বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার হেঁশেলে ফিরছে দেশি চালের ভাত
রঞ্জন সেন

সবুজ বিপ্লবের ধামাকায় যাদের কথা আমরা ভুলতে বসেছিলাম, এমনকী কৃষকরাও যা চাষের কথা ভাবতেও পারছিলেন না বাংলার সেই বৈচিত্রময় ধানগুলি আবার ফিরে এসেছে। এই ধানগুলির চাষে জল, সার, কীটনাশক, পাম্পের ব্যবহার কম। বীজও কিনতে হয় না। বংশপরম্পরায় তা সঞ্চিত থাকে কৃষকের ভাঁড়ারে। আবার একইসঙ্গে তা রন্ধন উপযোগী, পুষ্টিগুণসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব। স্বাদেও দারুণ। বাংলার আত্মনির্ভরশীল কৃষক সম্প্রদায় স্থানীয় এই ধান চাষের ওপর একসময় ভরসা করতেন। কারণ এই ধানবীজগুলি একান্তভাবেই স্থানীয় পরিবেশ, জল মাটির সঙ্গে মানানসই। একসময় বাংলার একেকটা গ্রামের খেতেই হ’ত ডজন খানেকেরও বেশি ধরনের ধানের চাষ। বহুদিন পর আবার ফিরে আসছে ধানচাষের সেই বৈচিত্র। বাংলার হেঁশেলে ফিরছে কাটারিভোগ, রাধাতিলক, বহুরূপী, কালোজিরা, কালোনুনিয়া, কবিরাজশাল চালের ভাত। বাংলার খেতে এইসব ধানের চাষ আবার ফিরিয়ে আনার জন্য অবশ্যই রাজ্যের কৃষিদপ্তরকে একটা বড় ধন্যবাদ দিতে হবে। তারও আগে ধন্যবাদ দিতে হবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী ফুলব্রাইট স্কলার ডঃ দেবল দেবকে। যিনি স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী সুস্বাদু দেশি ধানগুলির চাষ আবার ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে দীর্ঘদিন নীরবে কাজ করে চলেছেন। বস্তুত তিনিই পশ্চিমবঙ্গে, পরবর্তী সময়ে সারা ভারতে দেশি ধানের চাষ ফিরিয়ে আনার কাজে পথিকৃৎ।
২০০১ সালে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এক একর জমিতে পাঁচরকম ধান জৈব পদ্ধতিতে চাষ শুরু করা হয়। তখন এই প্রচেষ্টাকে কেউ খুব একটা পাত্তা দেয়নি। জৈব পদ্ধতিতে পুরানো ধান চাষকে ফিরিয়ে আনার এই প্রচেষ্টাকে এখন অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেবল বিভিন্ন রাজ্য থেকে স্থানীয় চালের নমুনা সংগ্রহ করে গড়ে তোলেন ব্রিহি বীজ কেন্দ্র নামে একটি সিড ব্যাংক। পরবর্তী কালে কেন্দ্রটি ওড়িশায় চলে যায়। সেখানে নিয়মগিরি পাহাড়ের ঢালের ২.৫ একর জমিতে দেবল ৯২০ রকম ধানের চাষ করেছেন। পাঁচরকম স্থানীয় ধান চাষ দিয়ে যে পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল সেটাই এখন ফিরিয়ে এনেছে পাহাড় থেকে সমতল অবধি রাজ্যের ১৫টি জেলায় প্রায় ৪০০-র বেশি স্থানীয় ধান চাষ। স্থানীয় ধান চাষ মানেই নানা ধরনের ভাতের স্বাদের বৈচিত্র। কৃত্রিম সার ও কীটনাশকের ওপর একান্তভাবেই নির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের সঙ্গে তার কোনও তুলনাই হয় না। এছাড়াও উচ্চফলনশীল ধানের চাষে জল বেশি খরচ হয়, বিদ্যুৎ বেশি লাগে, অগভীর নলকূপ থেকে বেশি মাত্রায় জল তোলার ফলে ভূ-জলের স্তর নেমে যায় এবং শেষ অবধি জমিতে উৎপাদনশীলতাও কমে আসে। সামগ্রিকভাবে বাড়ে চাষের খরচ। পশ্চিমবঙ্গের মতো ধান চাষে এগিয়ে থাকা রাজ্যে এই ঘটনাই ঘটেছে।
অবস্থা সামাল দিতে চাষবাসের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থার দিকে তাকানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রকের প্রচেষ্টায় নদীয়ায় রাজ্যের কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাংলার পুরানো চালগুলিকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এক নতুন গতি পেয়েছে। ১৯১৩ সালে রাজ্যের কৃষিদপ্তর বাংলার বিলুপ্তপ্রায় চালগুলি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেয়। এ কাজে রাজ্যের চাষি, বেসরকারি সংগঠন ছাড়াও অসম, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, কেরালা, নাগাল্যান্ড প্রভৃতি রাজ্যের ধানের বীজ সংগ্রহ ও তা চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালে রাজ্যের ১১টা জেলায় ৪০০ জন কৃষক স্থানীয় ধানগুলির চাষের উদ্যোগ নেন। ১১৮, ১৮৫ হেক্টরের বেশি জমিতে প্রায় ১৫০ রকম স্থানীয় ধান চাষের উদ্যোগ নেন তাঁরা। এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, এই ধানের বীজগুলি সংগ্রহ করাও ছিল একটা অত্যন্ত পরিশ্রমসাপেক্ষ কাজ। সাধারণত একটা বীজ দু’বছর বপন না করা হলেই তা মরে যায়। নিয়মিত চাষ না করার জন্য বাংলার বহু স্থানীয় ধানবীজ বিলুপ্ত হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল। এখন কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বীজ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের ২৬ রকম স্থানীয় ধানের বীজ দেওয়া হচ্ছে।
‘রাইস ওয়ারিয়র’ নামে ভূষিত কৃষিবিজ্ঞানী ডঃ দেবল দেব এবং পরবর্তী সময়ে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী কৃষি প্রশিক্ষণ পরিচালক অনুপম পালের নেতৃত্বে বাংলার ধান্য বৈচিত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এখন। এ সত্যিই এক বড় সাফল্য। তবে এই চাষে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অবিলম্বে চালগুলি সংগ্রহের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য স্থির করা দরকার। এ ব্যাপারে কেন্দ্রেরও দায়িত্ব আছে। দরকার আছে জিওগ্রাফিক্যাল ইনডেক্স ট্যাগের। তা না হলে এই ধানগুলি যে বাংলারই, এই দাবি আইনি বৈধতা পাবে না। সরকারি কৃষি বিপণন কেন্দ্রগুলিতে এই চালগুলি বিপণনের উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার সে কাজ শুরু করেছে।
কোচবিহারে কালোজিরা, দার্জিলিঙের কালতুরা এবং জিরাসারি, উত্তর দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও তুলাইপাঞ্জি, জলপাইগুড়ির কালোনুনিয়া, বীরভূমের গোবিন্দভোগ ও রাজভোগ চালগুলির চাষ শুরু হওয়া এই উদ্যোগেরই ফসল। তুলনামূলক অনুর্বর পুরুলিয়ার জমিতেও এখন চাষিরা ফলাচ্ছেন কেরালাসুন্দরী, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ির মতো চাল। বর্ধমানে ফলছে বহুরূপী, রাধাতিলক এবং কালাভাত, বাঁকুড়ায় রাধাতিলক, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ি। কলকাতার লাগোয়া হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বহুরূপী, জামাইনাড়ু, মৌলো, দুধের সর, খেজুরছড়ি, মরিচশাল চাল বাঙালি হেঁশেলের ভাতের পুরানো স্থানীয় স্বাদ ফিরিয়ে এনেছে। সত্যিই এক জেলা থেকে আরেক জেলাতে যেতেই চালের এত বৈচিত্র যেখানে, সেখানে উচ্চফলনশীল বীজের নামে বহুজাতিক কৃষি ব্যবসায়ীদের কাছে আমরা আমাদের স্বাদকে বন্ধক রাখব কেন?
এ কাজে রাজ্য কৃষিদপ্তর আয়োজিত কৃষিমেলাগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলার পুরানো স্থানীয় ধানকে খুঁজে বার করা এবং তাকে আবার চাষ করার এই উদ্যোগের সূত্রেই এযাবৎকাল নিছকই সরকারি কৃষিদপ্তরের বিজ্ঞাপন হয়ে থাকা বা কোন জেলায় কে কতবড় আলু বা মুলো, ফুলকপি চাষ করল তা জানাতে ব্যস্ত থাকা কৃষিমেলাগুলো একটা নতুন দিশা দিতে শুরু করেছে। কৃষিমেলায় বসছে জৈব চাষের প্রশিক্ষণ শিবির। সেখানে চাষিরা শিখছে, জানছে স্থানীয় জল জমির জন্য উপযুক্ত ধানগুলি আবার চাষ করার পদ্ধতি।
২০০৯-এর আয়লায় সুন্দরবনের জল ও জমিতে নোনাভাব বেড়ে গিয়েছে। এই নোনা জমিতে আধুনিক বীজগুলি বাঁচতে পারে না। সেখানে এখন চাষিরা ফলাচ্ছে কাঁটারাঙ্গি এবং নিকো চাল। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, জয়নগরের মোয়ায় ব্যবহৃত সুগন্ধি কনকচূড়, গোবিন্দভোগ, কামিনীভোগ, দাদশাল প্রভৃতি চাল নিয়ে। কীটনাশক এবং কৃত্রিম সারের দাপট কমায় জমিতে আবার ফিরে এসেছে কেঁচো এবং শামুক। মাটি ফিরে পাচ্ছে তার স্বাভাবিক উর্বরতা। মনে রাখতে হবে, একই জমিতে বছরের পর বছর শুধুমাত্র সার ও কীটনাশকনির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের চাষে কিন্তু দেশের জীব ও উদ্ভিদ বৈচিত্র আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। এই বৈচিত্রগুলি স্বাভাবিক পরিবেশেই টিকে থাকে।
আমাদের এই ভূখণ্ডে ধান চাষের ইতিহাস ৭৫০০ বছরের পুরানো। বাংলা ছিল ভারতের ধান্য ভাণ্ডার। দেশি ধানের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ আবার সেই পুরানো অভিধা ফিরে পাবে। শুধু বৈচিত্র নয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই হারিয়ে যাওয়া ধানগুলির চাষ জরুরি।
29th  August, 2017
বছরের গোড়ায় পরিস্থিতি বিচার
পি চিদম্বরম

বড়দিন-ইংরেজি নববর্ষ-পোঙ্গল-মকরসংক্রান্তির ছুটি এবং উৎসব অনুষ্ঠান কঠোর পরিশ্রমী ভারতবাসীকে অবশ্যই চাঙ্গা করেছে (ব্যতিক্রম সংসদ সদস্যগণ, যাঁদেরকে ওইরকম কিছুদিনেও কাজে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে)। নতুন বছরটা কার্যকরীভাবে শুরু হয়েছে ১৫ জানুয়ারি থেকে।
বিশদ

মমতার মহাজোট: শনিবারের ব্রিগেড কি মোদিজির চিন্তা বাড়িয়ে দিল? 
শুভা দত্ত

যাকে বলে একেবারে নক্ষত্র সমাবেশ। জনপ্লাবনে উদ্বেল শনিবারের ব্রিগেড ছিল প্রকৃত অর্থেই তারায় তারায় খচিত। আর সেই তারা ভরা ব্রিগেডে অবিসংবাদিতভাবেই মধ্যমণি ছিলেন মহাতারকা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতার ডাকেই দেশের উত্তর দক্ষিণ পূর্ব পশ্চিম থেকে মোদি-বিরোধী নেতানেত্রীরা শনিবার সমবেত হয়েছিলেন কলকাতার ব্রিগেড সভায়। 
বিশদ

20th  January, 2019
রাফাল নিয়ে বিতণ্ডা ভারতের জন্য সুখকর নয়
মৃণালকান্তি দাস

মঞ্চে ১৪টি বিরোধী দলের কর্মীদের সঙ্গে কংগ্রেসের তাবড় তাবড় নেতারা। হাত ধরে প্রতিবাদে ফেটে পড়ছেন প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে। তারই মাঝে উড়ছে রাফাল। তাতে সওয়ার নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ। দিল্লির জনসভা থেকে দাবি উঠল, ‘রাফালে ১ লক্ষ ৩০ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতির পর সংসদ ভবনে বসার অধিকার হারিয়েছে মোদি সরকার।’
বিশদ

19th  January, 2019
গরিবের সন্ধানে
সমৃদ্ধ দত্ত

 ভারতের প্রতিটি সরকার গরিব খোঁ‌জার চেষ্টা করে। স্বাধীনতার পর ৭০ বছর ধরে সবথেকে কঠিন যে অঙ্ক প্রতিটি সরকার কষে চলেছে সেটি হল গরিবের সংজ্ঞা কী? কাকে বলে গরিব? এটাই জানা যাচ্ছে না। বিশদ

18th  January, 2019
পরিবেশের আনুকূল্যেই কেবল সফল হতে পারে জিন এডিটিং
মৃন্ময় চন্দ

বিশ্বে প্রথম ‘জিন এডিটিং’ করে জন্মানো দুই যমজ কন্যাসন্তান—লুলু-নানা। চীনের শেনঝেন শহরের সাদার্ন ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানী ‘হে জিয়ানকুই’ জিন সম্পাদনা করে দুই যমজ সন্তানকে পৃথিবীর আলো দেখিয়েছেন। বাবা-মার সূত্রে দু সন্তানের নাকি সম্ভাবনা ছিল এইডসে আক্রান্ত হওয়ার।
বিশদ

17th  January, 2019
নলজাতক কৌরব ও চিকিৎসক সুভাষ মুখোপাধ্যায়
শুভময় মৈত্র

শুরুতেই বলে নেওয়া ভালো যে প্রতি ইংরেজি বছরের শুরুতে ভারতে যে জাতীয় বিজ্ঞান সম্মেলন (ইন্ডিয়ান সায়েন্স কংগ্রেস) হয় তা আজকের দিনে অত্যন্ত সাধারণ মানের। ‘সম্পূর্ণ নিম্নমানের’ কথাটা ব্যবহার করা ঠিক হবে না।  
বিশদ

15th  January, 2019
‘প্রায় সব ভারতবাসীই গরিব’
পি চিদম্বরম

 কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছে। আপাতভাবে, ওটাই নরেন্দ্র মোদির সরকারের মত। এই মতের পক্ষে সমর্থনের স্পষ্টতা রোজ বাড়ছে। সেই স্পষ্টতার সর্বশেষ নিদর্শন পাওয়া গেল তড়িঘড়ি সংবিধান (১২৪তম সংশোধন) বিলের খসড়া তৈরি (৭ জানুয়ারি) এবং তা সংসদে পাশ (৯ জানুয়ারি) হয়ে যাওয়ার মধ্যে।
বিশদ

14th  January, 2019
মমতার নেতৃত্ব ছাড়া বিরোধীদের
লোকসভা জয়ের স্বপ্ন সফল হবে?
শুভা দত্ত

তিন রাজ্যের ভোটে ভালো ফল করার পর যে জাতীয় স্তরে কংগ্রেস ফের খানিকটা চাঙ্গা হয়ে উঠেছে তাতে সন্দেহ নেই। লোকসভার ভিতরে বাইরে তাদের নেতা রাহুল গান্ধীর কথাবার্তা ও শরীরী ভাষাতেও সেটা পরিষ্কার। বিশেষ করে রাফাল যুদ্ধবিমানের বরাত নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের সঙ্গে তাঁর বাগ্‌যুদ্ধ এবং উভয়পক্ষের মধ্যে ব্যঙ্গ-বিদ্রুপের তরজায় এখন কংগ্রেস সভাপতি রাহুলকেই যেন অপেক্ষাকৃত ধারালো, তরতাজা দেখাচ্ছে!
বিশদ

13th  January, 2019
তিন তালাক বিল অমানবিক ও বৈষম্যমূলক
শামিম আহমেদ

রাজ্যসভার শীতকালীন অধিবেশন ৯ জানুয়ারি শেষ হল, তিন তালাক বিল লোকসভায় পাশ হলেও রাজ্যসভায় হল না। বিরোধীরা বিলটিকে সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর দাবিতে অনড় রইল।
বিশদ

12th  January, 2019
মহাকাশ-চর্চায় ভারতকে স্যালুট জানাচ্ছে গোটা দুনিয়া
মৃণালকান্তি দাস

 মহাকাশ জয় নিয়ে আমেরিকা ও তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের স্নায়ুযুদ্ধের মধ্যেই ইন্দিরা গান্ধী চেয়েছিলেন অন্তত একজন ভারতীয় মহাকাশে যাক। আর তার জন্য বন্ধু দেশ রাশিয়ার সাহায্য চেয়েছিলেন তিনি। ইতিহাস তৈরি হয়েছিল ১৯৮৪ সালের ২ এপ্রিল। বিশদ

11th  January, 2019
মমতার ব্রিগেডে মিলতে পারে
অনেক রাজনৈতিক প্রশ্নের উত্তর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

১৯ জানুয়ারি তৃণমূলের ব্রিগেড সমাবেশের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে এ-রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনের প্রচার শুরু হয়ে যাবে। এরপর ৩ ফেব্রুয়ারিতে বামেদের সমাবেশ রয়েছে ব্রিগেডে। বিজেপি ৭ ফেব্রুয়ারি ব্রিগেড সমাবেশের কথা ঘোষণা করলেও, ‘গণতন্ত্র বাঁচাও যাত্রা’ আটকে পড়ায়, ২৯ জানুয়ারি নরেন্দ্র মোদিকে সামনে রেখে ব্রিগেডে সমাবেশ করার কথা নতুন করে ভাবছে।
বিশদ

10th  January, 2019
অন্নদাতা না ভোটব্যাঙ্ক!
মোশারফ হোসেন

সালটা ছিল ১৯০১। আঠাশ বছর বয়সি এক সুঠাম যুবক কলকাতা থেকে বরিশালের চাখার গ্রামের দিকে চলেছেন। সেখানেই তাঁদের বেশ কয়েক পুরুষের বসবাস। যুবকটি এর আগে কলকাতার রিপন কলেজ থেকে একইসঙ্গে তিনটি বিষয়ে অনার্সসহ গ্র্যাজুয়েট হয়েছেন।
বিশদ

08th  January, 2019
একনজরে
বিএনএ, বহরমপুর: চার মাসে ১০০০জন পুরুষ ভোটারের হিসেবে মহিলার সংখ্যা ১৭জন বাড়িয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলা। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এতদিন পর্যন্ত জেলায় ১০০০ পুরুষ ভোটারের হিসেবে মহিলা ছিল ৯৪১জন।   ...

বাপ্পাদিত্য রায়চৌধুরী, কলকাতা: উচ্চবর্ণের চাকরিপ্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণের উদ্যোগ নিয়েছেন প্রধানমমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শোনা যাচ্ছে, মধ্যবিত্তের মন রাখতে আয়কর ছাড়ের ঊর্ধ্বসীমা আড়াই লক্ষ থেকে পাঁচ লক্ষ টাকা করা হবে। কিন্তু ভোটের আগে আরও কল্পতরু হতে চান মোদি। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ব্রিগেড সমাবেশ থেকে ফেরার পথে শনিবার রাতে শিয়ালদহ স্টেশনে ট্রেনে কাটা পড়ে ডালখোলার এক তৃণমূল কংগ্রেস কর্মীর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর নাম শেখ সুলেমান(৫০)। তাঁর বাড়ি উত্তর দিনাজপুর জেলার ডালখোলার পশ্চিম মাটিয়ারি গ্রামে। রাতেই মৃত্যুর খবর গ্রামের বাড়িতে পৌঁছলে ...

মেলবোর্ন, ২০ জানুয়ারি: রড লেভার এরিনায় ইন্দ্রপতন। অস্ট্রেলিয়ান ওপেনে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে গেলেন গতবারের চ্যাম্পিয়ন রজার ফেডেরার। রবিবার মেলবোর্ন পার্কের ভরা গ্যালারিকে হতাশায় ডুবিয়ে ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যে কোনও শুভকর্মের ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯৪৫- স্বাধীনতা সংগ্রামী রাসবিহারী বসুর মৃত্যু
১৯৫০- ইংরেজ সাহিত্যিক জর্জ অরওয়েলের মৃত্যু
১৯৬৮- চারটি হাইড্রোজেন বোমা সহ গ্রিনল্যান্ডে ভেঙে পড়ল আমেরিকার বি-৫২ যুদ্ধবিমান
১৯৮৬- অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের জন্ম 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭২.০৪ টাকা
পাউন্ড ৯০.৭৪ টাকা ৯৪.০১ টাকা
ইউরো ৭৯.৬৬ টাকা ৮২.৬৭ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
19th  January, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৮১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ১৩৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৬০০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯, ২০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯, ৩০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  January, 2019

দিন পঞ্জিকা

৭ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১০/৫৮ দিবা ১০/৪৬। নক্ষত্র- পুষ্যা ৫০/১১ রাত্রি ২/২৭, সূ উ ৬/২২/৪৪, অ ৫/১২/৫২, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪৯ মধ্যে পুনঃ ১০/৪৩ গতে ১২/৫২ মধ্যে। রাত্রি ৬/৫ গতে ৮/৪৩ মধ্যে পুনঃ ১১/২১ গতে ২/৫২ মধ্যে। বারবেলা ঘ ৭/৪৪ গতে ৯/৫ মধ্যে পুনঃ ২/২৯ গতে ৩/৫০ মধ্যে, কালরাত্রি ঘ ১০/৯ গতে ১১/৪৮ মধ্যে।
৬ মাঘ ১৪২৫, ২১ জানুয়ারি ২০১৯, সোমবার, পূর্ণিমা ১১/৩৩/৪২। পুষ্যানক্ষত্র রাত্রিশেষ ৪/৩৪/৪৬। সূ উ ৬/২৫/০, অ ৫/১০/৬, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৭/৫১/৭ মধ্যে ও ঘ ১০/৪৩/১৬ থেকে ১২/৫২/২৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩/৩৬ থেকে ৮/৪২/২৮ মধ্যে ও ১২/২১/২১ থেকে ২/৫৩/১২ মধ্যে। বারবেলা ২/২৮/৫১ থেকে ৩/৪৯/২৯ মধ্যে, কালবেলা ৭/৪৫/৩৮ থেকে ৯/৬/১৭ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/৮/১৩ থেকে ঘ ১১/৪৭/৩৪ মধ্যে।
 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
সল্টলেকের শান্তিনগরে দম্পতির দেহ উদ্ধার 

04:02:51 PM

সোদপুর শ্যুটআউট কাণ্ড: ঘটনার পুনর্নির্মাণ করল পুলিস, রামুয়ার বাড়ি থেকে উদ্ধার ৪০টি কার্তুজ

03:21:00 PM

মুর্শিদাবাদের বড়ঞায় বোমা ফেটে জখম স্কুলছাত্র  
পুকুরপাড়ে গোরু চড়াতে গিয়ে বোমা ফেটে জখম এক স্কুলছাত্র। ঘটনাটি ...বিশদ

02:49:57 PM

কার্শিয়াংয়ের কাছে খাদে যাত্রী বোঝাই গাড়ি 
কার্শিয়ায়ের অদূরে রোহিনী রোডে খাদে পড়ল যাত্রীবাহী গাড়ি। ঘটনায় ন'জন ...বিশদ

02:42:13 PM

লোহার গার্ডার পড়ে শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনায় খড়্গপুর আইআইটিতে কাজ বন্ধ করে বিক্ষোভ ঠিকা শ্রমিকদের 

12:52:00 PM

ডোভার টেরেসে গোলমাল, প্রহৃত পুলিস 
গড়িয়াহাট থানা এলাকার ডোভার টেরেসে দু'পক্ষের গোলমাল থামাতে গিয়ে প্রহৃত ...বিশদ

12:45:46 PM