সবটা যে আর অবশিষ্ট নেই, গত সাত বছরে তার অনেক প্রমাণই তারা রেখেছে। এর সবচেয়ে বেশি প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে গত পঞ্চায়েত ভোটে এবং তার পরে একাধিকবার অনুষ্ঠিত পুরভোটে।
বহু ক্ষেত্রেই চেষ্টা হয়েছে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঝুঁকি এড়ানোর। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় যেসব জায়গায় হাসিল সম্ভব হয়নি তেমন অনেক স্থানেই চেষ্টা হয়েছে গায়ের জোর দেখানোর। এমনকী অনেক সময়ই সর্বোচ্চ নেতৃত্বের অগোচরে পুলিশ প্রশাসনেরও একাংশকে জো হুজুরের মতো ব্যবহার করার চেষ্টা হয়েছে। তার পরেও তো রাজ্যে কংগ্রেস, সিপিএমসহ কয়েকটি বাম দল, এমনকী বিজেপি প্রভৃতির প্রতীকেও কয়েকজন এমএলএ হয়েছেন। কিছু পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ এবং পুরসভায় বোর্ড গঠনের রায় বিরোধীরা পেয়েছে। রাজ্যবাসী অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে দেখেছে, মানুষের ওই রায়টুকুও মেনে নেওয়ার মতো সহনশীল নয় তৃণমূল—বিধানসভাসহ রাজ্যের সর্বত্র যখন তাদের গরিষ্ঠতা নিরঙ্কুশ, তখনও নয়। বিধানসভায় শাসক পক্ষের শক্তিবৃদ্ধি করতে কংগ্রেস, সিপিএম, ফরওয়ার্ড ব্লক, আরএসপি, নির্দল—যেখানে যাকে যেভাবে ভজানো গিয়েছে তাঁকেই ঘাসফুল পতাকাবাহী করে নেওয়া হয়েছে। এমনকী গত মে মাসে অনুষ্ঠিত সাত পুরসভার ভোটের পরেও এই ট্র্যাডিশনেরে ব্যতিক্রম ঘটানোর চেষ্টা হল না। দল ভাঙানোর খেলার সবচেয়ে নিকৃষ্ট নজির রাখা হল পূজালিতে ও ডোমকলে।
মে মাসে অবশ্য তৃণমূলের উলটো ভূমিকা ছিল পাহাড়ে। সেখানকার চারটি পুরসভায় প্রত্যেকে যাতে নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন তার জন্য চেষ্টার কসুর করেনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসন এবং পার্টি। ওই ভোটে পাহাড়ের রাজনৈতিক সংগঠনগুলির সঙ্গে সমানে পাল্লা দিয়েছে সর্বভারতীয় দলগুলিও। গণতন্ত্রের এমন অনুশীলন দার্জিলিং দেখল টানা চার দশক বাদে। আর সেটা ক্লান্তিহীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঐকান্তিক চেষ্টা নিষ্ঠা ও ভয়হীন উপস্থিতি ছাড়া কল্পনা করাও কঠিন।
সাফল্যলাভ কঠিন সবসময়। কিন্তু, তা ধরে রাখা যে আরও কঠিন! পাহাড়ে তো সেটাই দেখা যাচ্ছে। মে মাসের ভোটে তৃণমূল মিরিক পুরসভা দখল করেছে। বাকি তিনটিতেও খাতা খুলেছে ঘাসের উপর জোড়াফুল প্রতীক। কিন্তু, তৃণমূলের এই ঐতিহাসিক জয়ের হাসিটাই এবার মুছে দিতে উদ্যত হয়েছে বিমল গুরুংয়ের সাঙ্গপাঙ্গরা। দার্জিলিং, কার্শিয়াং, কালিম্পংয়ের তৃণমূল পুর কাউন্সিলারদের উপর আগেই প্রবল চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে গোর্খাল্যান্ডওয়ালাদের সুরে সুর মেলানোর জন্য। বাকি ছিল মিরিক। এবার ওই চাপ বহুগুণ হয়ে উঠেছে মিরিক তৃণমূল পুরবোর্ডের উপর। গোর্খাল্যান্ডওয়ালারা এবার গায়ের জোরে মিরিক পুরসভার দখল চায়।
কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, বিজেপিসহ সকলেই জানে ও মানে যে, নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের উপর জুলুমবাজি ঘোরতর অন্যায়। তবু লক্ষ করার বিষয় হল, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মহল কিন্তু এই ব্যাপারে গুরুংদের নিন্দায় সরব হয়নি। তারা বরং এতেই তৃপ্তির হাসিই হাসছে। তারা হয়তো মনে মনে বলছে, দেখ কেমন লাগে! পরের ঘর ভাঙানোর জ্বালাটা এবার অন্তত অনুভব কর। ব্যাপারটা গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনকই বটে। তবু তৃণমূলের সেই নৈতিক শক্তি কোথায় যে অন্তত এই প্রশ্নে বিরোধীদের সহানুভূতি দাবি করে! তৃণমূল তো অনেকাংশেই ষাট-সত্তরের দশকের কংগ্রেস এবং তৎপরবর্তী সিপিএমের দেখানো পথের পথিক হয়ে বসেছে! একুশে জুলাইয়ের দাবি তৃণমূল বিস্মৃত হয়েছে যেন তারই অজান্তে, স্রেফ আরও ক্ষমতা, আরও বৈভবের আত্মঘাতী মোহে। দল ভাঙানোর খিলাড়িরা বুঝতে চান না যে, একজন নির্বাচিত প্রতিনিধিকে দলে টেনে নেওয়ার অর্থ তাঁর সমর্থকদেরও কাছে পাওয়া নয়। এর ফল বাস্তবে উলটোই হয়। যাঁকে ফুসলানো হল তাঁর সম্পর্কে তো বটেই, যে দল তাঁকে ফুসলে নিল তার সম্পর্কেও জনমানসে একটা ভয়ানক অশ্রদ্ধার ভাব তৈরি হয়। দলত্যাগী জনপ্রতিনিধিকে ‘বেইমান’ আর তিনি যে দলে গেলেন সেই দলটাকে ‘সর্বগ্রাসী’ বলেই ভাবেন গণতন্ত্রপ্রিয় নাগরিকরা।
এখন আত্মসমীক্ষা করে দেখলে হয় না কি—দার্জিলিং পরিস্থিতি কয়েক দশক আগে কেন অগ্নিগর্ভ হওয়ার সুযোগ পেয়েছিল? কেন বাংলার বাকি অংশে গণতন্ত্রের নামে ‘শুধু আমি সাদা তুমি কালো’ মার্কা এক আত্মপ্রবঞ্চনাদায়ী কালচারের জন্ম হয়েছে? দার্জিলিং হাতের বাইরে চলে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে সেখানে মূলধারার রাজনীতির অনুশীলন দীর্ঘকাল স্তব্ধ হয়ে যাওয়ার কারণে। সার্বিক উন্নয়নকে সামনে রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই পাহাড়ে মূলধারার রাজনীতির অনুশীলন ফেরানোর আপ্রাণ চেষ্টা নিয়েছেন। তাঁর এই প্রশংসনীয় উদ্যোগের সাফল্যের উপরেই দার্জিলিংয়ের ভবিষ্যৎ অনেকাংশে নির্ভর করছে।
একথা অনুমান করা যায় যে, মূলধারার রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত অন্য দলগুলির সহযোগিতা সহানুভূতি পেলে মমতার লড়াইটা সহজ সার্থক ও সুন্দর হতে পারে। কিন্তু, যে-নেত্রী পাহাড়ে মূলধারার রাজনীতি ফেরানোর জন্য মরিয়া, তিনি কেন সমতলে সেই রাজনৈতিক সংস্কৃতি রক্ষায় যত্নবান নন!
সামনে একুশে জুলাই। ভুল শুধরে নেওয়ার জন্য এটাকেই একটা বড় সুযোগ হিসাবে বেছে নেওয়া যায় না কি? একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে নেত্রী বিশ্বাসযোগ্যভাবে রাজ্যের সর্বত্র বহুদলীয় গণতন্ত্রকে ফের শক্তিশালী করার বার্তা দিতে পারেন। তাহলে গঠনমূলক কর্মসূচিগুলিতে বিরোধীদের সমর্থন নীতিগতভাবে দাবি করার অধিকারী হবেন তিনি। রাজ্যে বিরোধী রাজনীতির পরিসর ফিরে আসার পরেও কংগ্রেস, কমিউনিস্ট, বিজেপি প্রভৃতি দল অন্যায় বিরোধিতা জারি রাখলে রাজ্যবাসী তারও হিসাব রাখবে।
একুশে জুলাইয়ের সমাবেশের অব্যবহিত পরেই অনুষ্ঠিত হবে সাত পুরসভার ভোট। রাজ্যে গণতন্ত্র ফেরানোর প্রশ্নে তৃণমূল ও তার প্রশাসন কতটা আন্তরিক ১৩ আগস্ট‌ই হতে পারে তার প্রথম পরীক্ষা। এই ভোটপর্বটিকে হালকাভাবে দেখার সুযোগ নেই। ওইদিন যে রেকর্ড সৃষ্টি হবে সেটাই কিন্তু বাজবে রাজ্যজুড়ে পরবর্তী পঞ্চায়েত ভোটে। এই অনুমান অসংগত নয় যে, গত সাত বছরে বিভিন্ন দফায় নানা কৌশলে বাংলায় কংগ্রেস, কমিউনিস্ট প্রভৃতিকে অপ্রাসঙ্গিক করে ফেলার কারণেই বিজেপি ও তাদের দোসরদের অভাবনীয় উত্থান ঘটেছে। এখন সেই ম্যাও সামলানো দুষ্কর হয়ে পড়েছে। এবার সম্মানের সঙ্গে ঘুরে দাঁড়ানোর মঞ্চ হয়ে উঠুক একুশে জুলাই। এ স্বার্থ শুধু তৃণমূলের নয়—সব দলের, সার্বিকভাবে সারা বাংলার ও গণতন্ত্রের।
18th  July, 2017
কেন্দ্রীয় নীতিতে পাট শিল্প ধুঁকছে, মরছে চাষি-শ্রমিক, ভরসা মমতা
নির্মাল্য মুখোপাধ্যায়

 প্রণব মুখোপাধ্যায় আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেউই কেন্দ্রীয় ক্যাবিনেটে নেই। তাই ২০১৩ সাল থেকে অনাথ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের পাট চাষ আর শিল্প। ওই বছর থেকেই পুরোদমে পাট শিল্পের ওপর শুরু হয়েছে বিভিন্ন নিয়ম-নীতির আরোপ যা অনেকটা পুলিশি নজরদারির মতো বলা চলে। মমতা আর প্রণববাবু রাজ্যের পাট শিল্পের ৩ কোটি চাষি ও শ্রমিককে সবসময় আগলে রাখতেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত নেওয়ার জায়গায় তাঁরা না থাকায় পাট শিল্পে আজ বাজছে বেদনার সুর।
বিশদ

রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য: রবার যেটা সেটা রবেই
মেরুনীল দাশগুপ্ত

রবীন্দ্র-অমর্ত্য নিয়ে সংঘচালকদের প্রসঙ্গ উঠতেই কেন যে তিনি ওই অনুবাদ প্রসঙ্গ তুললেন—বলা বিপজ্জনক! কেবল কবির কথায় বলা চলে—রইলো বলে রাখলে কারে, হুকুম তোমার ফলবে কবে?/ তোমার টানাটানি টিকবে না ভাই, রবার যেটা সেটাই রবে। বলতে কী, যেভাবে করার চেষ্টা হচ্ছে, সেভাবে কিছুই হবে না। বড়জোর ওই—গ্রাউন ভালোবাসে ফিগুরিসকে! তাতে স্বচ্ছ ভারতের মুখে ছায়াকালিমাই শুধু বাড়বে। আমরা নিশ্চিত, রবীন্দ্রনাথ থেকে অমর্ত্য, রামায়ণ থেকে রাজনীতি—শেষ পর্যন্ত রবার যেটা সেটা রবেই। জাভড়েকর সেটা খানিক বুঝেছেন বলেই হয়তো সামলে নিয়েছেন। পহেলাজরা বুঝবেন কবে!
বিশদ

দার্জিলিং জেলাকে পৃথক একটি রাজ্য করার দাবি সম্পূর্ণ অবাস্তব
শমিত কর

বিগত প্রায় তিন দশক ধরে পৃথক রাজ্য হিসাবে দার্জিলিংকে গড়ার দাবিতে পাহাড়বাসী রণং দেহি ভূমিকা নিচ্ছে। উত্তরে কাশ্মীর পরিস্থিতির মতো আমাদের রাজ্যের এই পাহাড়ি অঞ্চলের অবস্থা এক মারাত্মক আকার নিয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে কাশ্মীরে যে জঙ্গি নাশকতা ধারাবাহিকভাবে চলেছে তার পিছনে পাকিস্তানের মদত কোনও নতুন কথা নয়।
বিশদ

25th  July, 2017
আপনিই সর্বশক্তিমান, তবু দেশজুড়ে এত অস্থিরতা কেন মোদিসাহেব?
হিমাংশু সিংহ

ক্ষমতায় থাকলে বুদ্ধিমান চতুর শাসকেরও বুদ্ধিবৃত্তি লোপ পায়। দম্ভে, অহংকারে মাটিতে পা পড়ে না। বিরোধিতা দেখলেই নেমে আসে দমন, পীড়ন। পুলিশ লেলিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো থেকে মিথ্যা অভিযোগে জেলে বন্দি করে রাখা... আরও কত কী! আজকের পশ্চিমবঙ্গে গত বেশ কিছুদিন ধরেই কেন্দ্রের মোদি সরকারের বদান্যতায় যা দস্তুর।
বিশদ

25th  July, 2017
বইই প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মুক্তির জগৎ

পঙ্কজ সাহা : রাষ্ট্রপতি ভবন বলতে মনের মধ্যে যে ধারণা ছিল সেটা একেবারে বদলে গেল দিল্লির রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি ভবনে পৌঁছানোর পরে। কলকাতা থেকে ভারতের রাজধানী দিল্লিতে চলে যাওয়ার পরে ব্রিটিশ আমলে যে বিরাট প্যালেসটি দিল্লির রাইসিনা হিলসে নির্মিত হয়েছিল ভাইসরয় প্যালেস হিসেবে এবং ভারতের স্বাধীনতার পরে যেটি রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে চিহ্নিত হয়, সেই বিরাট প্যালেসটির ছবিই মনের মধ্যে মুদ্রিত ছিল রাষ্ট্রপতি ভবন হিসেবে।
বিশদ

24th  July, 2017
রূপা-কাহিনি, সিনেমার মতো

সৌম্য বন্দ্যোপাধ্যায় : কথায় বলে, লঙ্কায় যে যায় সে-ই হয় রাবণ। এই কথাটাই একটু ঘুরিয়ে হয়তো বলা যায়, দেশের সব রাজ্যেই শাসক দলের চরিত্র সম্ভবত এক ও অভিন্ন। না হলে কর্ণাটকের ‘ডিআইজি প্রিজন’ ডি রূপার হাল এমন হত না। সুদর্শনা ও নির্ভয়া তরুণী রূপাকে কারা বিভাগের দায়িত্ব থেকে রাজ্যের কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধারামাইয়া সরিয়ে দিয়েছেন।
বিশদ

23rd  July, 2017
শহিদ দিবসের মঞ্চ থেকে ২০১৯ যুদ্ধের রণদামামা বাজিয়ে দিলেন মমতা

শুভা দত্ত : কৌতূহল ছিল সকলেরই। বিপুল কৌতূহল। ২১ জুলাইয়ের মঞ্চ থেকে কী বলবেন তিনি, কী বার্তা দেবেন—তা নিয়ে আসমুদ্র হিমাচল বাংলায় আগ্রহের অন্ত ছিল না। তাঁর পূর্ববর্তী বক্তাদের কারও কারও কথাতেও রাজ্যবাসী মানুষজনের সেই আগ্রহ কৌতূহলের আভাস মিলেছিল। 
বিশদ

23rd  July, 2017
যুদ্ধ নয়, স্থিতাবস্থা চাই ডোকালায়
প্রশান্ত দাস

 চীনের কথা উঠলেই সুবেদার মেজর হামিদ সাহেব বলতেন—বাঁদরের যত বাঁদরামি গাছের ডালে। ডাঙায় এলেই লেজ তোলে। লেজ তোলার অর্থ, লেজ তুলে পালায়। চীনের অবস্থা ওই বাঁদরের মতন। দাদাগিরি দেখাবে পাহাড়ের মাথায়। সমতলে নয়। সমতলের যুদ্ধে ভারতীয় সেনারা এখনও আনপ্যারালেলড। বিশদ

22nd  July, 2017
মানুষই এবার দাঙ্গা রুখেছে
পার্থজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়

 ওদের আমি চিনতাম। অমিত আর ফারুক। একই স্কুলে একই ক্লাসে পড়ত। সেকসনও এক। ফলে সারাক্ষণ স্কুলের বেঞ্চে কাছাকাছি, পাশাপাশি। দু’জনে খুব ভাবসাব, বন্ধুত্ব। ফারুক ইদে নেমন্তন্ন করেছিল অমিতকে। অমিত গিয়েওছিল। ফারুকদের বাড়িতে গিয়ে হয় এক অন্যরকম অভিজ্ঞতা।
বিশদ

21st  July, 2017



একনজরে
মুম্বই, ২৬ জুলাই (পিটিআই): প্রতিদিনই নতুন রেকর্ড গড়ছে শেয়ার বাজারের সূচক। এদিন বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক সেনসেক্স ১৫৪ পয়েন্ট বৃদ্ধি পেয়ে ৩২ হাজার ৩৮২.৪৬ পয়েন্টে পৌঁছেছে। এত পয়েন্টে এর আগে কখনও সেনসেক্স পৌঁছায়নি। ...

 বিএনএ, জলপাইগুড়ি: বুধবার খুনের দায়ের একজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিল জলপাইগুড়ি জেলা আদালত। আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১০ সালে ১ অক্টোবর কোতোয়ালি থানার পবিত্রপাড়ায় একটি খুনের মামলায় নিশার বিশ্বাসকে এদিন বিচারক যাবজ্জীবন সাজা এবং ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক ...

প্রসেনজিৎ কোলে, কলকাতা: রেলের খাবার নিয়ে যাত্রীদের অভিযোগের অন্ত নেই। দিন কয়েক আগে ক্যাগের রিপোর্টেও রেলের খাবারের করুণ ছবি উঠে এসেছে। রেলকর্তাদের অনেকেরই বক্তব্য ছিল, যে জায়গায় রেলের খাবার তৈরি হয়, সার্বিক অবস্থার পরিবর্তনে অবিলম্বে সেই রান্নাঘরে নজরদারি চালানো দরকার। ...

কাবুল, ২৬ জুলাই: আফগানিস্তানে তালিবান জঙ্গিদের অস্ত্র সরবরাহের অভিযোগ উঠল রাশিয়ার বিরুদ্ধে। সম্প্রতি আফগানিস্তানে তালিবানের হাতে যেসব ‘উন্নত অস্ত্র’ দেখা গিয়েছে, যেগুলি রাশিয়ায় তৈরি বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ ভিডিও রেকর্ড হাতে আসার দাবি করে আফগান ও আমেরিকার কর্তাদের উদ্ধৃতি দিয়ে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সাফল্য আসবে। প্রেম ভালোবাসায় আগ্রহ বাড়বে। পুরানো বন্ধুর সঙ্গে সাক্ষাতে আনন্দ লাভ হবে। ... বিশদ



ইতিহাসে আজকের দিন

 ১৮৪৪- ব্রিটিশ বিজ্ঞানী জন ডালটনের মৃত্যু
১৯৬০- শিবসেনা প্রধান উদ্ধব থ্যাকারের জন্ম
১৯৯২- অভিনেতা আমজাদ খানের মৃত্যু
২০১৫- প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের মৃত্যু



ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৩.৬০ টাকা ৬৫.২৮ টাকা
পাউন্ড ৮২.৫২ টাকা ৮৫.৩৫ টাকা
ইউরো ৭৩.৭৮ টাকা ৭৬.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ২৮,৮২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৭,৩৫০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৭,৭৬০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮,২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮,৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

 ১১ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী দিবা ৭/১, উত্তরফাল্গুনীনক্ষত্র রাত্রি ৪/৪০, সূ উ ৫/৯/৩৯, অ ৬/১৬/৩১, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৮-২/৫৮, বারবেলা ৩/০-অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৪৩-১/৪।
১০ শ্রাবণ, ২৭ জুলাই, বৃহস্পতিবার, চতুর্থী ১০/০/৭, পূর্বফাল্গুনীনক্ষত্র ৮/৬/৪৫, সূ উ ৫/৬/৩৭, অ ৬/১৮/৫৩, অমৃতযোগ রাত্রি ১২/৪৭/৩১-২/৪৭/৪, বারবেলা ৪/৩৯/৫১-৬/১৮/৫৩, কালবেলা ৩/০/৪৯-৪/৩৯/৫১, কালরাত্রি ১১/৪২/৪৫-১/৩/৪৩।
 ৩ জেল্কদ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
 জম্মু ও কাশ্মীরের গুর্জ সেক্টরে অনুপ্রবেশের চেষ্টায় নিকেশ ৩ জঙ্গি

11:43:00 AM

নীতীশ কুমার ও সুশীল মোদিকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

 বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার ও উপ মুখ্যমন্ত্রী সুশীল কুমারকে ট্যুকইট করে শুভেচ্ছা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বিহারের উন্নতি ও সমৃদ্ধির জন্য দু’জনকে একযোগে কাজ করার আহ্বানও করেন।

10:54:00 AM

আরামবাগে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি

 হুগলির আরামবাগ মহকুমায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে। আরামবাগ শহর কিছুটা স্বাভাবিক হলেও পুরশুরা ও খানাকুলে ডিভিসির ছাড়া জলএলাকা প্লাবিত করেছে। বহু দুর্গতদের এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ত্রাণ নিয়ে বাড়ছে ক্ষোভও।

10:50:09 AM

 গল টেস্ট: ভারত প্রথম ইনিংসে ৪২৩/৩
শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে সফরের প্রথম টেস্টে গলে ভারত তাদের প্রথম ইনিংসে গতকালের ৩৯৯ / ৩ পুঁজি নিয়ে খেলতে নেমে আজ ৪ উইকেটের বিনিময়ে এ পর্যন্ত ৪২৩ রান সংগ্রহ করেছে। রাহানে ৫৪ ও অশ্বিন ০ রানে ক্রিজে রয়েছেন। আজ সকালে ভারত কেবল পূজারার উইকেটটি খুই঩য়েছে। প্রদীপের বলে ডিকবেলার হাতে ক্যাচ দিয়ে ব্যক্তিগত ১৫৩ রানে প্যাভিলিয়নে ফিরে যান চেতেশ্বর পূজারা।

10:44:13 AM

 শহরে ট্রাফিকের হাল tap here

 আজ বৃহস্পতিবার সকালে কলকাতা শহরের রাস্তাঘাটে যান চলাচল মোটের উপর স্বাভাবিক। অফিস টাইমের চাপ রয়েছে এজেসি বসু রোড, ইএম বাইপাস, মা উড়ালপুল, সৈয়দ আমির আলি এভিনিউর মতো গুরুত্বপূর্ণ রাস্তাগুলিতে। তবে শহরের বড় রাস্তাগুলির কোথাও তেমন জল দাঁড়িয়ে নেই । এদিন শহরে তেমন উল্লেখযোগ্য মিটিং, মিছিল নেই। ফলে মোটামুটি সারাদিনই শহরের যান চলাচল স্বাভাবিক থাকবে বলেই আশা প্রকাশ করেছে কলকাতা ট্র্যাফিক পুলিশ। ট্রাফিক সংক্রান্ত যে কোনও খবরের জন্য কলকাতা পুলিশের টোল ফ্রি নম্বর ১০৭৩-তে ফোন করুন।

10:25:26 AM

 বিহারের উপমুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিলেন সুশীল মোদি

10:10:58 AM