Bartaman Patrika
বিশেষ নিবন্ধ
 

বাংলার হেঁশেলে ফিরছে দেশি চালের ভাত
রঞ্জন সেন

সবুজ বিপ্লবের ধামাকায় যাদের কথা আমরা ভুলতে বসেছিলাম, এমনকী কৃষকরাও যা চাষের কথা ভাবতেও পারছিলেন না বাংলার সেই বৈচিত্রময় ধানগুলি আবার ফিরে এসেছে। এই ধানগুলির চাষে জল, সার, কীটনাশক, পাম্পের ব্যবহার কম। বীজও কিনতে হয় না। বংশপরম্পরায় তা সঞ্চিত থাকে কৃষকের ভাঁড়ারে। আবার একইসঙ্গে তা রন্ধন উপযোগী, পুষ্টিগুণসম্পন্ন ও পরিবেশবান্ধব। স্বাদেও দারুণ। বাংলার আত্মনির্ভরশীল কৃষক সম্প্রদায় স্থানীয় এই ধান চাষের ওপর একসময় ভরসা করতেন। কারণ এই ধানবীজগুলি একান্তভাবেই স্থানীয় পরিবেশ, জল মাটির সঙ্গে মানানসই। একসময় বাংলার একেকটা গ্রামের খেতেই হ’ত ডজন খানেকেরও বেশি ধরনের ধানের চাষ। বহুদিন পর আবার ফিরে আসছে ধানচাষের সেই বৈচিত্র। বাংলার হেঁশেলে ফিরছে কাটারিভোগ, রাধাতিলক, বহুরূপী, কালোজিরা, কালোনুনিয়া, কবিরাজশাল চালের ভাত। বাংলার খেতে এইসব ধানের চাষ আবার ফিরিয়ে আনার জন্য অবশ্যই রাজ্যের কৃষিদপ্তরকে একটা বড় ধন্যবাদ দিতে হবে। তারও আগে ধন্যবাদ দিতে হবে আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশিষ্ট কৃষিবিজ্ঞানী ফুলব্রাইট স্কলার ডঃ দেবল দেবকে। যিনি স্থানীয় পরিবেশের উপযোগী সুস্বাদু দেশি ধানগুলির চাষ আবার ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে দীর্ঘদিন নীরবে কাজ করে চলেছেন। বস্তুত তিনিই পশ্চিমবঙ্গে, পরবর্তী সময়ে সারা ভারতে দেশি ধানের চাষ ফিরিয়ে আনার কাজে পথিকৃৎ।
২০০১ সালে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের এক একর জমিতে পাঁচরকম ধান জৈব পদ্ধতিতে চাষ শুরু করা হয়। তখন এই প্রচেষ্টাকে কেউ খুব একটা পাত্তা দেয়নি। জৈব পদ্ধতিতে পুরানো ধান চাষকে ফিরিয়ে আনার এই প্রচেষ্টাকে এখন অনেকেই গুরুত্ব দিচ্ছেন। দেবল বিভিন্ন রাজ্য থেকে স্থানীয় চালের নমুনা সংগ্রহ করে গড়ে তোলেন ব্রিহি বীজ কেন্দ্র নামে একটি সিড ব্যাংক। পরবর্তী কালে কেন্দ্রটি ওড়িশায় চলে যায়। সেখানে নিয়মগিরি পাহাড়ের ঢালের ২.৫ একর জমিতে দেবল ৯২০ রকম ধানের চাষ করেছেন। পাঁচরকম স্থানীয় ধান চাষ দিয়ে যে পদ্ধতির সূচনা হয়েছিল সেটাই এখন ফিরিয়ে এনেছে পাহাড় থেকে সমতল অবধি রাজ্যের ১৫টি জেলায় প্রায় ৪০০-র বেশি স্থানীয় ধান চাষ। স্থানীয় ধান চাষ মানেই নানা ধরনের ভাতের স্বাদের বৈচিত্র। কৃত্রিম সার ও কীটনাশকের ওপর একান্তভাবেই নির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের সঙ্গে তার কোনও তুলনাই হয় না। এছাড়াও উচ্চফলনশীল ধানের চাষে জল বেশি খরচ হয়, বিদ্যুৎ বেশি লাগে, অগভীর নলকূপ থেকে বেশি মাত্রায় জল তোলার ফলে ভূ-জলের স্তর নেমে যায় এবং শেষ অবধি জমিতে উৎপাদনশীলতাও কমে আসে। সামগ্রিকভাবে বাড়ে চাষের খরচ। পশ্চিমবঙ্গের মতো ধান চাষে এগিয়ে থাকা রাজ্যে এই ঘটনাই ঘটেছে।
অবস্থা সামাল দিতে চাষবাসের পরিবেশবান্ধব ব্যবস্থার দিকে তাকানো ছাড়া আর কোনও উপায় ছিল না। সাম্প্রতিককালে রাজ্যের কৃষিমন্ত্রকের প্রচেষ্টায় নদীয়ায় রাজ্যের কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে বাংলার পুরানো চালগুলিকে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ এক নতুন গতি পেয়েছে। ১৯১৩ সালে রাজ্যের কৃষিদপ্তর বাংলার বিলুপ্তপ্রায় চালগুলি সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করার উদ্যোগ নেয়। এ কাজে রাজ্যের চাষি, বেসরকারি সংগঠন ছাড়াও অসম, ঝাড়খণ্ড, ওড়িশা, কেরালা, নাগাল্যান্ড প্রভৃতি রাজ্যের ধানের বীজ সংগ্রহ ও তা চাষের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ২০১৬ সালে রাজ্যের ১১টা জেলায় ৪০০ জন কৃষক স্থানীয় ধানগুলির চাষের উদ্যোগ নেন। ১১৮, ১৮৫ হেক্টরের বেশি জমিতে প্রায় ১৫০ রকম স্থানীয় ধান চাষের উদ্যোগ নেন তাঁরা। এখানে একটা কথা বলে রাখা দরকার, এই ধানের বীজগুলি সংগ্রহ করাও ছিল একটা অত্যন্ত পরিশ্রমসাপেক্ষ কাজ। সাধারণত একটা বীজ দু’বছর বপন না করা হলেই তা মরে যায়। নিয়মিত চাষ না করার জন্য বাংলার বহু স্থানীয় ধানবীজ বিলুপ্ত হওয়ার মুখে এসে দাঁড়িয়েছিল। এখন কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের বীজ বিতরণ কেন্দ্রের মাধ্যমে কৃষকদের ২৬ রকম স্থানীয় ধানের বীজ দেওয়া হচ্ছে।
‘রাইস ওয়ারিয়র’ নামে ভূষিত কৃষিবিজ্ঞানী ডঃ দেবল দেব এবং পরবর্তী সময়ে নদীয়ার কৃষি প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের সহকারী কৃষি প্রশিক্ষণ পরিচালক অনুপম পালের নেতৃত্বে বাংলার ধান্য বৈচিত্রের প্রায় ৯০ শতাংশ উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে এখন। এ সত্যিই এক বড় সাফল্য। তবে এই চাষে উৎসাহ দেওয়ার জন্য অবিলম্বে চালগুলি সংগ্রহের জন্য ন্যূনতম সহায়ক মূল্য স্থির করা দরকার। এ ব্যাপারে কেন্দ্রেরও দায়িত্ব আছে। দরকার আছে জিওগ্রাফিক্যাল ইনডেক্স ট্যাগের। তা না হলে এই ধানগুলি যে বাংলারই, এই দাবি আইনি বৈধতা পাবে না। সরকারি কৃষি বিপণন কেন্দ্রগুলিতে এই চালগুলি বিপণনের উদ্যোগ আরও জোরদার করতে হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য সরকার সে কাজ শুরু করেছে।
কোচবিহারে কালোজিরা, দার্জিলিঙের কালতুরা এবং জিরাসারি, উত্তর দিনাজপুরের কাটারিভোগ ও তুলাইপাঞ্জি, জলপাইগুড়ির কালোনুনিয়া, বীরভূমের গোবিন্দভোগ ও রাজভোগ চালগুলির চাষ শুরু হওয়া এই উদ্যোগেরই ফসল। তুলনামূলক অনুর্বর পুরুলিয়ার জমিতেও এখন চাষিরা ফলাচ্ছেন কেরালাসুন্দরী, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ির মতো চাল। বর্ধমানে ফলছে বহুরূপী, রাধাতিলক এবং কালাভাত, বাঁকুড়ায় রাধাতিলক, আসানলিয়া এবং ভূতমুড়ি। কলকাতার লাগোয়া হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগনাতেও বহুরূপী, জামাইনাড়ু, মৌলো, দুধের সর, খেজুরছড়ি, মরিচশাল চাল বাঙালি হেঁশেলের ভাতের পুরানো স্থানীয় স্বাদ ফিরিয়ে এনেছে। সত্যিই এক জেলা থেকে আরেক জেলাতে যেতেই চালের এত বৈচিত্র যেখানে, সেখানে উচ্চফলনশীল বীজের নামে বহুজাতিক কৃষি ব্যবসায়ীদের কাছে আমরা আমাদের স্বাদকে বন্ধক রাখব কেন?
এ কাজে রাজ্য কৃষিদপ্তর আয়োজিত কৃষিমেলাগুলিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। বাংলার পুরানো স্থানীয় ধানকে খুঁজে বার করা এবং তাকে আবার চাষ করার এই উদ্যোগের সূত্রেই এযাবৎকাল নিছকই সরকারি কৃষিদপ্তরের বিজ্ঞাপন হয়ে থাকা বা কোন জেলায় কে কতবড় আলু বা মুলো, ফুলকপি চাষ করল তা জানাতে ব্যস্ত থাকা কৃষিমেলাগুলো একটা নতুন দিশা দিতে শুরু করেছে। কৃষিমেলায় বসছে জৈব চাষের প্রশিক্ষণ শিবির। সেখানে চাষিরা শিখছে, জানছে স্থানীয় জল জমির জন্য উপযুক্ত ধানগুলি আবার চাষ করার পদ্ধতি।
২০০৯-এর আয়লায় সুন্দরবনের জল ও জমিতে নোনাভাব বেড়ে গিয়েছে। এই নোনা জমিতে আধুনিক বীজগুলি বাঁচতে পারে না। সেখানে এখন চাষিরা ফলাচ্ছে কাঁটারাঙ্গি এবং নিকো চাল। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে, জয়নগরের মোয়ায় ব্যবহৃত সুগন্ধি কনকচূড়, গোবিন্দভোগ, কামিনীভোগ, দাদশাল প্রভৃতি চাল নিয়ে। কীটনাশক এবং কৃত্রিম সারের দাপট কমায় জমিতে আবার ফিরে এসেছে কেঁচো এবং শামুক। মাটি ফিরে পাচ্ছে তার স্বাভাবিক উর্বরতা। মনে রাখতে হবে, একই জমিতে বছরের পর বছর শুধুমাত্র সার ও কীটনাশকনির্ভর উচ্চফলনশীল শস্যের চাষে কিন্তু দেশের জীব ও উদ্ভিদ বৈচিত্র আস্তে আস্তে হারিয়ে যায়। এই বৈচিত্রগুলি স্বাভাবিক পরিবেশেই টিকে থাকে।
আমাদের এই ভূখণ্ডে ধান চাষের ইতিহাস ৭৫০০ বছরের পুরানো। বাংলা ছিল ভারতের ধান্য ভাণ্ডার। দেশি ধানের প্রত্যাবর্তনের মধ্যে দিয়ে পশ্চিমবঙ্গ আবার সেই পুরানো অভিধা ফিরে পাবে। শুধু বৈচিত্র নয়, খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যই হারিয়ে যাওয়া ধানগুলির চাষ জরুরি।
29th  August, 2017
বিপদ যখন ওষুধে
শান্তনু দত্তগুপ্ত

 সামান্য জ্বর জ্বর ভাব হলে কি ডাক্তার দেখাবেন? নাকি পাড়ার ওষুধের দোকানে গিয়ে বলবেন, দাদা একটা ক্যালপল দিন তো...! নিশ্চিতভাবে পরেরটা। ক্যালপলের জায়গায় ক্রোসিন, প্যারাসেফ হতেই পারে, কিন্তু ৮০ শতাংশ গ্রাহকই ‘প্যারাসিটামল’ দেওয়ার কথা বলেন না। প্যারাসিটামল অর্থাৎ ওষুধটির জেনেরিক নাম। আর ক্যালপল বা ক্রোসিন হল প্যারাসিটামলেরই ব্র্যান্ড নেম। আর এই দুই নামের সঙ্গেই জড়িয়ে ওষুধের নানা গোপন কাহিনী। কেন? বিশদ

স্বঘোষিত ‘ধর্মগুরু’ জিম জোন্সের নাম আজ ক্যালিফোর্নিয়ায় মুখে আনাও পাপ!
মৃণালকান্তি দাস

জিম জোন্সের নাম শুনেছেন? এ এক স্বঘোষিত ধর্মগুরুর গল্প। যাঁর বিশ্বাসের উপর ভর করে আত্মহত্যার আড়ালে এক নিদারুণ গণহত্যার সাক্ষী হয়েছিল আমেরিকা। ইন্ডিয়ানা অঙ্গরাজ্যের একটি দরিদ্র পরিবারে জিমের জন্ম। ছোটবেলা থেকেই ছিলেন বেশ বুদ্ধিমান এবং কিছুটা অদ্ভুত স্বভাবের। কিশোর বয়স থেকেই ধর্মের প্রতি তাঁর টান ছিল প্রবল।
বিশদ

23rd  September, 2019
অসহিষ্ণুতা
জিষ্ণু বসু

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৭০ সাল। অতি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন পরীক্ষা বয়কটের ডাক দিয়েছে। কেন? কী কারণ? কারণটা অদ্ভুত। কাউকে পরীক্ষা দিতে দেওয়া হবে না। রুখে দাঁড়িয়েছিলেন এক সিংহহৃদয় মানুষ। অধ্যাপক গোপালচন্দ্র সেন। মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার বিভাগের প্রবাদপ্রতিম অধ্যাপক এই ছাত্রদরদি মানুষটি অস্থায়ীভাবে উপাচার্যের দায়িত্ব পেয়েছিলেন। 
বিশদ

23rd  September, 2019
পুজোর মুখে
শুভা দত্ত

পুজো আসছে। মাঝে আর মাত্র ক’টা দিন—তারপরই শুরু হয়ে যাবে দেবী দুর্গার আরাধনায় মত্ত বাঙালির উৎসব যাপন। আমাদের বিশ্বাস, সেই উৎসবের আনন্দ কোলাহলে আলোর বন্যায় জনস্রোতে ক’দিনের জন্য হলেও এনআরসি হোক কি যাদবপুর, কি সারদা নারদা রাজীব কুমার—সব তলিয়ে যাবে। চিহ্নমাত্র থাকবে না। এতদিন তাই হয়েছে—এবারও তার ব্যতিক্রম হবে না।
বিশদ

22nd  September, 2019
এনআরসি, সংখ্যালঘু ভোট ও বিজেপি
তন্ময় মল্লিক

‘এবার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষদের আরও বেশি করে বিজেপির ছাতার তলায় নিয়ে আসতে হবে। সেই মতো গ্রহণ করতে হবে যাবতীয় কর্মসূচি।’ দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্ব নিয়েই বিজেপির বঙ্গ নেতৃত্বকে এই কথাগুলি যিনি বলেছিলেন তিনি আর কেউ নন, ‘গেরুয়া শিবিরের চাণক্য’ অমিত শাহ।
বিশদ

21st  September, 2019
সরকারি চাকরির মোহে আবিষ্ট সমাজ
অতনু বিশ্বাস

সমাজ বদলাবে আরও। আমি বা আপনি চাইলেও, কিংবা গভীরভাবে বিরোধিতা করলেও। সরকারি বা আধা-সরকারি চাকরির নিরাপত্তার চক্রব্যূহ ক্রমশ ভঙ্গুর হয়ে পড়বে আরও অনেকটা। এবং দ্রুতগতিতে। গোটা পৃথিবীর সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ এক প্রকারের ভবিতব্যই। একসময় আমরা দেখব, চাকরি বাঁচাতে গড়পড়তা সরকারি চাকুরেদেরও খাটতে হচ্ছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকুরেদের মতো। সরকারি চাকরির নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের নিরাপত্তার ‘মিথ’ ভেঙে চুরচুর হয়ে পড়বে। এবং সে-পথ ধরেই ক্রমে বিদায় নেবে পাত্রপাত্রী চাই-য়ের বিজ্ঞাপন থেকে ‘সঃ চাঃ’ নামক অ্যাক্রোনিম।
বিশদ

21st  September, 2019
আলোচনার অভিমুখ
সমৃদ্ধ দত্ত

 প্রাচীন বিশ্বের বিভিন্ন সভ্যতায় দেখা যায় সম্রাটরা অসীম ক্ষমতার অধিকারী প্রমাণ করার জন্য অতি প্রাকৃতিক শক্তি সম্পন্ন হিসেবে নিজেদের প্রতিভাত করতেন। এর ফলে প্রজা শুধু সম্রাটকে যে মান্য করত তাই নয়, ভয়ও পেত, সমীহ করত। প্রাচীন মিশরে শতাব্দীর পর শতাব্দীর ধরে ফারাওরা নিজেদেরই ঈশ্বর হিসেবে ঘোষণা করতেন।
বিশদ

20th  September, 2019
হিন্দু বাঙালির বাড়ি ভাঙছে, হারাচ্ছে দেশ 
শুভময় মৈত্র

জয় গৃহশিক্ষকতা করেন, বাড়ি সিঁথি মোড়ের কাছে, বরানগরে। নিজেদের তিরিশ বছরের পুরনো বাড়ি, সারানোর প্রয়োজন। একান্নবর্তী পরিবার, দাদা বড় ইঞ্জিনিয়ার। তিনি আর একটি ফ্ল্যাট কিনেছেন কাছেই। 
বিশদ

20th  September, 2019
বাংলায় এনআরসি বিজেপির স্বপ্নের পথে কাঁটা হয়ে দাঁড়াবে না তো 
মেরুনীল দাশগুপ্ত

লোকসভা ভোটে অপ্রত্যাশিত ফলের পর বাংলার বিজেপি রাজনীতিতে যে জমকালো ভাবটা জেগেছিল সেটা কি খানিকটা ফিকে হয়ে পড়েছে? পুজোর মুখে এমন একটা প্রশ্ন কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের আমজনতার মধ্যে ঘুরপাক খেতে শুরু করেছে। 
বিশদ

19th  September, 2019
জন্মদিনে এক অসাধারণ নেতাকে কুর্নিশ
অমিত শাহ

 আজ, মঙ্গলবার আমাদের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ৬৯তম জন্মদিন। অল্প বয়স থেকেই মোদিজি নিজেকে দেশের সেবায় উৎসর্গ করেছেন। যৌবন থেকেই তাঁর মধ্যে পিছিয়ে পড়া শ্রেণীর উন্নয়নে কাজের একটি প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দরিদ্র পরিবারে জন্মগ্রহণের কারণে মোদিজির শৈশবটা খুব সুখের ছিল না। বিশদ

17th  September, 2019
ব্যাঙ্ক-সংযুক্তিকরণ কতটা সাধারণ মানুষ এবং সামগ্রিক ব্যাঙ্কব্যবস্থার উন্নতির স্বার্থে?
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়

অনেকগুলি ব্যাঙ্ক সংযুক্ত করে দেশে সরকারি ব্যাঙ্কের সংখ্যা কমিয়ে আনা হল আর সংযুক্তির পর চারটি এমন বেশ বড় ব্যাঙ্ক তৈরি হল, আকার আয়তনে সেগুলিকে খুব বড় মাপের ব্যাঙ্কের তকমা দেওয়া যাবে। এসব ঘোষণার পর অর্থমন্ত্রীর বক্তব্য, এতে দেশের অর্থনীতির খুব উপকার হবে।  
বিশদ

16th  September, 2019
রাজনীতির উত্তাপ কি পুজোর আমেজ
জমে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে?
শুভা দত্ত

 পরিস্থিতি যা তাতে এমন কথা উঠলে আশ্চর্যের কিছু নেই। উঠতেই পারে, উঠছেও। বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসবের মুখে প্রায় প্রতিদিনই যদি কিছু না কিছু নিয়ে নগরী মহানগরীর রাজপথে ধুন্ধুমার কাণ্ড ঘটে, পুলিস জলকামান, লাঠিসোঁটা, কাঁদানে গ্যাস, ইটবৃষ্টি, মারদাঙ্গা, রক্তারক্তিতে যদি প্রায় যুদ্ধ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয় এবং তাতে সংশ্লিষ্ট এলাকার জনজীবন ব্যবসাপত্তর উৎসবের মরশুমি বাজার কিছু সময়ের জন্য বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তবে এমন কথা এমন প্রশ্ন ওঠাই তো স্বাভাবিক।
বিশদ

15th  September, 2019
একনজরে
 নিউ ইয়র্ক, ২৩ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিতে নিউ ইয়র্ক পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আগামী কয়েকদিন এখানে তাঁর ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। ডোনাল্ড ট্রাম্প সহ একঝাঁক রাষ্ট্রনেতার সঙ্গে বৈঠক হবে প্রধানমন্ত্রীর। ...

সংবাদদাতা, কাঁথি: কোথাও থিম আলো, আবার কোথাও দুই সম্প্রদায়ের মানুষের মিলনমেলা। কোথাও সবুজ বাঁচানো ও জল সংরক্ষণের বার্তা, আবার কোথাও প্রতিমা নয়, নিজের মায়ের মধ্যেই দুর্গাকে দেখার আহ্বান। এগরা শহরের পুজোয় এবারও বিভিন্ন ক্লাব নানা থিমের ডালি নিয়ে হাজির। শহরে ...

সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: নবদ্বীপ স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশন পরিচালিত দ্বিতীয় ডিভিশন ফুটবল লিগ বন্ধ হয়ে গেল। স্পোর্টস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা বলেন, ক্রীড়াসূচি তৈরি হওয়ার পর তিনটি ক্লাব নাম প্রত্যাহার করে নেওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে দ্বিতীয় ডিভিশন লিগ। তিনটি ক্লাবকে তারজন্য শোকজও করা হয়েছে।  ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: খড়্গপুরে কারখানার সম্প্রসারণ করতে চায় টাটা মেটালিক্স। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যেই তার জন্য প্রয়োজনীয় ছাড়পত্র দিয়েছে। সোমবার বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্সের বার্ষিক সাধারণ সভায় এসে এ কথা জানালেন রাজ্যের অর্থ ও শিল্পমন্ত্রী অমিত মিত্র। এর ফলে আরও ৬০০ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

শরীর-স্বাস্থ্যের প্রতি নজর দেওয়া প্রয়োজন। কর্মক্ষেত্রে উন্নতির সম্ভাবনা। গুপ্তশত্রুতার মোকাবিলায় সতর্কতা প্রয়োজন। উচ্চশিক্ষায় বিলম্বিত সাফল্য।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৪৭: বাংলার প্রথম র‌্যাংলার ও সমাজ সংস্কারক আনন্দমোহন বসুর জন্ম
১৯৩২: চট্টগ্রাম আন্দোলনের নেত্রী প্রীতিলতা ওয়াদ্দেদারের মৃত্যু
১৯৩৫: অভিনেতা প্রেম চোপড়ার জন্ম
১৯৪৩: অভিনেত্রী তনুজার জন্ম
১৯৫৭: গায়ক কুমার শানুর জন্ম 

23rd  September, 2019
ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.১৪ টাকা ৭১.৮৪ টাকা
পাউন্ড ৮৭.০৪ টাকা ৯০.২৩ টাকা
ইউরো ৭৬.৭৭ টাকা ৭৯.৭৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৩২৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৯০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৯৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৭,০৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৭ আশ্বিন ১৪২৬, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, দশমী ২৮/৩ অপঃ ৪/৪২। পুনর্বসু ১২/৩৪ দিবা ১০/৩১। সূ উ ৫/২৯/১৭, অ ৫/২৮/৩৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ মধ্যে পুনঃ ৭/৪ গতে ১১/৫ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫২ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ৯/২৯ গতে ১১/৫৩ মধ্যে পুনঃ ১/২৯ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৪/৪০ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৬/৫৯ গতে ৮/২৯ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৮ গতে ২/২৮ মধ্যে, কালরাত্রি ৬/৫৯ গতে ৮/২৮ মধ্যে।
 ৬ আশ্বিন ১৪২৬, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার, দশমী ১৫/৩৮/২২ দিবা ১১/৪৪/৩১। পুনর্বসু ৩/২৭/১৪ দিবা ৬/৫২/৪, সূ উ ৫/২৯/১০, অ ৫/৩০/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/২১ মধ্যে ও ৭/৮ গতে ১১/০ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪১ গতে ৮/৩০ মধ্যে ও ৯/২০ গতে ১১/৪৮ মধ্যে ও ১/২৭ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৪/৪৫ গতে ৫/২৯ মধ্যে, বারবেলা ৬/৫৯/২০ গতে ৮/২৯/৩০ মধ্যে, কালবেলা ১/০/০ গতে ২/৩০/১০ মধ্যে, কালরাত্রি ৭/০/২০ গতে ৮/৩০/১০ মধ্যে।
২৪ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
মুম্বইয়ের খার এলাকায় ভেঙে পড়ল বাড়ির একাংশ 

02:20:00 PM

অসমের পানবাড়ি রিজার্ভ ফরেস্ট থেকে প্রচুর আগ্নেয়াস্ত্র, কার্তুজ উদ্ধার করল জওয়ানরা 

02:18:00 PM

ছত্তিশগড়ের কঙ্করে আইইডি বিস্ফোরণ, জখম ৩ 

02:16:00 PM

দিল্লিতে গ্রেপ্তার বেআইনি অস্ত্র ব্যবসায়ী, উদ্ধার ২০টি পিস্তল ও ম্যাগাজিন 

02:15:00 PM

পদত্যাগ করলেন ত্রিপুরার কংগ্রেস রাজ্য সভাপতি কিরিট প্রদ্যোত দেব বর্মন 

02:13:00 PM

উত্তরপ্রদেশের আজমগড়ে নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ২ 

02:09:00 PM