Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার হেঁশেলে ফিরছে দেশি চালের ভাত
রঞ্জন সেন

সবুজ বিপ্লবের ধামাকায় যাদের কথা আমরা ভুলতে বসেছিলাম, এমনকী কৃষকরাও যা চাষের কথা ভাবতেও পারছিলেন না বাংলার সেই বৈচিত্রময় ধানগুলি আবার ফিরে এসেছে। এই ধানগুলির চাষে জল, সার, কীটনাশক, পাম্পের ব্যবহার কম। বীজও কিনতে হয় না। বংশপরম্পরায় তা সঞ্চিত থাকে কৃষকের ভাঁড়ারে। আবার একইসঙ্গে তা রন্ধন উপযোগী, পুষ্টিগুণসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব। স্বাদেও দারুণ। বাংলার আত্মনির্ভরশীল কৃষক সম্প্রদায় স্থানীয় এই ধান চাষের ওপর একসময় ভরসা করতেন। কারণ এই ধানবীজগুলি একান্তভাবেই স্থানীয় পরিবেশ, জল মাটির সঙ্গে মানানসই। একসময় বাংলার একেকটা গ্রামের খেতেই হ’ত ডজন খানেকেরও বেশি ধরনের ধানের চাষ। বহুদিন পর আবার ফিরে আসছে ধানচাষের সেই বৈচিত্র। বাংলার হেঁশেলে ফিরছে কাটারিভোগ, রাধাতিলক, বহুরূপী, কালোজিরা, কালোনুনিয়া, কবিরাজশাল চালের ভাত। বাংলার খেতে এইসব ধানের চাষ আবার ফিরিয়ে আনার জন্য অবশ্যই রাজ্যের কৃষিদপ্তরকে একটা বড় ধন্যবাদ দিতে হবে। তারও আগে ধন্যবাদ দিতে হবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী ফুলব্রাইট স্কলার ডঃ দেবল দেবকে। যিনি স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী সুস্বাদু দেশি ধানগুলির চাষ আবার ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে দীর্ঘদিন নীরবে কাজ করে চলেছেন। বস্তুত তিনিই পশ্চিমবঙ্গে, পরবর্তী সময়ে সারা ভারতে দেশি ধানের চাষ ফিরিয়ে আনার কাজে পথিকৃৎ।
২০০১ সালে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এক একর জমিতে পাঁচরকম ধান জৈব পদ্ধতিতে চাষ শুরু করা হয়। তখন এই প্রচেষ্টাকে কেউ খুব একটা পাত্তা দেয়নি। জৈব পদ্ধতিতে পুরানো ধান চাষকে ফিরিয়ে আনার এই প্রচেষ্টাকে এখন অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেবল বিভিন্ন রাজ্য থেকে স্থানীয় চালের নমুনা সংগ্রহ করে গড়ে তোলেন ব্রিহি বীজ কেন্দ্র নামে একটি সিড ব্যাংক। পরবর্তী কালে কেন্দ্রটি ওড়িশায় চলে যায়। সেখানে নিয়মগিরি পাহাড়ের ঢালের ২.৫ একর জমিতে দেবল ৯২০ রকম ধানের চাষ করেছেন। পাঁচরকম স্থানীয় ধান চাষ দিয়ে যে পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল সেটাই এখন ফিরিয়ে এনেছে পাহাড় থেকে সমতল অবধি রাজ্যের ১৫টি জেলায় প্রায় ৪০০-র বেশি স্থানীয় ধান চাষ। স্থানীয় ধান চাষ মানেই নানা ধরনের ভাতের স্বাদের বৈচিত্র। কৃত্রিম সার ও কীটনাশকের ওপর একান্তভাবেই নির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের সঙ্গে তার কোনও তুলনাই হয় না। এছাড়াও উচ্চফলনশীল ধানের চাষে জল বেশি খরচ হয়, বিদ্যুৎ বেশি লাগে, অগভীর নলকূপ থেকে বেশি মাত্রায় জল তোলার ফলে ভূ-জলের স্তর নেমে যায় এবং শেষ অবধি জমিতে উৎপাদনশীলতাও কমে আসে। সামগ্রিকভাবে বাড়ে চাষের খরচ। পশ্চিমবঙ্গের মতো ধান চাষে এগিয়ে থাকা রাজ্যে এই ঘটনাই ঘটেছে।
অবস্থা সামাল দিতে চাষবাসের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থার দিকে তাকানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রকের প্রচেষ্টায় নদীয়ায় রাজ্যের কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাংলার পুরানো চালগুলিকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এক নতুন গতি পেয়েছে। ১৯১৩ সালে রাজ্যের কৃষিদপ্তর বাংলার বিলুপ্তপ্রায় চালগুলি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেয়। এ কাজে রাজ্যের চাষি, বেসরকারি সংগঠন ছাড়াও অসম, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, কেরালা, নাগাল্যান্ড প্রভৃতি রাজ্যের ধানের বীজ সংগ্রহ ও তা চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালে রাজ্যের ১১টা জেলায় ৪০০ জন কৃষক স্থানীয় ধানগুলির চাষের উদ্যোগ নেন। ১১৮, ১৮৫ হেক্টরের বেশি জমিতে প্রায় ১৫০ রকম স্থানীয় ধান চাষের উদ্যোগ নেন তাঁরা। এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, এই ধানের বীজগুলি সংগ্রহ করাও ছিল একটা অত্যন্ত পরিশ্রমসাপেক্ষ কাজ। সাধারণত একটা বীজ দু’বছর বপন না করা হলেই তা মরে যায়। নিয়মিত চাষ না করার জন্য বাংলার বহু স্থানীয় ধানবীজ বিলুপ্ত হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল। এখন কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বীজ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের ২৬ রকম স্থানীয় ধানের বীজ দেওয়া হচ্ছে।
‘রাইস ওয়ারিয়র’ নামে ভূষিত কৃষিবিজ্ঞানী ডঃ দেবল দেব এবং পরবর্তী সময়ে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী কৃষি প্রশিক্ষণ পরিচালক অনুপম পালের নেতৃত্বে বাংলার ধান্য বৈচিত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এখন। এ সত্যিই এক বড় সাফল্য। তবে এই চাষে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অবিলম্বে চালগুলি সংগ্রহের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য স্থির করা দরকার। এ ব্যাপারে কেন্দ্রেরও দায়িত্ব আছে। দরকার আছে জিওগ্রাফিক্যাল ইনডেক্স ট্যাগের। তা না হলে এই ধানগুলি যে বাংলারই, এই দাবি আইনি বৈধতা পাবে না। সরকারি কৃষি বিপণন কেন্দ্রগুলিতে এই চালগুলি বিপণনের উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার সে কাজ শুরু করেছে।
কোচবিহারে কালোজিরা, দার্জিলিঙের কালতুরা এবং জিরাসারি, উত্তর দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও তুলাইপাঞ্জি, জলপাইগুড়ির কালোনুনিয়া, বীরভূমের গোবিন্দভোগ ও রাজভোগ চালগুলির চাষ শুরু হওয়া এই উদ্যোগেরই ফসল। তুলনামূলক অনুর্বর পুরুলিয়ার জমিতেও এখন চাষিরা ফলাচ্ছেন কেরালাসুন্দরী, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ির মতো চাল। বর্ধমানে ফলছে বহুরূপী, রাধাতিলক এবং কালাভাত, বাঁকুড়ায় রাধাতিলক, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ি। কলকাতার লাগোয়া হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বহুরূপী, জামাইনাড়ু, মৌলো, দুধের সর, খেজুরছড়ি, মরিচশাল চাল বাঙালি হেঁশেলের ভাতের পুরানো স্থানীয় স্বাদ ফিরিয়ে এনেছে। সত্যিই এক জেলা থেকে আরেক জেলাতে যেতেই চালের এত বৈচিত্র যেখানে, সেখানে উচ্চফলনশীল বীজের নামে বহুজাতিক কৃষি ব্যবসায়ীদের কাছে আমরা আমাদের স্বাদকে বন্ধক রাখব কেন?
এ কাজে রাজ্য কৃষিদপ্তর আয়োজিত কৃষিমেলাগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলার পুরানো স্থানীয় ধানকে খুঁজে বার করা এবং তাকে আবার চাষ করার এই উদ্যোগের সূত্রেই এযাবৎকাল নিছকই সরকারি কৃষিদপ্তরের বিজ্ঞাপন হয়ে থাকা বা কোন জেলায় কে কতবড় আলু বা মুলো, ফুলকপি চাষ করল তা জানাতে ব্যস্ত থাকা কৃষিমেলাগুলো একটা নতুন দিশা দিতে শুরু করেছে। কৃষিমেলায় বসছে জৈব চাষের প্রশিক্ষণ শিবির। সেখানে চাষিরা শিখছে, জানছে স্থানীয় জল জমির জন্য উপযুক্ত ধানগুলি আবার চাষ করার পদ্ধতি।
২০০৯-এর আয়লায় সুন্দরবনের জল ও জমিতে নোনাভাব বেড়ে গিয়েছে। এই নোনা জমিতে আধুনিক বীজগুলি বাঁচতে পারে না। সেখানে এখন চাষিরা ফলাচ্ছে কাঁটারাঙ্গি এবং নিকো চাল। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, জয়নগরের মোয়ায় ব্যবহৃত সুগন্ধি কনকচূড়, গোবিন্দভোগ, কামিনীভোগ, দাদশাল প্রভৃতি চাল নিয়ে। কীটনাশক এবং কৃত্রিম সারের দাপট কমায় জমিতে আবার ফিরে এসেছে কেঁচো এবং শামুক। মাটি ফিরে পাচ্ছে তার স্বাভাবিক উর্বরতা। মনে রাখতে হবে, একই জমিতে বছরের পর বছর শুধুমাত্র সার ও কীটনাশকনির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের চাষে কিন্তু দেশের জীব ও উদ্ভিদ বৈচিত্র আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। এই বৈচিত্রগুলি স্বাভাবিক পরিবেশেই টিকে থাকে।
আমাদের এই ভূখণ্ডে ধান চাষের ইতিহাস ৭৫০০ বছরের পুরানো। বাংলা ছিল ভারতের ধান্য ভাণ্ডার। দেশি ধানের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ আবার সেই পুরানো অভিধা ফিরে পাবে। শুধু বৈচিত্র নয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই হারিয়ে যাওয়া ধানগুলির চাষ জরুরি।
29th  August, 2017
ভোটফলের পর রাজ্যে শান্তি
রক্ষাই এখন সবচেয়ে বড় কাজ
শুভা দত্ত

 শেষ পর্যন্ত সব জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে দিল্লির মসনদে ফিরে এলেন মোদিজি। ভোট পরবর্তী জনসমীক্ষার হরেক সম্ভাব্য ফলকে পিছনে ফেলে সাড়ে তিনশো আসনের জবরদস্ত গরিষ্ঠতা নিয়ে নরেন্দ্র মোদি দ্বিতীয়বারের জন্য ফিরে এলেন দেশের প্রধানমন্ত্রীর আসনে।
বিশদ

 দেশ চেয়েছে একজন শক্তিশালী নেতা
আর রাজ্যের দাবি গণতান্ত্রিক পরিসর
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

 দেশের মানুষ শক্তিশালী নেতার পক্ষে স্পষ্ট রায় জানিয়েছেন। শত বিভাজিত বিরোধী শিবির অপেক্ষা একক নেতার প্রতি সাধারণ মানুষ যে ভরসা করেন আরও একবার বিজেপির পক্ষে স্পষ্ট সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে তা প্রমাণিত হল।
বিশদ

25th  May, 2019
মোদির প্রত্যাবর্তন
 শান্তনু দত্তগুপ্ত

ঘড়ি ধরে ঘুম ভেঙেছিল ঠিক সকাল ৫টায়। প্রথমে নিয়মমাফিক যোগব্যায়াম, তারপর খবরে চোখ রাখা। নাঃ, সব শান্তিতেই আছে... নিশ্চিন্ত মনে ব্রেকফাস্ট নিয়ে বসলেন মুখ্যমন্ত্রী। সাড়ে ৮টা নাগাদ খবর আসা শুরু হল... কিছু একটা হয়েছে গোধরায়... কয়েকজন মারা গিয়েছে। সংখ্যাটা বাড়তেও পারে... ট্রেনে কিছু... এখনও শিওর হওয়া যাচ্ছে না। সেদিন আবার বিধানসভায় বাজেট পেশ।  
বিশদ

24th  May, 2019
সাবধান! গ্রাফিতি নিয়ে ব্যাঙ্কসি এবার ভারতেও
মৃণালকান্তি দাস

কোনও রাজা নয়। রাজার মূর্তিও নয়। দুই নেতার টানাটানিতে দ্বিখণ্ডিত ভারত! এটাই ছিল মুম্বইয়ের রাজপথের পাশে কোনও এক দেওয়ালে আঁকা গ্রাফিতি। দড়ি টানাটানি করছেন যাঁরা, তাঁদের একজন ‘নাগরিক’ পোশাকে সজ্জিত কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধী। অন্যজনের পরনে সামরিক উর্দি। তিনি, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কে এঁকেছেন, জানা নেই।
বিশদ

23rd  May, 2019
ভোটফল ২০১৯: ভালো মন্দ যা-ই ঘটুক উৎসবের মেজাজটি যেন বজায় থাকে
মেরুনীল দাশগুপ্ত

আজ সেই বহু প্রতীক্ষিত বৃহস্পতিবার, ২৩ মে। জল্পনা-কল্পনা, আন্দাজ-অনুমানের যাবতীয় কুহেলিকা সরিয়ে আজ প্রকাশ পাবে ২০১৯ লোকসভার চূড়ান্ত চিত্র। দেশজনতা আগামী পাঁচ বছরের জন্য কার হাতে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্র এই ভারতের শাসনভার তুলে দিলেন— জানা যাবে আজ।
বিশদ

23rd  May, 2019
অর্ধেক বুথে ভিভিপ্যাট গণনার দাবি এক মস্ত
চ্যালেঞ্জ, ব্যালটের যুগেই ফেরার তোড়জোড়
বিশ্বনাথ চক্রবর্তী

পৃথিবীর বৃহত্তম গণতন্ত্রের নির্বাচনী রাজসূয় যজ্ঞের চূড়ান্ত পর্বে ভোট গণনা ও ফলাফলের দিকে তাকিয়ে রয়েছে সমগ্র ভারত তো বটেই, সারা পৃথিবী। গত কয়েক মাস ধরে চলা রাজনীতির ঘাত-প্রতিঘাত, চাপান-উতোর, দাবি, পাল্টা দাবির সত্যতা উঠে আসবে গণনার মধ্য দিয়ে।
বিশদ

22nd  May, 2019
পশ্চিমবঙ্গের ভোট বিশ্লেষণ
শুভময় মৈত্র

 এ লেখা যখন আপনারা পড়ছেন, ততক্ষণে বুথফেরত সমীক্ষা আপনাদের হাতে। কিন্তু সমীক্ষা মানেই যে সেটা মিলবে এমনটা নয়। তার কারণ দুটো। এক হল সমস্ত সমীক্ষারই সফল হওয়ার একটা সম্ভাবনা থাকে। ঘুরিয়ে বললে সম্ভাবনা থাকে ব্যর্থ হওয়ারও।
বিশদ

21st  May, 2019
ভোট ও বুথ-ফেরত সমীক্ষার হাল-হকিকত
অতনু বিশ্বাস

ছ’সপ্তাহ-ব্যাপী লোকসভা নির্বাচন। সাত দফায়। তারও প্রায় পাঁচ সপ্তাহ আগে থেকে প্রচার, ইত্যাদি। আর এখন এক ক্লান্তিকর সময়কালের পরিসমাপ্তিতে অপেক্ষ্যমান জনগণ। কলেজ ক্যাম্পাসের মধ্যে ঢুকে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার মত অনভিপ্রেত ঘটনার অভিঘাতে বিমূঢ়, রাজনৈতিক চাপান-উতোর আর হানাহানিতে দীর্ণ, এবং সুদীর্ঘ ভোটপর্বের শেষে গোটা ভারতবর্ষ এখন তাকিয়ে আছে বৃহস্পতিবারের দিকে।
বিশদ

21st  May, 2019
অবশেষে সমাপ্ত, তিক্ততাসহ
পি চিদম্বরম

বিজেপি প্রচারের গোড়ায় ‘গিয়ার’ বদলে নিয়েছিল। ‘আচ্ছে দিন’-এর কথা ভুলক্রমেও উচ্চারিত হয়নি। ২০১৪ সালের প্রতিশ্রুতিগুলি বিজেপির জন্য এক বিড়ম্বনায় পরিণত হয়েছিল। নরেন্দ্র মোদি ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’, পুলওয়ামা-বালাকোট এবং জাতীয়তাবাদের ছত্রছায়ায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। ‘সার্জিকাল স্ট্রাইক’ হল স্রেফ একটা ক্রস-বর্ডার অ্যাকশন বা সীমান্ত টপকে হানা—যা দিয়ে পাকিস্তানকে কোনোরকমে নিরস্ত করা যায়নি।
বিশদ

20th  May, 2019
নতুন বন্ধুর খোঁজে কংগ্রেস ও বিজেপি
শুভা দত্ত

বিজেপি যদি ২২০ থেকে ২৩০-এর বেশি আসন না পায়, তখন কী হবে? এনডিএ-র শরিকরা একবাক্যে বলবে, মোদির ভুলভাল সিদ্ধান্তের জন্যই ভোটার বিমুখ হয়েছে, সুতরাং তাঁকে আর প্রধানমন্ত্রী করার দরকার নেই। আরএসএস অবশ্য তাঁকে সরাতে চাইবে না। এই অবস্থায় অমিত শাহরা ঝাঁপিয়ে পড়বেন যাতে আরও কয়েকটি দলকে তাঁদের সমর্থনে পাওয়া যায়। বিজেপি যদি ১৪০ থেকে ১৬০-এর মধ্যে আসন পায়? তাহলে নিশ্চিতভাবেই মোদির প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সম্ভাবনা জলাঞ্জলি যাবে। যতই নতুন বন্ধু আসুক, দিল্লিতে সরকার গড়া কিছুতেই সম্ভব হবে না। বিজেপিকে বসতে হবে বিরোধী আসনে।
বিশদ

20th  May, 2019
শেষ দফার ভোটে শান্তি বজায় রাখাই
আজ কমিশনের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ

শুভা দত্ত

দেখতে দেখতে সাত দফার লম্বা ভোটযুদ্ধ শেষ হয়ে এল। আজ সপ্তম, তথা শেষ দফা। তারপরই শুরু হয়ে যাবে লোকসভা মহাযুদ্ধের চূড়ান্ত ফলাফলের জন্য কাউন্টডাউন। রাজ্যের ৪২টি লোকসভা আসনের মধ্যে ৩৩টির ভোটগ্রহণ ইতিমধ্যেই সম্পন্ন হয়েছে। কলকাতা উত্তর, কলকাতা দক্ষিণ, যাদবপুর সমেত বাকি ন’টি আসনের ভাগ্য নির্ধারিত হবে আজ। 
বিশদ

19th  May, 2019
ভোট কেন দেশের
নামে হল না?
শান্তনু দত্তগুপ্ত

ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের সামনে একটি প্লাইউডের কাটআউট। মাঝখানটা জানালার মতো কেটে জায়গা করা। সেলফি জোন বা সেলফি পয়েন্ট। অবশ্য সেটা নামেই। নিজে ছবি তুললে ইমপ্যাক্ট পড়বে না। বরং বিষয়টা এমন, ভোট দিয়ে বেরিয়ে ভোটার সেখানে দাঁড়াবেন... উল্টোদিক থেকে কেউ ছবি তুলবে।
বিশদ

18th  May, 2019
একনজরে
 জাকার্তা, ২৫ মে (এপি): ইন্দোনেশিয়ায় মাউন্ট অগুঙ্গ আগ্নেয়গিরিতে অগ্ন্যুত্পাতের জেরে বেশ কয়েক ঘণ্টা বালি বিমানবন্দরে বিমান চলাচল ব্যহত হয়। শুক্রবার রাতে থেকে বেশ কিছু উড়ান বাতিল করে দেয় কর্তৃপক্ষ। তবে শনিবার থেকে ফের তা চালু হয়েছে। ...

অরূপ ভট্টাচার্য, চুঁচুড়া, বিএনএ: সিঙ্গুরের জমি আন্দোলনকে সামনে রেখে বামেদের এ রাজ্য থেকে উৎখাত করেছিল তৃণমূল। তারপরেই সিঙ্গুরের অনিচ্ছুক চাষিদের সরকারি সাহায্য দেওয়ার পাশাপাশি টাকাপয়সা ...

  প্যারিস, ২৫ মে: ফরাসি ওপেনে নোভাক ডকোভিচের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি। বিশ্বের দ্বিতীয় খেলোয়াড় হিসেবে একটানা চারটি গ্র্যান্ডস্ল্যাম জিতবেন এবার ফরাসি ওপেন চ্যাম্পিয়ন হলে। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার। ২০১৬ সালে বছরের চারটি গ্র্যান্ডস্ল্যামই জিতেছিলেন এই সার্বিয়ান তারকা। ...

 জয়ন্ত চৌধুরী, কলকাতা: জোট না হোক অন্তত আসন সমঝোতা করলে তারা দু’ পক্ষই লাভবান হতো। ভোটের ফল প্রকাশের পর এখন এভাবেই হাত কামড়াচ্ছেন বাম ও কংগ্রেস নেতৃত্বের একাংশ। তাঁরা ঐক্যবদ্ধ হলে ভোটের মেরুকরণ এতটা মসৃণ হতো না। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চতর বিদ্যায় সফলতা আসবে, সরকারি ক্ষেত্রে কর্মলাভের সম্ভাবনা। প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য আসবে। প্রেম-প্রণয়ে মানসিক অস্থিরতা ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১২৯৩: জাপানে বিধ্বংসী ভূমিকম্পে মৃত্যু হয় ৩০ হাজার মানুষের
১৮৯৭: ব্রাম স্টোকারের উপন্যাস ড্রাকুলা প্রকাশিত হয়
১৯৪৫: মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিলাসরাও দেশমুখের জন্ম
১৯৪৯: মার্কিন কম্পিউটার প্রোগামিং বিশেষজ্ঞ ওয়ার্ড কানিংহামের জন্ম। তিনিই উইকিপিডিয়ার প্রথম সংস্করণ বের করেছিলেন
১৯৭৭: ইতালির ফুটবলার লুকা তোনির জন্ম

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৮.৬৫ টাকা ৭০.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৬.২৯ টাকা ৮৯.৫১ টাকা
ইউরো ৭৬.০৩ টাকা ৭৮.৯৬ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
25th  May, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩২, ১৭৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩০, ৫২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩০, ৯৮৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৬, ৪০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৬, ৫০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৯/৪০ দিবা ৮/৫০। ধনিষ্ঠা ২০/৪২ দিবা ১/১৪। সূ উ ৪/৫৬/৪৬, অ ৬/১০/৫, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে পুনঃ ১২/০ গতে ২/৩৮ মধ্যে। রাত্রি ৭/৩৬ মধ্যে পুনঃ ১০/২৮ গতে ১২/৩৮ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪ গতে ১/২১ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৪ গতে ২/১৫ মধ্যে।
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৬, ২৬ মে ২০১৯, রবিবার, সপ্তমী ৭/০/৩৮ দিবা ৭/৪৪/৪৪। ধনিষ্ঠানক্ষত্র ১৯/১/৩২ দিবা ১২/৩৩/৬, সূ উ ৪/৫৬/২৯, অ ৬/১২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪২ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১২/৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪৪ মধ্যে ও ১০/৩৪ গতে ১২/৪০ মধ্যে, বারবেলা ৯/৫৪/৫৩ গতে ১১/৩৪/২১ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩৪/২১ মধ্যে ও ১/১৩/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৫৪/৫৩ গতে ২/১৫/২৫ মধ্যে।
২০ রমজান

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
খিদিরপুরের ভুকৈলাস রোডে একটি বহুতলে সিলিন্ডার ফেটে আগুন 

25-05-2019 - 09:28:17 PM

সরকার গঠনের দাবি জানাতে রাষ্ট্রপতি ভবনে নরেন্দ্র মোদি এবং অমিত শাহ 

25-05-2019 - 09:05:17 PM

ব্যাপক ঝড়-বৃষ্টির জেরে শিয়ালদহ, হাওড়া শাখায় ব্যাহত ট্রেন চলাচল 

25-05-2019 - 08:36:42 PM

মালদহে তৃণমূল জেলা সভাপতি মৌসম বেনজির নুর 

25-05-2019 - 05:55:00 PM

ভোটে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচন কমিশন: মমতা 

25-05-2019 - 05:51:40 PM

নিজের নাক কেটে পরের যাত্রা ভঙ্গ করেছে সিপিএম: মমতা 

25-05-2019 - 05:47:13 PM