রঙ্গভূমি
 

সময়ের সঙ্গে চলতে পারাটাই থিয়েটারের সাফল্য‌

বুদ্ধিজীবী মহলে নাট্যব্যক্তিত্ব কৌশিক সেন প্রতিবাদী হিসেবেই পরিচিত। নাটক এবং সমাজ নিয়ে তাঁর চিন্তাভাবনা শুনলেন স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী। স্বপ্নসন্ধানী ২৫ বছর পূর্ণ করল। ২৫ বছরে প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি কী?
 স্বপ্নসন্ধানী ২৫ বছর পূর্ণ করল। ২৫ বছরে প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি কী?
 প্রাপ্তি ও অপ্রাপ্তি অর্থাৎ সাফল্য ও অসাফল্যের হিসেবটা দু’ভাবে করা যায়। প্রথমত, আমার দল কতগুলো নাটক করেছে, কতগুলো হাউজফুল শো করেছে, কত টাকার টিকিট বিক্রি হয়েছে তার ওপর ভিত্তি করে সাফল্য-অসাফল্য বিচার করা যায়। সেরকম একটা হিসেব আমাদের এবারের পত্রিকায় দেওয়াও হয়েছে। কিন্তু আমার মনে হয়, একটা নাটকের দলের সাফল্য হল সে সময়ের সঙ্গে চলতে পেরেছে কি পারেনি সেটাই। কারণ, থিয়েটার কিন্তু থাকে না। সিনেমা থেকে যায়, গান থেকে যায়, থিয়েটার থাকে না। তাকে ভিডিও করে রাখলেও থাকে না। কারণ মঞ্চে থিয়েটার দেখে যে অভিঘাত দর্শকের ওপর পড়ে, যে মজা দর্শক পায় তা কখনই পরদায় দেখে পাওয়া যায় না। এই কারণেই সম্প্রতি একটি চ্যানেলে থিয়েটার দেখানোর যে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল তা মুখ থুবড়ে পড়ল। ড্রইয়ংরুমে বসে মানুষ সিরিয়াল দেখতে পারে, থিয়েটার নয়। এভাবে থিয়েটারকে জনপ্রিয় করা যায় না।
থিয়েটার কতটা সময়োপযোগী হল তার ওপরেই নির্ভর করে তার সাফল্য। আমাদের দলের প্রথমদিকের কিছু নাটক একেবারেই ভাবনাচিন্তাহীনভাবে সিলেকশন করা হয়েছিল।
 ‘টিকটিকি’ ধরে বলছেন?
 হ্যাঁ, টিকটিকি ধরেই বলছি। ৯৭ সালে ‘প্রথম পার্থ’ থেকে আমরা চেষ্টা করেছি সময়ের সঙ্গে চলার। তাতে কেউ বলতে পারেন যে আমাদের ওমুক নাটকটা খারাপ হয়েছিল, ভালো লাগেনি, অভিনয় ভালো হয়নি। কিন্তু তবু নাটকটা সময়োপযোগী ছিল। সেটাই সাফল্য।
আর অসাফল্য হল এখনও আমরা থিয়েটার করে পেটের ভাত জোগাড় করতে পারি না। কাউকে ব্যাংকে চাকরি করতে হয়, কাউকে অন্য কোথাও, কাউকে সিরিয়াল কিংবা সিনেমা করতে হয়।
 আপনাদের দলের সবেথেকে সফল নাটক বোধহয় ‘টিকটিকি’। আপনি যেটাকে ভাবনাচিন্তাহীনভাবে বাছা হয়েছিল বলে বললেন।
 অবশ্যই। কিন্তু শুধুই ‘টিকটিকি’ নয়। ‘ম্যাকবেথ’-ও দারুণ জনপ্রিয় হয়েছিল। ম্যাকবেথের সর্বোচ্চ টিকিট করেছিলাম ৩০০ টাকা। প্রতিটা শোয়ে উপচে পড়ত মানুষ। কিন্তু বিশ্বাস করুন, তা সত্ত্বেও প্রোডাকশন কস্ট সামলে দলের সদস্যদের হাতে আমরা কিছু তুলে দিতে পারিনি। পরে যখন কল শো পেতে শুরু করলাম তখন সামান্য কিছু টাকা সদস্যদের দিতে পেরেছিলাম—যৎ সামান্য।
 তাহলে কি ‘কোম্পানি থিয়েটার’ নাম দিয়ে যে প্রফেশনাল থিয়েটারের কথা বলা হচ্ছে সেটাই সঠিক?
 না, একেবারেই তা নয়। কোম্পানি থিয়েটার করতে গেলে প্রথমে থিয়েটারকে একটা এসেনশিয়াল কমোডিটি করে তুলতে হবে। অর্থাৎ যে জিনিসটা ছাড়া মানুষ চলতে পারবে না। আমাদের দেশে থিয়েটার এখনও সেই স্থান নিতে পারেনি। বিদেশ কোথাও কোথাও হয়তো তা হয়েছে। তাছাড়া আরও একটা জিনিস সত্যি যে, সেই প্রাচীনকাল থেকেই থিয়েটার স্টেট স্পনসরড। প্রথমে রাজা-রাজড়াদের আনুকূল্যে চলত। তারপর জমিদাররা সেই জায়গা নিলেন। এখন চলে রাষ্ট্রের আনুকূল্যে। কিন্তু সমস্যা হল আমাদের দেশের নীতি নির্ধারকরা থিয়েটারকে কখনই সিরিয়াসলি নিলেন না। ইচ্ছে করেই এটা করা হল বা এখনও করা হচ্ছে। কারণ, থিয়েটারকে কখনও কন্ট্রোল করা যায় না। তাই সেনসরশিপের খাঁড়াটা সর্বপ্রথম নেমে আসে থিয়েটারের ওপরই। যুব সমাজকে থিয়েটার থেকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা চলছে নানা ভাবে, নানা অছিলায়। কারণ থিয়েটারটা মানুষকে ভাবায়। আর ওরা ভাবতে দিতে চায় না। আমাদের রাজ্যেও তাই হয়েছে বারবার। কংগ্রেসি আমলে, বাম আমলে এবং এখন তৃণমূলের আমলেও তাই হচ্ছে। কেন্দ্রে মোদি সরকার আসার পর থেকে থিয়েটারের গ্রান্ট নিয়ে এত টালবাহনা শুরু হয়েছে যে আমার মনে হচ্ছে ২০১৯ সালে যদি মোদি ফের ক্ষমতায় আসেন তবে সমস্ত সিরিয়াস শিল্প চর্চাকেই বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা হবে। একমাত্র যারা ওদের হয়ে কথা বলবে তাদেরকেই ওরা টিঁকিয়ে রাখবে।
 তুলনামূলকভাবে আমাদের রাজ্যে নাটক নিয়ে সরকার বেশ দরাজ অবস্থান নিয়েছে। প্রয় ৩০০টার মতো দলকে বছরে ৫০ হাজার টাকা গ্রান্ট দেওয়া হচ্ছে...
 দাঁড়ান দাঁড়ান, এই প্রসঙ্গে একটু বলি। এই ৫০ হাজার টাকা গ্রান্ট দেওয়ার ব্যাপারটা কখন চালু হল মনে আছে আপনার? আকাদেমির সামনে বিমল বন্দ্যোপাধ্যায়কে মারা হল। যখন দলমত নির্বিশেষে ঘটনাটার নিন্দা করা উচিত ছিল। তা না করে তৈরি করা হল নাট্যস্বজন। এই নাট্যস্বজন ঠিক করতে শুরু করল কোন দল কোন ফেস্টিভ্যালে ডাক পাবে, কোন ফেস্টিভ্যালে ডাক পাবে না। সব বিষয়ে ডিকটেট করতে শুরু করল। সেই সময়ে এই ৫০ হাজার টাকার অনুদান ব্যাপারটা চালু করা হল এবং নাট্যস্বজনের অর্ন্তভুক্ত দলগুলিই তাতে অগ্রাধিকার পেল। ২০১২ সাল থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত এই অসহনীয় দমবন্ধ করা পরিস্থিতিটা চলেছিল। তারপর তো নিজেদের মধ্যেই ভাঙন ধরল। এখন বরং একটা নিশ্বাস ফেলার মতো পরিস্থিতি তাও হয়েছে। হ্যাঁ, যা বলছিলাম। প্রত্যেক সরকারই চায় একটা ঘেটো তৈরি করতে। নিজের অনুগতদের নিয়ে একটা বাহিনী। এটা বাম আমলেও ছিল। বুদ্ধদেববাবু যাঁদের শিল্পী বলে মনে কবতেন তাঁরাই সব ছিলেন। এই জমানাতেও তাই আছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষমতায় এসেই সমাজের প্রভাবশালী অংশকে কাছে টানার চেষ্টা করলেন এবং সফলও হলেন। শিল্পী, বুদ্ধিজীবী, সিনেমার স্টার, খেলোয়াড়—এঁদের। এঁদের দলে নেওয়ার সুবিধে হল, এঁরা সমাজকে প্রভাবিত করতে পারেন। এই প্রচেষ্টার অঙ্গ হল নাটকের দলগুলিকে গ্রান্ট দেওয়া। মনে করে দেখুন তখন কিন্তু পাড়ার ক্লাবগুলোকেও ২ লক্ষ টাকা করে দেওয়া হচ্ছিল। একটা ছোট দল যদি বছরে ৫০ হাজার টাকা পায় তবে সে সরকার বিরোধী কোনও নাটক করবে? করতে সাহস পাবে? মুখ বন্ধ রাখবে। আমাদের রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আমি বাউল উৎসব, শিল্পমেলা, চলচ্চিত্র উৎসব এরকম নানা উৎসবে দেখতে পাই। কিন্তু ওঁকে কখনও নাট্যোৎসবে কিংবা নাট্য আকাদেমির পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে থাকতে দেখিনি। কারণ উনি নাটকের লোকদের বিশ্বাস করেন না। শুধু ওঁর ২১ জুলাইয়ের মঞ্চে ওঠেন যেমন দেবেশ-টেবেশ এমন দু-একজনকে ছাড়া।
 এই প্রসঙ্গে একটা কথা মনে পড়ে গেল। আপনি, দেবেশ, মনীশ, ব্রাত্য, সুমন, অর্পিতা এঁরা কিন্তু একসময়ে পরস্পরের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন। সেই ঘনিষ্ঠতাটা কিন্তু আর নেই। কেন?
 রাজনৈতিক কারণে। দেখুন স্বপ্নসন্ধানীর উৎসবে আমরা কয়েকটা ছবির প্যানেল করেছিলাম। একটা প্যানেলে ছিল ‘যাঁরা আমাদের ঋদ্ধ করেছেন’ এই শিরোনামে শঙ্খ ঘোষ, সৌমিত্রদা, রুদ্রদা, বিভাসদাদের ছবি। আর একটা প্যানেলে ‘যাঁরা আমাদের উৎসাহিত করেছেন’ এই শিরোনামে দেবেশ, মনীশ, ব্রাত্য, সুমন, অর্পিতা, গৌতম এঁদের ছবি। এবং আমার স্বীকার করতে এতটুকুও দ্বিধা নেই যে যে যদি ব্রাত্যর অশালীন কিংবা গৌতম হালদারের মেঘনাদ বধ কাব্য না দেখতাম তবে নাটকের টেক্সট যে এমন হতে পারে তার কোনও ধারণাই হত না আমার। সেক্ষেত্রে প্রথম পার্থ নাটকটাই তৈরি হত না। এছাড়া বারেবারে উইংকল টুইংকল, শেষ রূপকথা, পশু খামারের মতো নাটকগুলো আমাকে অনুপ্রাণীত করেছে নতুন করে ভাবতে। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় হল, একটা সময়ে এমনও হয়েছে যে একটি খবরের কাগজে শেখর সমাদ্দার, দেবেশ, মনীশ এঁরা লাগাতার কখনও শঙ্খ ঘোষ, কখনও সৌমিত্রদা, কখনও আমার আবার কখনও সুমনের বিরুদ্ধে লিখে গিয়েছেন। লিখতেই পারেন আমার বিরুদ্ধে। কিন্তু তাই বলে ওই ভাষায়! সেই কাগজগুলো আমার কাছে রয়েছে। আমার ধারণা এর পিছনে তৃণমূলের কোনও নেতার, যিনি নাটকের সঙ্গে যুক্ত—তাঁর ইন্ধন ছিল।
 এখন আপনার সঙ্গে এঁদের সম্পর্ক কেমন?
 আমি তো ব্রাত্যর ‘মুম্বই নাইটস’ দেখতে গিয়েছিলাম, ব্রাত্যও এসেছিল আমার ‘অ্যান্টিগোনি’ দেখতে। অর্পিতার ‘মাছি’ দেখতে গিয়েওে দেরি হওয়ায় ফিরে এসেছি। আমার নতুন নাটক অশ্বথামা আর নির্ভয়া দেখতে নিমন্ত্রণ জানিয়েছি ওঁদের। আর তাছাড়া থিয়েটারের কথা কী বলব। আমাদের দেশে এখন বাক-স্বাধীনতাটাই নেই। একজন মেয়ের ‘না’ বলার অধিকার এখনও আমাদের সমাজে স্বীকৃত নয়—তার বিয়ে, পড়াশুনো, প্রেম কোনওটাই ‘অভিভাবক’-এর সম্মতি ছাড়া হবে না। সমাজকে আমরা সেভাবে গড়ে তুলতেই পারিনি। থিয়েটার তো দূরস্থান।
13th  August, 2017
 সমকালকে ছুঁয়ে যায় আড়িয়াদহ নাট্যপীঠের ‘তদন্ত কমিশন’

ইতিহাস বলে, যখনই যুদ্ধ হয়েছে এবং আক্রান্ত হয়েছে কোনও দেশ, দেখা গেছে সেই দেশের সাধারণ মানুষ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যা আজও ঘটে। এই ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের অর্ধেকের বেশি নারী। জাতি-ধর্ম-বয়েস নির্বিশেষে অত্যাচারিত, ধর্ষিত হয়েছে মহিলারা, গোটা পৃথিবী জুড়ে। যুদ্ধ থেমে যায়। কিন্তু এই অসংখ্য গণহত্যা আর ধর্ষণের কি সুবিচার হয়? একটা সময় আসে, যখন সামরিক অভিযানের আড়ালে এই নৃশংসতাকে আর আড়াল করা যায় না। ফলে প্রশাসনের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলতে থাকে সাধারণ মানুষ।
বিশদ

15th  October, 2017
আঁধার থেকে আলোয় ফেরার পথ দেখালো আলিপুর অহনা

 সম্প্রতি তিন দিন ব্যাপী নাট্যোৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে গেলো শিশির মঞ্চে। এই নাট্যোৎসবের আয়োজন করেছিল আলিপুর ‘অহনা’ নাট্যদল। পঞ্চম বর্ষের এই নাট্যোৎসবে মোট ৮টি নাটকের অভিনয় মঞ্চস্থ হয়েছে। যেমন— বুদ্ধ, মূল্যায়ণ, বাস্তব নয়, মৌলবাদের নাটক, আত্মজন, সাদা গুঁড়ো লাল রং, ঈশ্বর কাহিনি এবং সত্যি সত্যবাবু।
বিশদ

15th  October, 2017
অজিতেশ মঞ্চে নিয়মিত মঞ্চায়ন

  বিখ্যাত নট, নাট্যকার ও পরিচালক অজিতেশ বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামাঙ্কিত নবরূপে উদ্ঘাটিত হওয়া দমদমের অজিতেশ মঞ্চে এবার নিয়মিত নাটকের মঞ্চায়ন শুরু হল। রবীন্দ্রনগর নাট্যায়ুধ দলের উদ্যোগে এবার থেকে প্রতিমাসের দ্বিতীয় শনিবার এই সংস্থার প্রযোজনা ব্রাত্য বসু রচিত নাটক ‘জীবজন্তু’-র নিয়মিত অভিনয় হবে।
বিশদ

15th  October, 2017
নবরূপে নটি বিনোদিনী

 নবরূপে কথাটি বললাম কারণ গিরিশ মঞ্চে বিনোদিনীকে বীণা দাশগুপ্তের ছায়ায় দেখা গেল। বীণা দাশগুপ্তর ‘নটি বিনোদিনী’ আপামর দর্শকের কাছে নষ্টালজিক। সেইক্ষেত্রে মিঠু বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনীত বিনোদিনী রীতিমতন চ্যালেঞ্জিং ছিল।
বিশদ

15th  October, 2017
15th  October, 2017
সমাজের অন্ধকার একটি দিক

কিছুদিন আগে সংবাদপত্রে প্রকাশিত একটা খবর আমাদের সমাজকে শিহরিত করেছিল, অনেকেই আমরা ভিতরে ভিতরে আতঙ্কিত হয়ে নিজেদের প্রশ্ন করেছিলাম, সত্যিই কি আমরা এতটা নীচে নেমে গিয়েছি? আধুনিক সমাজে ‘মানবতার’ আজ যে সংকটময় অবস্থা, সেদিনের ঘটনা তা চেখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল। এটা কোনও রাজনৈতিক বিষয় নয়, তাই হয়তো কেউ রাস্তায় নামেনি। কিন্তু সাংস্কৃতিক সমাজের তো একটা দায়বদ্ধতা থেকেই যায়। হয়তো সেখান থেকেই ‘ইছাপুর আলেয়া’ নাট্যদলটি তৈরি করেছেন তাদের নাটক ‘তমসা সহসা।’
বিশদ

15th  October, 2017
ঝোড়ো হাওয়ার মতোই চঞ্চলতা সৃষ্টি করতে সক্ষম ঐহিকের নাট্যপ্রযোজনা

 ‘ঐহিক’ প্রযোজিত নতুন নাটকের নাম ‘লাইক কমেন্ট শেয়ার’। এই নামকরণের মাধ্যমেই বোঝা যায় ‘ঐহিক’-এর কুশীলবরা অত্যাধুনিক তথ্যপ্রযুক্তি বা সাইবার দুনিয়ার কুপ্রভাব নিয়ে শুধু চিন্তিতই নন, মঞ্চাভিনয়ের মাধ্যমেই এর প্রতিকার চেয়ে কণ্ঠস্বরকে শানিত করতেও বদ্ধপরিকর।
বিশদ

15th  October, 2017
‘কমিটমেন্ট’ই ছিল দ্বিজেনের জীবনের মূল মন্ত্র

 বড় তাড়াতাড়ি চলে গেলেন অভিনেতা ও পরিচালক দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায়। শেষ দিকে তাঁর বাড়িতে বেশ কয়েকবার গিয়েছিলেন সঞ্জীব বসু। তারই ভিত্তিতে করলেন স্মৃতিচারণ। বিশদ

08th  October, 2017
অস্তিত্বের লড়াই

 অত্যন্ত জটিল এক সামাজিক সমস্যা । দিনে দিনে নিজেদের মেরুদণ্ডের উপর ভরসা হারিয়ে ফেলে মানুষ হয়ে উঠছে সরীসৃপ। কিন্তু এই প্রাণীটির লেজে যদি কেউ কখনও পা দিয়ে ফেলে? সে কি তখন ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে না? তারও তো মনে পড়বে যে সেও একসময় পৃথিবীর সবথেকে বুদ্ধিমান জীব ছিল, এবং হিংস্রও। তারাই একসময় প্রমাণ করেছিল বেঁচে থাকার জন্য লড়াইয়ের প্রয়োজন। আর এই অস্তিত্বের লড়াইয়ের গল্পই হল ‘থাপ্পড়’। নৈহাটি সময় ১৪০০ নাট্যসংস্থা সম্প্রতি মধুসূদন মঞ্চে মঞ্চস্থ করল তাদের এই নাটক।
বিশদ

08th  October, 2017
 বিদুর—ধর্মযাত্রা

ব্যসদেব এক অদ্ভুত চরিত্রের সৃষ্টি করেছিলেন তাঁর লেখা মহাভারতে। সেই চরিত্রটির নাম বিদুর। রাজ ঔরসে জন্ম হওয়া সত্তেও যিনি কখনওই সিংহাসনে বসতে পারেননি কিংবা চাননি। সে অর্থে ধরলে মহাভারতের গোটা কাহিনিতে বিদুরের অবস্থান নিতান্তই সাদামাটা, অনুচ্চকিত। বিশদ

08th  October, 2017
মনুষ্যত্বের মন্ত্রে ছকবাজি

  সোজা আঙুলে ঘি না উঠলে আঙুলটাকে কী করতে হয় সেটা তো সকলেরই জানা। কিন্তু একজন হিন্দু কন্যার সঙ্গে মুসলিম ছেলেব বিয়ে সম্পন্ন করতে হলে কী মন্ত্র উচ্চারণ করতে হয়, সেটা জানেন কি? না জানা থাকলে উত্তরটা জেনে নিতে পারেন ‘ছকবাজি’ নাটকের একটি সংলাপ শুনে— ‘মনুষ্যত্বের মন্ত্রে বিবাহ সম্পন্ন হবে হিন্দু কন্যা ও মুসলিম পুত্রের’। অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ এই সংলাপটি আলাপ সংলাপ প্রযোজিত ‘ছকবাজি’ নাটকের।
বিশদ

08th  October, 2017
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: রাত বাড়তেই বেড়েছিল শব্দবাজির দৌরাত্ম্য। সেই দাপটকে নিয়ন্ত্রণে এনে কলকাতা পুলিশ কালীপুজোর দিনেই গ্রেপ্তার করল ৩৬৯ জনকে। আটক করা হয়েছে ৭৬৩ কেজি ...

সমৃদ্ধ দত্ত,নয়াদিল্লি, ২০ অক্টোবর: নোট বাতিল ও জিএসটি। এই দুটি ইস্যুই আগামী নির্বাচনে বিরূপ প্রভাব ফেলতে পারে বলে আশঙ্কা করছে বিজেপি ও সরকার। গুজরাত থেকে ...

সঞ্জয় গঙ্গোপাধ্যায়, কলকাতা: পাহাড়ে যে কোনও উন্নয়নমূলক কাজের শেষে ইউটিলাইজেশন সার্টিফিকেট (ইউসি) জমা দিতে বলা হল জিটিএ’কে। নবান্ন থেকে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বলা হয়েছে, ...

বিএনএ, আরামবাগ: শুক্রবার গোঘাটের ভিকদাস এলাকায় একটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকে সিলিং ফ্যান মাথায় পড়ে গিয়ে এক কর্মী জখম হয়েছেন। সুনীল বাগ নামে ওই কর্মীকে আরামবাগ মহকুমা হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ...


আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

নিকটবন্ধু দ্বারা বিশ্বাসঘাতকতা। গুরুজনদের স্বাস্থ্যহানি। মামলা-মোকদ্দমায় পরিস্থিতি নিজের অনুকূলে থাকবে। দাম্পত্যজীবনে ভুল বোঝাবুঝিতে সমস্যা বৃদ্ধি।প্রতিকার: ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮০৫: ত্রাফালগারের যুদ্ধে ভাইস অ্যাডমিরাল লর্ড নেলসনের নেতৃত্বে ব্রিটিশ নৌবাহিনীর কাছে পরাজিত হয় নেপোলিয়ানের বাহিনী
১৮৩৩: ডিনামাইট ও নোবেল পুরস্কারের প্রবর্তক সুইডিশ আলফ্রেড নোবেলের জন্ম
১৮৫৪: ক্রিমিয়ার যুদ্ধে পাঠানো হয় ফ্লোরেন্স নাইটেঙ্গলের নেতৃত্বে ৩৮ জন নার্সের একটি দল
১৯৩১: অভিনেতা শাম্মি কাপুরের জন্ম
১৯৪০: আর্নেস্ট হেমিংওয়ের প্রথম উপন্যাস ফর হুম দ্য বেল টোলস-এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়
১৯৪৩: সিঙ্গাপুরে আজাদ হিন্দ ফৌজ গঠন করলেন নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু
১৯৬৭: ভিয়েতনামের যুদ্ধের প্রতিবাদে আমেরিকার ওয়াশিংটনে এক লক্ষ মানুষের বিক্ষোভ হয়
২০১২: পরিচালক ও প্রযোজক যশ চোপড়ার মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৪.২০ টাকা ৬৫.৮৮ টাকা
পাউন্ড ৮৩.৭৮ টাকা ৮৬.৬৩ টাকা
ইউরো ৭৫.৬০ টাকা ৭৮.২৩ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩০,১৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ২৮,৫৯০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ২৯,০২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৩৯,৮০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৩৯,৯০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
20th  October, 2017

দিন পঞ্জিকা

৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ৩/১, নক্ষত্র-স্বাতী, সূ উ ৫/৩৯/১৭, অ ৫/৩/২৯, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৫ মধ্যে পুনঃ ৭/১০ গতে ৯/২৭ মধ্যে পুনঃ ১১/৪৪ গতে ২/৪৬ মধ্যে পুনঃ ৩/৩২ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ঘ ১২/৩৮ গতে ২/১৮ মধ্যে, বারবেলা ঘ ৭/৫ মধ্যে পুনঃ ১২/৪৭ গতে ২/১২ মধ্যে পুনঃ ৩/৩৭ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ঘ ৬/৩৮ মধ্যে পুনঃ ৪/৬ গতে উদয়াবধি।
৪ কার্তিক, ২১ অক্টোবর, শনিবার, দ্বিতীয়া রাত্রি ১/৩০/৪৬, স্বাতীনক্ষত্র, সূ উ ৫/৩৯/৪, অ ৫/৩/১৫, অমৃতযোগ দিবা ঘ ৬/২৪/৪১ মধ্যে ও ৭/১০/১৭-৯/২৭/৮ মধ্যে ও ১১/৪৩/৫৮-২/৪৬/২৫ মধ্যে ও ৩/৩২/১-৫/৩/১৫ মধ্যে। রাত্রি ঘ ১২/৩৬/৪৫-২/১৭/৩১ মধ্যে, বারবেলা ১২/৪৬/৪১-২/১২/১২, কালবেলা ৭/৪/৩৫ মধ্যে, ৩/৩৭/৪৩-৫/৩/১৫, কালরাত্রি ৬/৩৭/৪৪ মধ্যে, ৪/৩/৩-৫/৩৭/৩২ মধ্যে।
৩০ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
উচ্চরক্তচাপের সমস্যা, হাসপাতালে উপ-রাষ্ট্রপতি 
উচ্চরক্তচাপ ও সুগারের সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভরতি হলেন ...বিশদ

20-10-2017 - 08:59:00 PM

প্রায় ৭০০টি ট্রেনের গতি বাড়তে চলেছে 

নভেম্বরে ভারতীয় রেল প্রায় ৭০০টি-র মতো দুরপাল্লার ট্রেনের গতি বাড়াতে ...বিশদ

20-10-2017 - 07:47:47 PM

নির্বাসন না তুললে অন্য দেশের হয়ে খেলার ইঙ্গিত দিলেন নির্বাসিত শ্রীসন্থ

20-10-2017 - 06:55:00 PM

 প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের দাদা পীযূষ মুখোপাধ্যায় প্রয়াত

20-10-2017 - 06:05:00 PM

প্রবল বৃষ্টি, সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম

প্রবল বৃষ্টিতে নজর রাখতে সেচ দপ্তরে চালু কন্ট্রোল রুম। মনিটরিং ...বিশদ

20-10-2017 - 04:28:40 PM

কানপুরে প্ল্যাস্টিকের গোডাউনে আগুন, ঘটনাস্থলে দমকলের ৬টি ইঞ্জিন

20-10-2017 - 04:08:00 PM

দুপুরের পর থেকে আলিপুরদুয়ারে শুরু বৃষ্টি

20-10-2017 - 03:52:00 PM