Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্যভূমির পুণ্য ধুলোয়
মরুতীর্থ ও ওশিয়াঁ
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 করাচি শহর থেকে ৩০০ কিমি দূরে লাসাবেলার বিস্তীর্ণ ও ভয়াবহ মরুভূমির বুকে হিঙ্গুলা নদীর তীরে যেমন হিংলাজ মাতার গুহা মন্দির, তেমনই রাজস্থানের থর মরুভূমির বুকে যোধপুর থেকে ৬৫ কিমি দূরে হল ওশিয়াঁ মাতার রম্য মন্দির। মরুভূমির বুকে মহাতীর্থ। মরুতীর্থ ওশিয়াঁ।
এই মরুবাসিনী ওশিয়াঁ মাতার কথা শুনেছিলাম জয়পুরের এক ভক্ত তীর্থযাত্রীর মুখে। কিন্তু কেমন করে কীভাবে যাব, তা সঠিকভাবে বুঝিয়ে বলতে না পারায় মনের দিক থেকে তেমন কোনও উৎসাহ পাইনি।
সে বার যোধপুরে গিয়ে মাণ্ডোর উদ্যানে অজিত পোলের পাহাড়ের গা কেটে খোদাই করা কতকগুলি দেবদেবীর মূর্তি দর্শন করে নাগগঙ্গায় এসে জনৈকের মুখে ওশিয়াঁ মাতার স্থানে যাওয়ার পর নির্দেশ পেলাম।
আমি যোধপুরে বার তিনেক গেছি। সস্তার ঠেক হিসেবে ওখানকার সরাইখানায় থাকি। ওশিয়াঁর অবস্থান জানতাম না। এখন তাই পাকাপাকি সিদ্ধান্ত নিলাম ওশিয়াঁয় যাওয়ার।
মাণ্ডোর থেকে ফিরেই পরদিন সকালে চলে এলাম যোধপুর শহরের সরকারি বাসস্ট্যান্ড রায়কাবাগে। এখান থেকেই ওশিয়াঁর বাস ছাড়ে। সকাল সাতটায় বাস ছাড়ল। এই বাসের অধিকাংশ যাত্রীই চলেছেন ওশিয়াঁ মাতার পুজো দিতে। আমিও তাঁদেরই একজন হয়ে গেলাম। শহর ছেড়ে বাস মরুরাজ্যে ‘মথানিয়া’ নামে একটি ছোট্ট জনপদে এসে থামল। এ পথে মরুভূমি ঠিক গোবি, সাহারার মতো নয়। বালিতে মাটির মিশ্রণ আছে। আছে নানারকমের কাঁটাগাছ, ফণিমনসা, আকন্দ ও বাবলাগাছের সমারোহ।
আর আছে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠ। যাই হোক, প্রায় ঘণ্টাখানেকের মধ্যে বাস এসে পৌঁছল ওশিয়াঁয়। ওশিয়াঁ মাতাকে এখানকার লোকেরা বলে সিচ্চাই মাতা।
মরুভূমির মাঝখানে খোলার ঘরের একটি বস্তির সামনে বাস থেকে নেমে অন্য যাত্রীদের সঙ্গে ওশিয়াঁ মাতার জয়ধ্বনি দিতে দিতে বস্তির ভেতর দিয়েই হাঁটা শুরু করলাম। ওসওয়াল জৈন সম্প্রদায়ের আদি বসতি বলেই জায়গাটার নাম ওশিয়াঁ। স্থানটি আগে উপকেশপত্তনের অন্তর্গত ছিল। যাই হোক, পায়ে পায়ে কিছু পথ যাওয়ার পরই মন্দির মার্গে পৌঁছলাম। সেখানে সারি সারি দোকানগুলোতে পূজা সামগ্রী বিক্রি হচ্ছে। সিঁদুর, নোয়া, শাঁখা, লাল চেলি, ধূপ, নারকেল, এলাচিদানা কত কী।
এখানেই একটি টিলার মতো উচ্চস্থানে ওশিয়াঁ মাতার মন্দির। মরুভূমির মাঝখানে এমন সুরম্য মন্দির দেখে বিস্ময়ে হতবাক হয়ে গেলাম। ছোট ছোট বেশ কয়েকটি কারুকার্যমণ্ডিত মণ্ডপ অতিক্রম করে ওপরে উঠতে হয়। খানিক ওঠার পরই প্রকৃত মরুভূমির রূপ দেখে উল্লসিত হলাম। সমুদ্রের তরঙ্গের মতো সীমাহীন বালির স্তর দিগন্তে বিলীন হয়েছে এখানে।
মরুভূমির দৃশ্য দেখার পর দেবী দর্শনে মন দিলাম। আরও কয়েক ধাপ উঠতেই বজরঙ্গবলীর দর্শন পেলাম। এরপর দেবী দর্শন। মূল মন্দিরে শতাধিক স্তম্ভ। গর্ভমন্দিরে ওশিয়াঁ মাতার সঙ্গে ভৈরব, সন্তোষীমাতা ও শীতলা। এছাড়াও মন্দির চত্বরে আছে বেশ কয়েকটি বড় বড় মন্দির। যেমন— অষ্টম দুর্গা, মহাগৌরী, শ্রীশ্রী চণ্ডিকামাতা, রাধাকৃষ্ণ ও আরও অনেক দেবদেবীর মন্দির। এঁদের মাঝখানেই বিরাজ করছেন ওশিয়াঁ মাতা বা সিচ্চাই দেবী।
এবার ওশিয়াঁ মাতার কাহিনী প্রসঙ্গে কিছু বলা যাক— উপকেশপত্তনের অধীশ্বর ছিলেন উৎপলদেব। তাঁর আরাধ্যা দেবী ছিলেন চামুণ্ডা। তাঁর রাজত্বকালে জৈন তীর্থঙ্কর পার্শ্বনাথের ষষ্ঠতম স্থলাভিষিক্ত আচার্য রত্নগর্ভ একবার পাঁচশত শিষ্য নিয়ে হঠাৎ উপকেশপত্তনে উপস্থিত হলেন এবং নগরের বাইরে লুণাদ্রী পল্লিতে অবস্থান ও সাধনভজনের পর আচার্যের কয়েকজন শিষ্য ভিক্ষার্থে নগরে গেলেন। কিন্তু গেলে কী হবে? শূন্য হাতেই ফিরে আসতে হল সকলকে। কেন না উপকেশপত্তনের সবাই তন্ত্রাচারে অভ্যস্ত বলে আমিষভোজী। ওদিকে জৈন সম্প্রদায় নিরামিষাশী বলে আহার না পাওয়ার কারণে ফিরে এলেন। রত্নপ্রভর পার্শ্বচর উপাধ্যায় বীরধবল তখনই সেই স্থান ত্যাগের পরামর্শ দিলেন সকলকে। স্থান ত্যাগের সিদ্ধান্ত যখন পাকা নগরীর অধিষ্ঠাত্রী দেবী চামুণ্ডা সে রাতে রত্নপ্রভকে স্বপ্নাদেশ দিয়ে চাতুর্মাস্য করার নির্দেশ দিলেন। জৈন সম্প্রদায় অবশ্য হিন্দু দেবীর এই স্বপ্নাদেশ অমান্য করলেন না।
এর ঠিক কয়েকদিন পরেই উৎপলদেবের জামাতা সর্পাঘাতে মারা গেলেন। মৃতদেহ যখন শ্মশানে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল দেবী চামুণ্ডা এক সন্ন্যাসীর বেশে শ্মশানযাত্রীদের সামনে এসে বললেন, ‘একি! এই জীবন্ত মানুষটাকে তোমরা শ্মশানে নিয়ে যাচ্ছ? ছিঃ।’ বলেই অন্তর্হিত হলেন। সবাই তখন সৎকার ফেলে হন্যে হয়ে খুঁজতে লাগলেন সন্ন্যাসীকে। এমন সময় হঠাৎই গিয়ে পড়লেন রত্নপ্রভর আশ্রমে। তাঁকে দর্শনমাত্রেই চিনতে পারলেন সবাই। ইনিই তো সেই সন্ন্যাসী। সবাই তাই লুটিয়ে পড়লেন রত্নপ্রভর চরণে। এমন সময় দৈববাণী হল, ‘রত্নপ্রভর পাদোদক সিঞ্চন করলে মৃত ব্যক্তি তাঁর প্রাণ ফিরে পাবেন।’ বলা বাহুল্য রত্নপ্রভর চরণ ধোয়া জল মুখে দিতেই প্রাণ ফিরে পেলেন জামাতা। রাজাদেশে সেই থেকে উপকেশপত্তনে ‘জৈনং জয়তী শাসনং’ প্রচলিত হল।
রত্নগর্ভর চাতুর্মাস্য পূর্তির তখনও অল্প কয়েকদিন বাকি। এমন সময় এক বিস্ময়কর ঘটনার মধ্যে দিয়ে ভগবান মহাবীরের একটি মূর্তিও আবিষ্কৃত হল। ঘটনাটি এই—
উৎপলদেবের মন্ত্রীর একটি দুগ্ধবতী গাভী ছিল। কিছুদিন ধরে দেখা যাচ্ছিল সেই গাভীটি যখন চরভূমি থেকে ফিরে আসে তখন সে সম্পূর্ণ দুগ্ধহীন। এই দেখে তার রাখাল একদিন গাভীটিকে নজরে রেখে দেখে গাভীটি চরভূমির একটু উচ্চস্থানে গিয়ে দাঁড়ায় এবং সেখানেই আপনা থেকেই তার সমস্ত দুধ নিঃসৃত হয়। এই ব্যাপারটা মন্ত্রীকে জানালে তিনি লোকজন দিয়ে সেই স্থানে খনন করাতেই বালির ভেতর থেকে এক অপূর্ব মহাবীর মূর্তি আবিষ্কার হল। রত্নপ্রভ সেই মূর্তি মন্দিরে প্রতিষ্ঠা করলেন। এখানকার দেবী চামুণ্ডাই মহাবীর মন্দিরের অধিষ্ঠাতা এমন ঘোষণাও করলেন তিনি। দেবীর স্বপ্নাদেশে রত্নপ্রভর অভীষ্ট পূর্ণ হওয়ায় দেবীর নাম হল সাচ্চাই দেবী। কালক্রমে সেই সাচ্চাই দেবী এখন সিচ্চাই মাতাতে পরিণত হয়েছেন। মন্দির প্রতিষ্ঠার পর চাতুর্মাস্য শেষ হলে রত্নপ্রভ বিদায় নিলেন। দর্শন শেষে আমারও এখন বিদায় নেওয়ার পালা। এই থর মরুর বুকে হিন্দু ও জৈন ধর্মের এমন সহাবস্থান সত্যই বিস্ময়কর।
(ক্রমশ)
28th  July, 2019
এ ফেরা অন্য ফেরা
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

উচ্চতা ৪ ফুট ৬ ইঞ্চি, গায়ের রং আধাফর্সা, রোগা-পাতলা চেহারা। পরনে অতিসাধারণ শাড়ি-ব্লাউজ, কিন্তু পরিষ্কার। ঈষৎ গম্ভীর থাকে কাজের সময়। ঠিক সময়ে ঘরে ঢোকে, দ্রুত নিজের কাজটি সেরে বেরিয়ে যায় অন্য বাড়ির উদ্দেশে। কামাই প্রায় করেই না।
বিশদ

18th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
বহুচরা দেবী
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

গুজরাত প্রদেশে আর এক তীর্থে আছেন বহুচরা দেবী। দিল্লি অথবা আমেদাবাদ থেকে মাহেসানায় নেমে এই তীর্থে যেতে হয়। স্থানীয়রা এই দেবীকে বলেন বেচরাজি। কিন্তু কেন ইনি বেচরাজি? প্রবাদ, বহুকাল আগে এক চাষি চাষ করতে করতে এখানকার দেবী দুর্গা বা অম্বিকাকে খেতের মধ্যে কুড়িয়ে পান।
বিশদ

18th  August, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 পাত্রীর ডাকনাম ফুলি, ভালোনাম ভবতারিণী। বিয়ের পর স্বামী রবীন্দ্রনাথ স্ত্রীর আর একটি ডাক নাম পদ্মের সঙ্গে মিলিয়ে রাখলেন মৃণালিনী। শুরু হল তাঁদের দাম্পত্য জীবন। বিশদ

18th  August, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৩

অপমৃত্যু নিয়ে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নিজস্ব একটা মতামত ছিল। পরিণত বয়সে তিনি এ সম্পর্কে তাঁর মতামত মংপুতে থাকাকালীন মৈত্রেয়ী দেবীর কাছে ব্যক্ত করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন,‘অপমৃত্যু সম্বন্ধে একটা কথা কি মনে হয় জানো, হঠাৎ যে বন্ধন ছিন্ন হয়, হয়তো তা সুসমঞ্জসভাবে ছিন্ন হয় না।  
বিশদ

11th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
আরাসূরীর অম্বাজি, পর্ব-২৩
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

গিরনারের অম্বাজির পর আরাসূরীর অম্বাজিকেও দর্শন করে আসা যাক এবার। রাজস্থানের অর্বুদ শিখরে ৫২ সতীপীঠের অন্তর্গত দেবী অম্বাজি আছেন। অম্বাজিতে আমি আগেও গিয়েছি।  
বিশদ

11th  August, 2019
যে মেঘ গাভীর মতো চরে
সুতপা বসু 

বেডরুমের লাগোয়া বারান্দায় তখন সিদ্ধার্থ আর বারিষ বৃষ্টির ছাট নিয়ে খেলছে। সিদ্ধার্থ বললো,‘ওই ছড়াটা বল, মনে আছে?’ বারিষ বুঝল তার বাবাই কোন ছড়ার কথা বলছে। সে লাফাতে লাফাতে সুর করে বলল, ‘বৃষ্টি পড়ে টাপুর টুপুর নদে এল বান...’ 
বিশদ

04th  August, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২২

শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়। জোড়াসাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের বাজার সরকার। মাসিক বেতন কুড়ি টাকা। ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে তাঁর কেমন লতায়-পাতায় আত্মীয়তা ছিল বলেও শোনা যায়।  
বিশদ

04th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
গিরনারের অম্বাজি পর্ব-২২
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

মরুভূমি ত্যাগ করে এবার যাওয়া যাক রৈবতক পর্বতে। এখানে বিরাজ করছেন অম্বাজি। সারা ভারতে, বিশেষ করে হিন্দিবলয়ে দেবী দুর্গা অম্বাজি নামেই প্রসিদ্ধ। অম্বিকা থেকে অম্বা, অম্বে, অম্বাজি।  
বিশদ

04th  August, 2019

দারোগা চমকিতচরণ
 
রতনতনু ঘাটী


দরকার পড়লে দারোগাবাবুকে চোর খুঁজতেও বেরতে হয়। কিন্তু আজ তিন দিন হল উদ্ভুট্টিডিহি থানা এলাকায় এক আজব কাণ্ড ঘটেছে। বড় দারোগা চমকিতচরণ দত্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, এই থানা এলাকার দাগি চোরদের ধরে ধরে এনে থানায় পুরবেন।
বিশদ

28th  July, 2019
 ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 ঘরে উপস্থিত সবাই বুঝতে পারলেন নিত্যরঞ্জন ঘোষের শরীরে কোনও অতৃপ্ত, ক্রুদ্ধ আত্মা ভর করেছেন। সেজবাতির আলোটা একটু বাড়িয়ে দিয়ে ডাক্তার রাজকৃষ্ণ মিত্র বললেন, হ্যাঁ, আমরা আপনার সম্পর্কে সবকিছু জানতে চাই। আপনি কে? আপনার নাম কী?
বিশদ

28th  July, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
মরুতীর্থের দেবী, পর্ব ২০
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 আমার বারো বছর বয়সের সময় বাবা-মায়ের সঙ্গে তীর্থযাত্রায় গিয়ে দ্বারকা থেকে ফেরার পথে ভাটিয়া স্টেশনে নেমে সমুদ্রের খাড়ি পার হতে হয়েছিল। ওখান থেকে গন্তব্য ছিল সুদামাপুরী (পোরবন্দর)। পথে যেতে যেতে এক জায়গায় বাসযাত্রীরা সবাই নেমে পড়লেন এক জাগ্রতা দেবীকে দর্শন করবার জন্য।
বিশদ

21st  July, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 একদিন মিউগেন্স সাহেবকে বললাম, আমি বাড়িতে মাঝে মাঝে মিডিয়াম হয়ে ‘স্পিরিটের’ সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু খুব ভালো পারছি বলে মনে হচ্ছে না। মিউগেন্স সাহেবের গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে আবার বললাম, — অথচ বিলেতের কাগজে পড়েছি, এফিসিয়েন্ট মিডিয়ামের সাহায্যে তারা একান্ত আপনজনের স্পিরিট নিয়ে আসছে....
বিশদ

21st  July, 2019
এমনি বরষা ছিল সেদিন
ছন্দা বিশ্বাস

দশ দিন হতে চলল অর্ণব ঠাকুরপোকে পাওয়া যাচ্ছে না। অনিকেতের ছেলেবেলার বন্ধু অর্ণব। আমার বিয়ের পরে বেশ কয়েকবার আমাদের বাড়িতে এসেছে। তারপর বহুদিন আর দেখা হয়নি। মাঝখানে হঠাৎ একদিন এসেছিল আমাদের বাড়িতে। সেও বেশ কিছুদিন হতে চলল। অনিকেত শুনলাম থানায় একটা মিসিং ডায়েরি করেছে।
বিশদ

14th  July, 2019
একনজরে
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: চার বছরের বি টেক করতে করতে মাঝপথে কোর্স ছেড়ে দিতে পারবেন ছাত্রছাত্রীরা। সেরকম সংস্থান রাখা হবে। সেই পড়ুয়া যে ক’বছর পড়বেন, তার স্বীকৃতি দেওয়া হবে। পরে অবশ্য নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পুরো কোর্স শেষ করার সুযোগ থাকবে তাঁর। ...

 ইসলামাবাদ, ২২ আগস্ট (পিটিআই): সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার অধিবেশন চলাকালীন নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ...

সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জ শহরের ভট্টপাড়ায় ভাগীরথীর পাশে সবুজে ঘেরা পরিবেশে ভবঘুরেদের জন্য চারতলা ঝাঁ চকচকে আবাসন তৈরি হলেও তা এখন ফাঁকা পড়ে। ৫০শয্যার ‘ভালোবাসা’য় চলতি বছরের প্রথম থেকেই শহর বা পুরসভা এলাকার ভবঘুরেদের নিয়মিত থাকা-খাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেখা নেই। ...

 অমিত চৌধুরী, তারকেশ্বর: তারকেশ্বর থানার কেশবচক পঞ্চায়েতের নছিপুর বারোয়ারিতলার মাটির তৈরি অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্র বন্যার জলে বছর দুয়েক আগে ভেঙে গিয়েছে। ত্রিপল টাঙিয়ে চলছে পড়াশোনা। সাপের ভয়ে শিশুদের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রে পাঠাতে ভয় পাচ্ছেন অভিভাবকরা। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হলদিয়ায় প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
 

সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আট লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ। ...বিশদ

04:01:36 PM

হাওড়ায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার রাতে হাওড়ার শ্যামপুর ...বিশদ

03:49:00 PM

লুধিয়ানায় সাইকেল মার্কেট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড 

02:28:00 PM

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩
চাকরি পাইয়ে দেবার নাম করে ৩৭ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ। ...বিশদ

02:17:00 PM

৭০০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

02:15:00 PM

সোমবার পর্যন্ত চিদম্বরমকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না ইডি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট  

01:40:00 PM