Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার হেঁশেলে ফিরছে দেশি চালের ভাত
রঞ্জন সেন

সবুজ বিপ্লবের ধামাকায় যাদের কথা আমরা ভুলতে বসেছিলাম, এমনকী কৃষকরাও যা চাষের কথা ভাবতেও পারছিলেন না বাংলার সেই বৈচিত্রময় ধানগুলি আবার ফিরে এসেছে। এই ধানগুলির চাষে জল, সার, কীটনাশক, পাম্পের ব্যবহার কম। বীজও কিনতে হয় না। বংশপরম্পরায় তা সঞ্চিত থাকে কৃষকের ভাঁড়ারে। আবার একইসঙ্গে তা রন্ধন উপযোগী, পুষ্টিগুণসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব। স্বাদেও দারুণ। বাংলার আত্মনির্ভরশীল কৃষক সম্প্রদায় স্থানীয় এই ধান চাষের ওপর একসময় ভরসা করতেন। কারণ এই ধানবীজগুলি একান্তভাবেই স্থানীয় পরিবেশ, জল মাটির সঙ্গে মানানসই। একসময় বাংলার একেকটা গ্রামের খেতেই হ’ত ডজন খানেকেরও বেশি ধরনের ধানের চাষ। বহুদিন পর আবার ফিরে আসছে ধানচাষের সেই বৈচিত্র। বাংলার হেঁশেলে ফিরছে কাটারিভোগ, রাধাতিলক, বহুরূপী, কালোজিরা, কালোনুনিয়া, কবিরাজশাল চালের ভাত। বাংলার খেতে এইসব ধানের চাষ আবার ফিরিয়ে আনার জন্য অবশ্যই রাজ্যের কৃষিদপ্তরকে একটা বড় ধন্যবাদ দিতে হবে। তারও আগে ধন্যবাদ দিতে হবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী ফুলব্রাইট স্কলার ডঃ দেবল দেবকে। যিনি স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী সুস্বাদু দেশি ধানগুলির চাষ আবার ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে দীর্ঘদিন নীরবে কাজ করে চলেছেন। বস্তুত তিনিই পশ্চিমবঙ্গে, পরবর্তী সময়ে সারা ভারতে দেশি ধানের চাষ ফিরিয়ে আনার কাজে পথিকৃৎ।
২০০১ সালে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এক একর জমিতে পাঁচরকম ধান জৈব পদ্ধতিতে চাষ শুরু করা হয়। তখন এই প্রচেষ্টাকে কেউ খুব একটা পাত্তা দেয়নি। জৈব পদ্ধতিতে পুরানো ধান চাষকে ফিরিয়ে আনার এই প্রচেষ্টাকে এখন অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেবল বিভিন্ন রাজ্য থেকে স্থানীয় চালের নমুনা সংগ্রহ করে গড়ে তোলেন ব্রিহি বীজ কেন্দ্র নামে একটি সিড ব্যাংক। পরবর্তী কালে কেন্দ্রটি ওড়িশায় চলে যায়। সেখানে নিয়মগিরি পাহাড়ের ঢালের ২.৫ একর জমিতে দেবল ৯২০ রকম ধানের চাষ করেছেন। পাঁচরকম স্থানীয় ধান চাষ দিয়ে যে পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল সেটাই এখন ফিরিয়ে এনেছে পাহাড় থেকে সমতল অবধি রাজ্যের ১৫টি জেলায় প্রায় ৪০০-র বেশি স্থানীয় ধান চাষ। স্থানীয় ধান চাষ মানেই নানা ধরনের ভাতের স্বাদের বৈচিত্র। কৃত্রিম সার ও কীটনাশকের ওপর একান্তভাবেই নির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের সঙ্গে তার কোনও তুলনাই হয় না। এছাড়াও উচ্চফলনশীল ধানের চাষে জল বেশি খরচ হয়, বিদ্যুৎ বেশি লাগে, অগভীর নলকূপ থেকে বেশি মাত্রায় জল তোলার ফলে ভূ-জলের স্তর নেমে যায় এবং শেষ অবধি জমিতে উৎপাদনশীলতাও কমে আসে। সামগ্রিকভাবে বাড়ে চাষের খরচ। পশ্চিমবঙ্গের মতো ধান চাষে এগিয়ে থাকা রাজ্যে এই ঘটনাই ঘটেছে।
অবস্থা সামাল দিতে চাষবাসের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থার দিকে তাকানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রকের প্রচেষ্টায় নদীয়ায় রাজ্যের কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাংলার পুরানো চালগুলিকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এক নতুন গতি পেয়েছে। ১৯১৩ সালে রাজ্যের কৃষিদপ্তর বাংলার বিলুপ্তপ্রায় চালগুলি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেয়। এ কাজে রাজ্যের চাষি, বেসরকারি সংগঠন ছাড়াও অসম, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, কেরালা, নাগাল্যান্ড প্রভৃতি রাজ্যের ধানের বীজ সংগ্রহ ও তা চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালে রাজ্যের ১১টা জেলায় ৪০০ জন কৃষক স্থানীয় ধানগুলির চাষের উদ্যোগ নেন। ১১৮, ১৮৫ হেক্টরের বেশি জমিতে প্রায় ১৫০ রকম স্থানীয় ধান চাষের উদ্যোগ নেন তাঁরা। এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, এই ধানের বীজগুলি সংগ্রহ করাও ছিল একটা অত্যন্ত পরিশ্রমসাপেক্ষ কাজ। সাধারণত একটা বীজ দু’বছর বপন না করা হলেই তা মরে যায়। নিয়মিত চাষ না করার জন্য বাংলার বহু স্থানীয় ধানবীজ বিলুপ্ত হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল। এখন কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বীজ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের ২৬ রকম স্থানীয় ধানের বীজ দেওয়া হচ্ছে।
‘রাইস ওয়ারিয়র’ নামে ভূষিত কৃষিবিজ্ঞানী ডঃ দেবল দেব এবং পরবর্তী সময়ে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী কৃষি প্রশিক্ষণ পরিচালক অনুপম পালের নেতৃত্বে বাংলার ধান্য বৈচিত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এখন। এ সত্যিই এক বড় সাফল্য। তবে এই চাষে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অবিলম্বে চালগুলি সংগ্রহের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য স্থির করা দরকার। এ ব্যাপারে কেন্দ্রেরও দায়িত্ব আছে। দরকার আছে জিওগ্রাফিক্যাল ইনডেক্স ট্যাগের। তা না হলে এই ধানগুলি যে বাংলারই, এই দাবি আইনি বৈধতা পাবে না। সরকারি কৃষি বিপণন কেন্দ্রগুলিতে এই চালগুলি বিপণনের উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার সে কাজ শুরু করেছে।
কোচবিহারে কালোজিরা, দার্জিলিঙের কালতুরা এবং জিরাসারি, উত্তর দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও তুলাইপাঞ্জি, জলপাইগুড়ির কালোনুনিয়া, বীরভূমের গোবিন্দভোগ ও রাজভোগ চালগুলির চাষ শুরু হওয়া এই উদ্যোগেরই ফসল। তুলনামূলক অনুর্বর পুরুলিয়ার জমিতেও এখন চাষিরা ফলাচ্ছেন কেরালাসুন্দরী, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ির মতো চাল। বর্ধমানে ফলছে বহুরূপী, রাধাতিলক এবং কালাভাত, বাঁকুড়ায় রাধাতিলক, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ি। কলকাতার লাগোয়া হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বহুরূপী, জামাইনাড়ু, মৌলো, দুধের সর, খেজুরছড়ি, মরিচশাল চাল বাঙালি হেঁশেলের ভাতের পুরানো স্থানীয় স্বাদ ফিরিয়ে এনেছে। সত্যিই এক জেলা থেকে আরেক জেলাতে যেতেই চালের এত বৈচিত্র যেখানে, সেখানে উচ্চফলনশীল বীজের নামে বহুজাতিক কৃষি ব্যবসায়ীদের কাছে আমরা আমাদের স্বাদকে বন্ধক রাখব কেন?
এ কাজে রাজ্য কৃষিদপ্তর আয়োজিত কৃষিমেলাগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলার পুরানো স্থানীয় ধানকে খুঁজে বার করা এবং তাকে আবার চাষ করার এই উদ্যোগের সূত্রেই এযাবৎকাল নিছকই সরকারি কৃষিদপ্তরের বিজ্ঞাপন হয়ে থাকা বা কোন জেলায় কে কতবড় আলু বা মুলো, ফুলকপি চাষ করল তা জানাতে ব্যস্ত থাকা কৃষিমেলাগুলো একটা নতুন দিশা দিতে শুরু করেছে। কৃষিমেলায় বসছে জৈব চাষের প্রশিক্ষণ শিবির। সেখানে চাষিরা শিখছে, জানছে স্থানীয় জল জমির জন্য উপযুক্ত ধানগুলি আবার চাষ করার পদ্ধতি।
২০০৯-এর আয়লায় সুন্দরবনের জল ও জমিতে নোনাভাব বেড়ে গিয়েছে। এই নোনা জমিতে আধুনিক বীজগুলি বাঁচতে পারে না। সেখানে এখন চাষিরা ফলাচ্ছে কাঁটারাঙ্গি এবং নিকো চাল। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, জয়নগরের মোয়ায় ব্যবহৃত সুগন্ধি কনকচূড়, গোবিন্দভোগ, কামিনীভোগ, দাদশাল প্রভৃতি চাল নিয়ে। কীটনাশক এবং কৃত্রিম সারের দাপট কমায় জমিতে আবার ফিরে এসেছে কেঁচো এবং শামুক। মাটি ফিরে পাচ্ছে তার স্বাভাবিক উর্বরতা। মনে রাখতে হবে, একই জমিতে বছরের পর বছর শুধুমাত্র সার ও কীটনাশকনির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের চাষে কিন্তু দেশের জীব ও উদ্ভিদ বৈচিত্র আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। এই বৈচিত্রগুলি স্বাভাবিক পরিবেশেই টিকে থাকে।
আমাদের এই ভূখণ্ডে ধান চাষের ইতিহাস ৭৫০০ বছরের পুরানো। বাংলা ছিল ভারতের ধান্য ভাণ্ডার। দেশি ধানের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ আবার সেই পুরানো অভিধা ফিরে পাবে। শুধু বৈচিত্র নয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই হারিয়ে যাওয়া ধানগুলির চাষ জরুরি।
29th  August, 2017
দক্ষ ম‌্যানেজারদের চাই, নিছক চৌকিদারদের নয় 
পি চিদম্বরম

পি চিদম্বরম: চৌকিদার হওয়াটা সম্মানের কাজ যেটা অনেক শতাব্দী ধরে চলে আসছে। চৌকিদার বা ওয়াচম‌্যানদের পাওয়া গিয়েছে সমস্ত গোষ্ঠী-সম্প্রদায় এবং পরিবেশ-পটভূমি থেকে। তাঁরা ছিলেন কিছু ব‌্যক্তি এবং তাঁদের কাজটি ছিল নিয়মমাফিক। আবাসন থেকে বাণিজ‌্য কেন্দ্র প্রভৃতি নানা স্থানে বেসরকারি উদ‌্যোগে নিরাপত্তারক্ষী নিয়োগের একটি সংগঠিত ব‌্যবসার জন্ম দিয়েছে উদারীকরণ নীতি।  বিশদ

 লোকসভা ২০১৯: প্রার্থী বাছতেই
হিমশিম, মমতাকে রুখবেন কীভাবে!
শুভা দত্ত

 দোল শেষ। তবে, রাজ্যজুড়ে রঙের উৎসবের আমেজ এখনও যথেষ্টই রয়েছে। পথেঘাটে মানুষের শরীরে মনে তার ছাপ এখনও স্পষ্ট। এবার দোলে গরম তেমন অসহনীয় ছিল না। বৃষ্টিও হয়নি। বরং, শুক্রবার হোলির বিকেলে কালবৈশাখী এসে যেটুকু ভ্যাপসা গরম জমে ছিল তাও ধুয়েমুছে নিয়ে গেছে।
বিশদ

24th  March, 2019
কংগ্রেস-সিপিএম জোট যেন
সান্ধ্য মেগা সিরিয়াল!
মৃণালকান্তি দাস

শত্রু চিহ্নিত হয়েছিল বছরখানেক আগেই। কেন্দ্রে বিজেপি, রাজ্যে তৃণমূল। সেই শত্রুকে বধ করতে কংগ্রেসের সঙ্গে হাতে হাত ধরে লড়াইয়ের ময়দানে থাকতে হবে, সেই বার্তাও দেওয়া হচ্ছিল বহুদিন ধরে। সূর্যকান্ত মিশ্র থেকে সুজন চক্রবর্তী, অধীর চৌধুরি থেকে আব্দুল মান্নান—যাঁদের জোট চর্চার সঙ্গে শত্রু-বিরোধী গরম গরম ভাষণও শোনা গিয়েছিল অনেক। কিন্তু লোকসভা ভোটের আগেই অশ্বডিম্ব প্রসব করে চূড়ান্ত হাস্যস্পদে পরিণত হয়েছে দুই দল।
বিশদ

24th  March, 2019
ধর্মের বেশে ভোটব্যাঙ্ক!
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 

দুপুর গড়িয়ে বিকেলের পথে। তারিখটা ২৭ মে, ১৯৬৪। দিল্লির রাজপথে কালো মাথার ভিড়ে তিল ধারণের জায়গা নেই। আর ভিড়ের বেশিরভাগেরই গতিমুখ তিনমূর্তি ভবনের দিকে। সেখানে শায়িত জওহরলাল নেহরু। শেষযাত্রায় প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে হাজির গ্র্যানভিল অস্টিনও। মার্কিন ছাত্র। থিসিস লিখছেন ভারতের সংবিধানের উপর। তাই আগ্রহটা বাকিদের থেকে একটু বেশিই।  
বিশদ

23rd  March, 2019
পরিবেশ নিরুদ্দেশ 
রঞ্জন সেন

খবরের কাগজে দেখলাম, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জানিয়েছেন, সন্ত্রাস ও জলবায়ু পরিবর্তন মানব সভ্যতার সামনে বড় বিপদ। বাতাসে কার্বন নিঃসরণ বাড়ে এমন কোনও কাজ তিনি করেন না। কার্বন নিঃসরণের বিপদ সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীর এমন সতর্কতা খুব ভালো লাগল।  
বিশদ

23rd  March, 2019
এবারের লোকসভা নির্বাচনে বাংলার
বামফ্রন্ট এবং তার প্রার্থীতালিকা
শুভময় মৈত্র

এ দেশে বামপন্থার ইতিহাস আজকের নয়। প্রায় একশো বছর আগে ১৯২৫ সালের বড়দিনের ঠিক পরের তারিখেই কানপুরে কমিউনিস্ট পার্টি অফ ইন্ডিয়ার (সিপিআই) প্রতিষ্ঠা হয়েছিল বলে শোনা যায়। সিপিএমের আবার অন্য তত্ত্বও আছে। তাদের একাংশের মতে ১৯২০ সালের ১৭ অক্টোবর তাসখন্দে ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির পথ চলা শুরু।
বিশদ

21st  March, 2019
গত বিধানসভার ফল রাজ্যে এবারের লোকসভার ভোটে কী ইঙ্গিত রাখছে?
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী
 

২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে বেশ কয়েক মাস ধরে চলছে জনমত সমীক্ষার কাজ। ভারতের মতো বৃহৎ গণতান্ত্রিক দেশে যেখানে ৯০ কোটি ভোটার রয়েছেন সেখানে এই বিপুল সংখ্যক মানুষের মনের খোঁজ পাওয়া সমীক্ষকদের পক্ষে কতটুকু সম্ভব তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক রয়েছে—বিশেষ করে ৯০ কোটি ভোটার যেখানে জাত, ধর্ম, অঞ্চলে বিভক্ত।  
বিশদ

19th  March, 2019
মোদিজির বালাকোট স্বপ্ন 

পি চিদম্বরম: গত ১০ মার্চ, রবিবার নির্বাচন কমিশন রণতূর্য বাজিয়ে দিল। সরকারকে শেষবারের মতো ‘ফেভার’ও করল তারা। নির্বাচন ঘোষণাটিকে সাধারণ মানুষ মুক্তির শ্বাসের মতো গ্রহণ করল: আর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের ঘটা নেই, আর অর্ডিন‌্যান্স নেই এবং নেই কিছু নড়বড়ে সরকারি স্কিমের বেপরোয়া সূচনা।  বিশদ

18th  March, 2019
আধাসেনা নামিয়ে কি ভোটযুদ্ধে
মমতাকে ঘায়েল করা যাবে?

শুভা দত্ত 

রাজ্যে ভোটের হাওয়া গরম হচ্ছে। জেলায় জেলায় শাসক এবং বিরোধী—দুই শিবিরের প্রচারও একটু একটু করে গতি পাচ্ছে। মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রার্থীদের অনেকেই নেমে পড়েছেন জনসংযোগে। দেওয়াল লেখাও চলছে জোরকদমে। ভোটপ্রার্থীদের সমর্থনে পোস্টার ব্যানার দলীয় পতাকাও দেখা দিতে শুরু করেছে চারপাশে।  
বিশদ

17th  March, 2019
তীব্র জলসঙ্কট হয় মানুষের কারণে
খেসারত দিতে হবে মানুষকেই 
মৃন্ময় চন্দ

নদী বিক্রি? আজব কথা, তাও কি হয় সত্যি? ছত্তিশগড় তখনও নয় স্বয়ংসম্পূর্ণ রাজ্য, কুলকুল করে বয়ে চলেছে ‘শেওনাথ’ নদী। ১৯৯৮ সালে মধ্যপ্রদেশ সরকার ২৩ কিমি দীর্ঘ ‘শেওনাথ’ নদীটিকে ৩০ বছরের লিজে হস্তান্তর করল স্থানীয় এক ব্যবসায়ীর কাছে।  বিশদ

16th  March, 2019
সংরক্ষণের রাজনীতি, রাজনীতির সংরক্ষণ 
রঞ্জন সেন

আগে ব্যাপারটা বেশ সহজ ছিল, সিপিএম, সিপিআই মানেই শ্রমিক-কৃষক- মধ্যবিত্তদের দল, কংগ্রেস উচ্চবিত্তদের দল, বিজেপি অবাঙালি ব্যবসায়ী শ্রেণীর দল। এই সরল শ্রেণীবিভাগ এখন অচল। বাম আমলে আমরা দেখেছি, টাটাদের মতো শিল্পপতিরাও বামেদের বেশ বন্ধু হয়ে গেছেন।   বিশদ

16th  March, 2019
সন্ত্রাসবাদীদের চক্রব্যূহে ফেঁসে
রয়েছেন ইমরান খান
মৃণালকান্তি দাস

২০১৩ সালে মার্কিন বাহিনীর ড্রোন হামলায় নিহত হয়েছিলেন পাকিস্তানি তালিবান কম্যান্ডার ওয়ালি-উর-রেহমান। প্রতিবাদে ফেটে পড়েছিলেন ইমরান খান। সেদিন ট্যুইট করে বলেছিলেন, ‘ড্রোন হামলায় শান্তিকামী নেতা ওয়ালি-উর-রেহমানকে হত্যার মাধ্যমে প্রতিশোধ, যুদ্ধ ও মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া হল যোদ্ধাদের। একদমই মানতে পারছি না।’
বিশদ

15th  March, 2019
একনজরে
 জয়পুর, ২৪ মার্চ: সোমবার ঘরের মাঠে রাজস্থান রয়্যালস এবারের আইপিএলে অভিযান শুরু করছে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে। এই ম্যাচটির দিকে তাকিয়ে আছে আইসিসি টেস্ট খেলিয়ে ...

সংবাদদাতা, কান্দি: রবিবার কান্দি পুরসভা এলাকার আন্দুলিয়া গ্রামের কাছে অধীর চৌধুরীর সমর্থনে হওয়া মিছিলের বাইক আটকে দেয় পুলিস। এনিয়ে অধীরবাবু পুলিসের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন।  ...

 সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: তারকেশ্বরের তালপুর গ্রামে প্রায় ছয় কোটি টাকা ব্যয়ে তৈরি হওয়া দু’টি জলপ্রকল্পে উপকৃত হতে চলেছেন তিনটি গ্রামের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। তারকেশ্বর তালপুর পঞ্চায়েতের রামনারায়ণপুর ও নগদীপাড়া গ্রামে দু’টি জলপ্রকল্পের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি জল পৌঁছে দেওয়ার উদ্যোগে খুশি ...

সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: এবারের লোকসভা নির্বাচনে হলদিবাড়িতে অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠেছে টম্যাটো প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন ও বহুমূখী হিমঘর তৈরির দাবি। কেননা হলদিবাড়ি ব্লকের ছয়টি গ্রাম পঞ্চায়েতে অন্তত ১২০০ হেক্টর জমিতে টম্যাটো চাষ হয়।   ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যার্থীদের অধিক পরিশ্রম করতে হবে। অন্যথায় পরীক্ষার ফল ভালো হবে না। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় ভালো ফল ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯২৭: হকি খেলোয়াড় লেসলি ক্লডিয়াসের জন্ম
১৯৪৮: অভিনেতা ফারুক শেখের জন্ম
১৯৮৪: ক্রিকেটার অশোক দিন্দার জন্ম
১৯৯২: ক্রিকেট বিশ্বকাপ জিতল পাকিস্তান 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.১৫ টাকা ৬৯.৮৪ টাকা
পাউন্ড ৮৮.৭৭ টাকা ৯২.১৯ টাকা
ইউরো ৭৬.৬৭ টাকা ৭৯.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
23rd  March, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ৭১৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩১, ০৪০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩১, ৫০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৮, ৩০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৮, ৪০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
24th  March, 2019

দিন পঞ্জিকা

১০ চৈত্র ১৪২৫, ২৫ মার্চ ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী ৩৫/৫০ রাত্রি ৮/০। বিশাখা ৩/২৬ দিবা ৭/৩। সূ উ ৫/৪০/২৩, অ ৫/৪৫/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৬ মধ্যে পুনঃ ১০/৩০ গতে ১২/৫৫ মধ্যে। রাত্রি ৬/৩৩ গতে ৮/৫৬ মধ্যে পুনঃ ১১/১৯ গতে ২/২৯ মধ্যে, বারবেলা ৭/১২ গতে ৮/৪২ মধ্যে পুনঃ ২/৪৪ গতে ৪/১৪ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৪ গতে ১১/৪২ মধ্যে। 
১০ চৈত্র ১৪২৫, ২৫ মার্চ ২০১৯, সোমবার, পঞ্চমী রাত্রি ১২/১৯/৫। বিশাখানক্ষত্র ১১/৯/১১, সূ উ ৫/৪০/৪১, অ ৫/৪৪/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/১৭/১৩ মধ্যে ও ১০/৩০/১৭ থেকে ১২/৫৫/৫ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৩২/২৫ থেকে ৮/৫৫/৩৭ মধ্যে ও ১১/৫৮/৪৯ থেকে ২/২৯/৪৫ মধ্যে, বারবেলা ২/৪৩/৪১ থেকে ৪/১৪/১১ মধ্যে, কালবেলা ৭/১১/১১ থেকে ৮/৪১/৪১ মধ্যে, কালরাত্রি ১০/১৩/১১ থেকে ১১/৪২/৪১ মধ্যে। 
১৭ রজব 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
দিল্লি ক্যাপিটালস: ৮২/২ (১০ ওভার) 

24-03-2019 - 09:00:12 PM

সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে ৬ উইকেটে জয়ী কেকেআর 

24-03-2019 - 07:55:29 PM

টসে জিতে দিল্লি ক্যাপিটালসকে ব্যাট করতে পাঠাল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স 

24-03-2019 - 07:37:38 PM

ইডেন গার্ডেন্সে ফ্লাড লাইট বিভ্রাট, বন্ধ খেলা 

24-03-2019 - 07:22:47 PM

কেকেআর: ১১৪/৩ (১৫ ওভার) 

24-03-2019 - 07:20:08 PM

কেকেআর: ৪০/১ (৫ ওভার) 

24-03-2019 - 06:25:39 PM