Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। খদ্দেরদের দিব্যি পান সেজে দিচ্ছে কুঞ্জ, লাল সুতো, কালো সুতোর বিড়ির তাড়া খুলে গুনে গুনে বিড়ি দিচ্ছে, পয়সা নিচ্ছে গুনে, আবার ভাঙানিও দিচ্ছে টাকার হিসেব করে। ছোট একটা কাঠের বাক্সের ওপর চেরা একটু ফাঁক দিয়ে টাকা-পয়সা রাখছে একেবারে পাকা দোকানির মতোই।
অবাক হতেই হয়, সেই আমাদের কুঞ্জ! চেহারাটা আগের চেয়ে একটু চেকনাই হয়েছে, সেই রোগা-পটকা ভাবটা আর নেই। পরনে ডোরাকাটা লুঙ্গি, গায়ে স্যান্ডো গেঞ্জি।
কুঞ্জর চোখ এড়িয়ে গিয়ে বসি মানিকদার মিষ্টির দোকানের বেঞ্চে। এই ক’টা বছরে কী বদলটাই না হয়ে গেল! আমাদের ছোটবেলার রাজবল্লভী মন্দিরের লাগোয়া এই হাটতলায় ছিল দু-তিনটে মাত্র দোকান, মাটির দেওয়াল আর টিন কিংবা খড়ের চালার। মানিকদার জ্ঞাতিরাই আর একটা মিষ্টির দোকান খুলেছে, মুদি দোকানও হয়েছে দুটো, একটা ওষুধের দোকান, চায়ের দোকান, মনিহারি দোকানও শোভা বাড়িয়েছে। সবক’টাই পাকা ঘরের। গুল্টিয়া গ্রামেই বা ক’টা পাকা বাড়ি ছিল তখন? হাতে গুনে বলা যেত। আর এখন একতলা, দোতলা বাড়ির তো ছড়াছড়ি।
বদল তো হবেই, দুনিয়ার নিয়মই যে তাই, বদলেরই শুধু বদল হয় না কখনও। মুড়ি তেলেভাজা খেতে খেতে ছেলেবেলাটার আঘ্রাণ পেতে থাকি মনে মনে। অদ্ভুত এক আমেজ লাগে শীতের সকালে। আগেকার মতোই মাঠের আনাজ-পাতি মাথায় করে এনে চাষিরা এসে বসছে হাটতলায়। কচুপাতায় গেঁড়ি-গুগলি, কুঁচো চিংড়ি আর অ্যালুমিনিয়ামের হাঁড়িতে জ্যান্ত চারাপোনা নিয়ে বসেছে দু-একজন মেছুনি আর জেলে। একে একে আসতে শুরু করেছে ক্রেতারাও।
এককালে কেবল শুক্রবারই নাকি হাট বসত এখানে, তখন থেকেই নাম হয়ে যায় হাটতলা, পরে কবে থেকে যেন প্রতিদিনের বাজার বসতে থাকে। হবে নাই বা কেন, এ তল্লাটে বাজার বলতে তো সেই রাজবলহাটে, মাইলখানেক দূরে।
চোখ যায় পানের দোকানটার দিকে, বেশ বাহারি করেছে কিন্তু কুঞ্জ। দোকানের মাথায় টিনের পাতে বড় বড় করে লেখা ‘কুঞ্জর পান’। অক্ষরগুলোর ওপর আবার গোল গোল রুপোলি চাকতি সাঁটা, তার নীচে রঙিন কাগজের ঝালর, আলো পড়ায় চিকমিক করছে। দোকানের টিনের গায়ে কোনও হিন্দি সিনেমার নায়িকার হাসিমুখ আর বিলোল চাউনির যুগলবন্দি।
মাথা থেকে জিজ্ঞাসা চিহ্নটা আর সরতে চায় না, সেই কুঞ্জ আমাদের? কখনও কি ভুলতে পারব বাংলার মাস্টার চণ্ডীবাবুর সেই কথাটা?
সেবার ক্লাস ফাইভের হাফ ইয়ারলি পরীক্ষায় ফেল করে গেল কুঞ্জ। ক্লাসে এসে চণ্ডীবাবু বলেছিলেন, ‘তোর দ্বারা আর কিস্যু হবে না রে কুঞ্জ। এক কাজ কর, টিনের চাল থেকে গোলা পায়রা ধরে বাজারে বিক্রি কর, দুটো পয়সা হবে। তোর বাবাকেও টাকা ঢালতে হবে না। সঙ্গে কাউকে নিবি, যে পায়রা বিক্রির টাকাটা গুনে নিয়ে তোকে দেবে।’
চণ্ডীবাবুর আর দোষ কী, কুঞ্জর মতো অমন মোটা মাথার ছাত্র সারাজীবনে দুটি আর তাঁর চোখে পড়েনি।
তখন আমরা আরও নিচু ক্লাসে পড়ি। মাস্টারমশাই একদিন প্রশ্ন করলেন, ‘বল তো কুঞ্জ আম বানান কী?’
কেউ কিছু বলার আগেই উঠে দাঁড়িয়ে জোর গলায় কুঞ্জ বলে দিল ‘ত-এ হ্রস্ব ই দন্ত্য ন’। ওই এক মস্ত দোষ তার। আরে মনে মনে একটু ভেবে নিয়ে তারপর তো বলবি। তা নয়, হুড়মুড় করে তার আগে বলা চাই।
আরেক দিন গৌরমাস্টার প্রথমেই সবাইকে সাবধান করেদিলেন— ‘অ্যাই, সবাই একসঙ্গে বলবি না, যাকে জিগ্যেস করব শুধু সে-ই উত্তর দিবি।’ আমরা সবাই চুপ। তিনি প্রশ্ন করলেন, ‘আচ্ছা কুঞ্জ, বল তো, রামচন্দ্রের বাবার নাম কী?’
‘আজ্ঞে, মদন।’ চটপট উত্তর তার, কেননা সে তো একশো ভাগ নিশ্চিত যে, রামের বাবার নাম মদন ছাড়া আর কিছুই হতে পারে না।
অনেকদিন পরে কথাটা মনে পড়লে সত্যিই ভাবতে হয়েছে, আচ্ছা, রামের বাবার নাম মদন হলে আদৌ কি অশুদ্ধ হতো রামায়ণ? কুঞ্জর মনে-গড়া রামায়ণে হয়তো সেদিন তিনি মদন নামেই অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তাঁর অযোধ্যা ছিল হয়তো অন্য কোথাও কিংবা লক্ষ্মণ, সীতা— এঁরাও হয়তো অন্য কোনও নামে, চেহারায় কুঞ্জর মানসপটে বিচরণ করতেন। তার সেই মনোজগতে ঢুকতে না পারার অক্ষমতা কি আমাদেরই ছিল না?
আর একদিনের স্মৃতি। ফটিক মাস্টার একদিন ক্লাসে এসেই প্রশ্ন করলেন, ‘তোমরা কেউ তিনজন মহাপুরুষের নাম বলতে পারো?’
যথারীতি কুঞ্জরই গলা শোনা গেল সবচেয়ে আগে— ‘আজ্ঞে তা হলে বাড়ি থেকেই বলি’, বলেই গড়গড় করে সে তার তিন কাকার নাম বলে দিল। আমরা সবাই হতভম্ব। ফটিক মাস্টারের হাতের কঞ্চিটা এবার সশব্দে আছড়ে পড়ল টেবিলের ওপর। দাঁতে দাঁত চেপে তিনি বললেন, ‘তোর ওই মাথাটা বালিশে রাখার নয়, বুঝলি? আজ থেকে মাথার নীচে একখানা থান ইট রেখে শুবি, তবে যদি মাথাটা খোলে। গাধা কোথাকার!’ এক এক সময় ফিচলেমি মনে হলেও সেটা করার মতো পাকোলো বুদ্ধিই তো ছিল না কুঞ্জর। যখন যেমন মাথায় আসত অমনি সে বলে দিত অবলীলাক্রমে। এজন্যে মারও তো কম খায়নি, ইশকুলে, বাড়িতে সর্বত্র। একটু কেমন পাগলাটে আর ন্যালা-ক্যাবলা বলে কেউ কেউ রাস্তায় তার মাথায় চাটি মেরে, ওই যাকে বলে একটু হাতের সুখ করে চলে যেত। কুঞ্জ কিন্তু কিছু বলত না, শুধু অবাক হয়ে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে থাকত, যেন এমনটাই পাওনা ছিল তার। কখনও খুব বেশি পিটুনি না খেলে আমরা তার চোখে অবশ্য জল দেখিনি।
হঠাৎই একদিন ইশকুলে যাওয়া বন্ধ হয়ে গেল কুঞ্জর। দেখা হতে জিগ্যেস করি, ‘কী রে, ইশকুলে যাবি না?’ মাথা নেড়ে তার সরল স্বীকারোক্তি— ‘মাস্টাররা ঠ্যাঙায় যে।’ হক কথা।
চণ্ডীবাবুর তিন-তিনটে ছড়ি ভেঙেছে হয়তো তাকেই ঠেঙাতে গিয়ে। চতুর্থ ছড়িটা আর তাঁর হাতে ওঠা দেখতে হয়নি কুঞ্জকে, তার আগেই তার বাবা তাকে ছাগল চরানোর কাজে লাগিয়ে দিয়েছিল। কিন্তু সেখানেও কি নিস্তার আছে তার, মজা করার জন্যে তাকে খ্যাপাতে ছাড়ত না পাড়ার ছেলেরা।
মাঠ থেকে একদিন তিনটে ছাগলের গলায় বাঁধা দড়ি ধরে টেনে-হিঁচড়ে বাড়ি নিয়ে আসছে কুঞ্জ। মুকুন্দদা তার পাশে গিয়ে ভালো মানুষের গলায় বললে, ‘কী রে, মাঠ থেকে ফিরছিস এত বেলায়।’
ক্যাবলাকান্ত বলে সচরাচর কেউ তার সঙ্গে ভালো করে দুটো কথাও বলে না, মুকুন্দদার মতো বড়সড় একজন মানুষ যে অমন আদর করে কথা বলেছে, এতেই আনন্দে গলে গেল কুঞ্জ। একগাল হেসে সে উত্তর দিল, ‘হ্যাঁ গো মুকুন্দদা, বেলা হয়ে গেল।’
মুকুন্দদা জিগ্যেস করল, ‘তা তুই একা চার-চারটে ছাগল সামলাতে পারিস?’
ভ্রু কুঁচকে কুঞ্জ বলে, ‘তোমার চোখে কি ন্যাবা হয়েছে, দেক্‌চো না তিনটে ছাগল?’
মোক্ষম খোঁচা এবার মুকুন্দদার, ‘এই তো দেখছি তোর ডানদিকে দুটো কালো, বাঁদিকে পাটকিলেটা আর মাঝখানে তুই, তাহলে মোট চারটে হল না?’
আর যায় কোথায়, কুঞ্জ এবার তার বাপান্ত করে ছাড়লে। কেউ কল্পনা করতে পারবে, সেই কুঞ্জ আজ একটা পানের দোকানের মালিক? হোক না ছোট, দোকান তো বটে।
কত কী যে করত কুঞ্জর বাবা, তার মাথাটা ভালো করার জন্য আরিন্দিপুর থেকে ওঝা ডেকে এনে ঝাড়ফুঁক করানো, কুলেকালের ফকিরের মাদুলি পরানো, মানত করা, রাজবল্লভীর মন্দিরে পুজো দেওয়া— যখন যে যা বলত, তাই করত তার বাবা। রহিমপুরের পার্থ ডাক্তারই শুধু বলেছিল, এতসব করার দরকার নেই, কারও কারও এমন হয়, আবার বড় হলে সব ঠিক হয়ে যায়। সত্যিই কিন্তু পরে একদম স্বাভাবিক হয়ে গিয়েছিল কুঞ্জ। আর আজ তো দেখছি, দিব্যি একটা দোকান সামলাচ্ছে। সে তো সত্যি সত্যিই পাগল ছিল না, তাকে পাগল করে দিতে চাইত আর পাঁচজনেই।
একসময় বাপের কাছেই কিছুটা হিসেবপত্তর শিখে গেলে হাটতলায় কুঞ্জকে এই দোকানটা খুলে দেয় তার বাবাই। প্রথম দিকে ছেলেকে নিয়েই বসত, পরে কুঞ্জ একাই সামলাতে শিখে যায়। বেশ ভালোই তো চালাচ্ছে দেখছি। শুনলাম, এই দোকানটা তার প্রাণ একেবারে। সাতসকালে এসে দোকান খোলে, দুপুরে ঝাঁপ বন্ধ করে বাড়ি যায় স্নান-খাওয়া করতে। বিকেল হতে না হতেই আবার এসে বসে দোকানে। টুকটাক বিক্রিবাটা চলে সেই রাত দশটা পর্যন্ত।
কুঞ্জর খদ্দেরদের বেশির ভাগই চাষি, মজুর, রিকশওয়ালা। আবার বাবুদের কেউ কেউ হাওড়া যাবার বাসে ওঠার আগে তার দোকানের একখিলি পান মুখে পুরে নেয়। রোজ সকালে দোকানে পান দিয়ে যায় বাউরি। আর কুঞ্জ মাঝে মাঝে সাইকেলে চড়ে দূরের জাঙ্গিপাড়ার বাজার থেকে পানের মশলাপাতি কিনে আনে। সেখানে এগুলোর দাম একটু সস্তা পড়ে। একসময় ফাঁকা দেখে গিয়ে দাঁড়াই কুঞ্জর দোকানের সামনে। আমার মুখের দিকে খানিক একটু ভ্রু কুঁচকে সে তাকিয়ে থাকে, ঠিক যেন চিনতে পারছে না। স্বাভাবিক। মাঝে গড়িয়ে গেছে অনেকগুলো বছর, কালের পলিও তো কিছু পড়েছে আমার চেহারায়। কুঞ্জকে আর ধন্দে না রেখে বলি, ‘কী রে চেনা যাচ্ছে না, আমি সমীর, একসঙ্গে পড়তুম মনে পড়ে?’ এবার জ্বলজ্বল করে ওঠে ওর চোখ দুটো। এক লাফে দোকানের টাট থেকে নেমেই জড়িয়ে ধরে বলে, ‘কবে এলি? তুই যে এমন ধারা বদলে যাবি, কী করে জানব বল! সেই যে কলকাতায় চলে গেলি আর তো পাত্তাই নেই!’
একথা-সেকথা বিনিময়ের পর জানতে চাই— ‘তা বিয়ে থা করেছিস?’
সলজ্জ উক্তি তার ‘সামনের ফাগুনে সন্তু নেগির মেয়ের সঙ্গে তার বিয়ে মোটামুটি ঠিকই হয়ে গেছে। একদিন পঞ্চানন্দতলায় সাবিত্তিরই তাকে নিকে করবে বলে পাকা কতা দিয়েচে।’
সোৎসাহে বলি, ‘বাঃ, খুব ভালো খবর, পরের বারে এসে যাব তোর সংসার দেখতে।’
দু-চারজন খদ্দের ইতিমধ্যে এসে দাঁড়িয়েছে। আমি পা বাড়াই, ‘আবার আসিস’ বলে কুঞ্জ উঠে বসে দোকানের টাটে।
গ্রামে এলেই হুমড়ি খেয়ে ধেয়ে আসে হারানো দিনগুলোর সুখ-স্মৃতি। কলকাতায় ফিরে তার রেশটুকু উপভোগ করতে না করতেই পট যায় ঘুরে। ব্যস্তসমস্ত জীবনে মন খুঁজে পায় না আলসেমি করার সময়।
জমি-জমার নিষ্পত্তির ব্যাপারেই আবার যখন ছুটতে হল গ্রামে, মাঝখানে কেটে গেছে তিন-তিনটে বছর। প্রতিবারের মতো দেখা করতে বেরই এর-তার সঙ্গে। কারও বাড়িতে তেলেভাজা-মুড়ি, কারও নারকেল নাড়ু, কারও বা গাছের পেয়ারা খেতে খেতে বেলা কাটে।
বিকেলের দিকে গিয়ে দাঁড়াই কুঞ্জর দোকানের সামনে, সবে দোকান খুলছে তখন। এবার আর চিনতে ভুল হয়নি তার। প্রথমেই জিগ্যেস করি, ‘কী রে, বিয়ে করেছিস তো শুনেছি, তা কেমন চলছে সংসার? বউকে দেখাবি তো?’
ম্রিয়মাণ হয়ে এদিক-সেদিক তাকিয়ে চাপা গলায় জানাল যে, একটু ঝামেলা হয়ে গেছে। বউ একদিন তাকে না জানিয়ে টকি দেখতে গিয়েছিল। দোকান থেকে ফিরে তাকে দেখতে না পেয়ে প্রতিবেশীদের কাছে খোঁজ নিয়ে যখন একথা সে জানতে পারে, রাগে তার মাথা গরম হয়ে যায়। সাবিত্তিরির সব জামাকাপড় আলনা থেকে টেনে উঠোনে নামিয়ে কেরোসিন তেল ঢেলে তাতে আগুন লাগিয়ে দেয়। টকি থেকে ফিরে এসে তার এই কাণ্ড দেখে সাবিত্তিরিও এক কাপড়েই বাপের বাড়ি চলে যায়। আর ফেরেনি। তাকে ফিরিয়ে আনতে দু-তিনবার গিয়েওছিল কুঞ্জ, কিন্তু বউয়ের খুব দেমাক, সে বলেছে, ‘তোমার সঙ্গে ঘর আর করব না, তুমি সব পারো, কোন দিন আমাকে পুড়িয়ে মারবে।’
‘তা বলে মাথা গরম করে এমন কাজ কেউ করে কুঞ্জ?’ বলে তাকাই ওর দিকে। মাথা নিচু করে পায়ের বুড়ো আঙুল দিয়ে মাটি খুঁড়তে খুঁড়তে কুঞ্জর আক্ষেপ— ‘কী করি বল, আমার মাথার দোষ যে। রাগলে আর সামাল দিতে পারি না।’ শুনে খারাপ লাগে। তাকে মাথা ঠান্ডা রাখার উপদেশ দিয়ে ফিরি সেদিনকার মতো।
কলকাতায় ফেরার দিন বাসে পাশের সিটেই পেয়ে গেলাম স্কুলের আর এক সহপাঠীকে। এক সময় কুঞ্জর কথা উঠতেই সে শোনাল আর এক কাহিনী। রাগ করে সাবিত্রীর ঘর ছেড়ে যাওয়াটা নাকি একটা অজুহাত মাত্র। আসলে মাদুলি, তাগা-তাবিজ ধারণ সেও কম করেনি। তারপরেও ছেলেপুলে হল না দেখে সাবিত্রী এখন গেছে অন্য কুঞ্জবনে।
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
25th  August, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি। 
বিশদ

ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৯

বিয়ের বারো বছর বাদে কন্যা সন্তানসম্ভবা হয়েছে জেনে কবি যথেষ্ট আনন্দিত হয়েছিলেন। তিনি তখন আমেরিকায়। তিনি মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনীকে টেলিগ্রাম করে বেলার সাধভক্ষণের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয় তিনি বাড়ির খাজাঞ্চি যদু চট্টোপাধ্যায়কে পাঁচশো টাকা এই কারণে মেজ বৌঠানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেন। 
বিশদ

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’ 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
একনজরে
 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্র বিক্ষোভের জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যে উপাচার্য-সহ উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ক্যাম্পাসে যেতে ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: শনিবার দুপুরে রায়গঞ্জের বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের শঙ্করপুরে জমিতে কাজ করার সময় এক মহিলা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম লক্ষ্মী দাস(২৫)। মৃতের বাড়ি বাহিনের হাঁটমুনি গ্রামে।  ...

 ওয়াশিংটন ও হিউস্টন, ২১ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান ঘিরে আমেরিকায় সাজ সাজ রব। মোদি-জ্বরের উন্মাদনায় অন্তিম মুহূর্তের জন্য প্রহর গুনছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকরা। ...

সংবাদদাতা, কালনা: কালনা থানার বাঘনাপাড়া এলাকায় শুক্রবার রাতে এক প্রৌঢ়ার অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। মৃতার নাম কল্পনা দুর্লভ(৫০)। বাড়ি স্থানীয় দেউলপাড়া এলাকায়। শনিবার কালনা হাসপাতালে মৃতদেহ ময়নাতদন্ত করা হয়। পুলিস একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার— ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক
১৭৯১: ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের জন্ম
১৮৮৮: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত
১৯১৫ - নদিয়া পৌরসভার নামকরণ বদল করে করা হয় নবদ্বীপ পৌরসভা
১৯৩৯: প্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা জুনকো তাবেইয়ের জন্ম
১৯৬২ – নিউজিল্যাণ্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার মার্টিন ক্রোর জন্ম
১৯৬৫: শেষ হল ভারত-পাকি স্তান যুদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দু’দেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করল
১৯৭০: লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭৬: ব্রাজিলের প্রাক্তন ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
১৯৮০: ইরান আক্রমণ করল ইরাক
১৯৯৫: নাগারকোভিল স্কুলে বোমা ফেলল শ্রীলঙ্কার বায়ুসেনা। মৃত্যু হয় ৩৪টি শিশুর। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই তামিল
২০১১: ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, অষ্টমী ৩৫/৫৪ রাত্রি ৭/৫০। মৃগশিরা ১৫/৪৪ দিবা ১১/৪৬। সূ উ ৫/২৮/৪০, অ ৫/৩০/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৯ গতে ১/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।
৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, অষ্টমী ২৩/৭/৩২ দিবা ২/৪৩/৩১। মৃগশিরা ৬/৫২/৫৬ দিবা ৮/১৩/৪০, সূ উ ৫/২৮/৩০, অ ৫/৩২/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৯ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/০ গতে ১১/৩০/৩০ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩০/৩০ গতে ১/১/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/০ গতে ১১/৩০/৩০ মধ্যে।
 ২২ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
টি ২০: ভারত ৭৬/৩ (১০ ওভার) 

07:47:17 PM

টি ২০: ভারত ৪১/১ (৫ ওভার) 

07:30:18 PM

পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে বাসের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু, জখম ১ 

06:59:00 PM

তৃতীয় টি ২০: টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের 

06:42:49 PM

মালদহে বজ্রাঘাতে তিনজনের মৃত্যু
রবিবার দুপুরে মালদহের পরানপুর চুনাখালী মাঠে বাজ পড়ে তিনজনের মৃত্যু ...বিশদ

04:09:46 PM

রায়গঞ্জে ব্যাপক বৃষ্টি 

03:42:00 PM