Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

তিথির অতিথি
প্রদীপ আচার্য 

‘বাবা, উনি কাঁদছেন।’ চোখের ইশারায় গোলোকচন্দ্রকে বাইরে ডেকে নিয়ে নিচুস্বরে কথাটা বলল তিথি। গোলোকচন্দ্র আকাশ থেকে সটান মাটিতে পড়লেন। বললেন, ‘ধ্যাৎ, খামোখা কাঁদতে যাবেন কেন?’
‘মনে হয় আমার রান্নার ঢকপদ ওনার পছন্দ হয়নি। তখন কত করে বললাম, বাজার যাও, ট্যাংরা ফ্যাংরা যা পাও ভালো মাছ আর এট্টুস মুরগি নিয়ে এসো। তা আমার কথায় কানে তুললে তুমি?’
‘তুই আমাকে দুষছিস! আরে বেটি, আমি তো যাচ্ছিলাম। উনিই তো যেতে দিলেন না। দেখলি না, উনি থলে টেনে ধরলেন। বললেন, না না, দু’বার করে বাজার যাওয়া চলবে না। সকালে যা বাজার করেছ, তাতেই আমার চলবে।’
‘তোমার জোর করা উচিত ছিল। আর উনিই বা কীরকম লোক? কথা নেই বাত্তা নেই এসে হাজির। একটা ফোন তো করতে পাত্তেন। তা না, হে হে চলে এলাম। বাজারেও যেতে দিলাম না। এখন গেলো পালং শাক, ডাল, আলুর চোখা, পাঁচমেশালি তরকারির ঘ্যাঁট আর বাটা মাছের ঝাল। অত বড়লোক! এসব ছাইভস্ম কি রোচে ওনার মুখে? দেখো এখন খেতে বসে চোখের জল ফেলছেন। গেরস্ত বাড়িতে যত সব অলুক্ষুণে কাণ্ড।’
‘আমার মনে হয়, তুই মাছে বড্ড বেশি ঝাল দিয়েছিস। সবাই কি অত ঝাল খেতে পারে? এখন রাখ এসব কথা। উনি একা বসে খাচ্ছেন। চল কাছে গিয়ে বসি।’
কল্যাণব্রত একমনে খাচ্ছিলেন। চশমার ফ্রেমের নীচ থেকে গড়িয়ে পড়া চোখের জল মুছে নিচ্ছিলেন। বাঁ-হাতের মুঠোয় ধরা আছে সাদা রুমাল। গোলোকচন্দ্রের চোখে চোখ ফেলে তিথি বোঝাতে চাইল, কী? ঠিক বলিনি? গোলোকচন্দ্র খানিক ইতস্তত করে গলা খাকারি দিয়ে বললেন, ‘স্যার, বেটি মনে হয় মাছে বেশি ঝাল দিয়ে ফেলেছে। আলুর চোখাতেও শুকনো লঙ্কার ঝাল।’ কল্যাণব্রত ম্লান হেসে বললেন, ‘হু, তা ঝাল একটু বেশিই। তবে ভালোই হল। মুখটা একটু ছেড়ে গেল। একঘেয়ে কাটাপোনার ঝোল খাওয়া জিভ তো বিদ্রোহ করেছে।’
ঘরে তো মিষ্টিফিস্টি কিছু নেই। চিনি আছে। তা কি দেওয়া যায়? হঠাৎ তিথির মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল। লোকটাকে একটা মিষ্টিপান এনে খাওয়ালে কেমন হয়। বেশ হয়। ঝালের মুখে মিষ্টিপান ভালোই হবে। কল্যাণব্রতকে হাত-মুখ ধোয়ার জল এগিয়ে দিয়ে একছুট্টে আলনা থেকে কাচা গামছা এনে দিল। কল্যাণব্রত হাত মুছতে মুছতে বললেন, ‘বাঃ, তুমি তো বেশ ভালোই রেঁধেছ। বড়ি দিয়ে পালং শাক দারুণ রেঁধেছ। মুখে লেগে রয়েছে।’ তিথি ঠোঁট উল্টে বলল, ‘ভালো না ব্যাঙ। মন জুগিয়ে কথা বলবেন না। জিভ বিদ্রোহ করল। ডাইনিং টেবিলে বসে খাওয়া অভ্যেস, এখানে মেঝেতে বসে খেতে হল। আমি কি কিছু বুঝি না? খাওয়া তো হল না। গেলা হল।’
—‘কী বলছ তুমি।’
—‘ঠিকই তো বলছি। পষ্ট কথায়
কষ্ট কী?’
—‘তুমি তো সত্যিই বেশ মুখরা।’
—‘বাবার কাছে শিখেছেন কথাটা।’
—‘কোন কথাটা?’
—‘ওই যে, মুখরা।’
—‘ঠিক বলেছ। তোমার বাবার কাছে তোমার আরও অনেক গল্প শুনেছি। গোলোকচন্দ্রের মুখে তো তুমি ছাড়া অন্য কোনও গল্প নেই। শুধু তিথিমা আর তিথিমা। তাই দেখতে চলে এলাম, সে কেমন তিথিমা।’
—‘বাবার আবার মেয়ে নিয়ে একটু বেশি আদিখ্যেতা। অসহ্য। নিন, আপনি একটু গড়িয়ে নিন।’
খাটের চারপাশের চাদর টানটান করে দিল তিথি। লেপ টেনে দিল। বলল, ‘আমি যাচ্ছি। রাজ্যের কাজ পড়ে আছে।’ শরীর গড়িয়ে দিয়ে কল্যাণব্রত বললেন, ‘গোলোকচন্দ্র গেল কোথায়? ওকে বললাম আমার সঙ্গে তুমিও বসে পড়ো। তা বাড়িতেও গোলোক আমাকে সেই বড়সাহেব বানিয়েই ছাড়ল।’
‘তা না। আসলে ছুটির দিন বাবার খেতে ঢের দেরি হয়। বাবা পুকুরে যাবে। ঘাটে বসে বসে গুড়াকু দিয়ে দাঁত মাজবে একঘণ্টা ধরে। তারপর জলে ঝাঁপাবে। সাঁতার দেবে। অবগাহন চান। নিন, আপনি একটু জিরিয়ে নিন। আমি যাচ্ছি।’
ঘর থেকে বেরিয়ে একছুট্টে উঠোন পেরিয়ে গেল তিথি। উঠোন পেরিয়ে আর এক উঠোন। তিথির লম্বা বিনুনি পিঠের ওপর দুলে দুলে নাচল। তিথি ডাকল, ‘মিষ্টিবউদি।’ দোতলার বারান্দার গ্রিলের ফাঁকে এসে আটকে গেল একটা মিষ্টিমুখ। তিথির মিষ্টিবউদির মিহি গলা। বলল, ‘কীরে? আয় ওপরে আয়।’
‘না তুমি নীচে এসো। শিগগির এসো।’ পায়ের মল বাজিয়ে মিষ্টিবউদি সিঁড়ি ভাঙতে ভাঙতে বলল, ‘লোকটা কে রে তিথি? দোতলার জানলা দিয়ে তখন দেখলাম তোদের উঠোনে মস্ত একটা গাড়ি। শিউলি গাছের নীচে চেয়ারে বসে লোকটা সিগারেট খাচ্ছে, রোদ পোহাচ্ছে, কে রে লোকটা?’
‘ওসব পরে হবে। তুমি আগে চট করে একটা মিষ্টিপান সেজে দাও। আর বোলো না। উটকো ঝামেলা। বাবার অফিসের বড়সাহেব। তার বায়না গোলোকচন্দ্রের মেয়েকে দেখবেন। কী আমার রূপ গজাল বলো তো? কথা নেই বার্তা নেই এসে হাজির। কলেজ ছুটি। তবু ভাগ্যিস ভালো সালোয়ারটা পরেছিলাম। আর খেতে দিতে যা লজ্জা করছিল আমার।’
‘তোকে দেখতে এসেছে। বিয়ের সম্বন্ধ?’
‘ধ্যাৎ, অত বড়লোক। জানো? আমার জন্যে দামি দু’টো সালোয়ার, দু’টো দামি শাড়ি নিয়ে এসচে।’ মিষ্টিবউদি টোনা মেরে বলল, ‘তাহলে নির্ঘাত সম্বন্ধের ব্যাপার। ওনার ছেলের বউ করবে তোকে।’
‘ভারী বয়ে গেছে। কত বড়লোক ওরা। গাড়িটা দেখলে তো? ঝাক্কাস। লোকটাকেও হেব্বি দেখতে। আমাকে বউ করতে ভারী বয়ে গেছে ওদের।’
‘তুইও বা কম কী? যে ঘরে যাবি আলোর বন্যা বয়ে যাবে। নে ধর।’ মিষ্টিবউদির হাত থেকে পানটাকে ছিনিয়ে নিয়ে ফের একছুট্টে দু’উঠোন পেরিয়ে এল অতিথি। গলা তুলে বলে এল, ‘দুপুরে ভোঁস ভোঁস করে ঘুমিও না। খাওয়ার পর আসছি। তখন গল্প করব।’
খাওয়া সেরে রান্নাঘর গুছিয়ে শেকল তুলে দিল। নিজের ঘরের পড়ার টেবিল থেকে মোবাইল ফোনটা তুলে নিয়ে গুলতানি করতে চলল মিষ্টিবউদির কাছে। মোবাইলে বাবানের তিনটে মিসড কল দেখে রিং ব্যাক করল তিথি। বাবান ফোন ধরেই সব উদ্ভট প্রশ্ন জুড়ে দিল। ‘তোকে নাকি দেখতে এসেছে? খুব বড়লোক, গাড়ি নিয়ে এসেছে। তুই কি এই বিয়েতে মত দিবি? রাজি হবি তুই? তাহলে আমার সঙ্গে স্রেফ নাটক চালালি এতদিন?’ বাবানের সব উদ্ভট প্রশ্ন শুনে তিরিক্ষে হল তিথির মেজাজ। বলল, ‘তোর সঙ্গে পরে কথা বলছি আমি। এখন রাখ।’ বলে ফোন কেটে দিল তিথি।
মিষ্টিবউদি বলল, ‘আমার দেওর দোকান বন্ধ করে এল খানিক আগে। বলল, লোকটা নাকি হাইওয়ে থেকে নেমে দফায় দফায় একে তাকে জিজ্ঞেস করেছে। ভাই গোলোকচন্দ্রের বাড়িটা কোনদিকে? তোর সমরদাও একটু আগেই ফোন করেছিল। বলল, কী ব্যাপার বলো তো? তিথিদের বাড়িতে পেল্লাই গাড়ি হাঁকিয়ে কে এসছে বলো তো? আমি বলেছি, আমি সঠিক জানি না। যাগগে, মোদ্দা ব্যাপারটা হল, গোটা গ্রামে একেবারে হইচই পড়ে গেছে।’
‘একটু আগে বাবানও ফোন করে বোর কত্তে যাচ্ছিল। লোকটার সত্যিই কোনও কাণ্ডজ্ঞান নেই। আমাদের মতো গরিবের বাড়িতে ওই অত্ত বড় গাড়ি হাঁকিয়ে লোক এলে সবারই তো চোখ টাটাবে বলো। ঠিক আছে, এসেছিস একবেলা ঘুরে চলে যা। তা না, বায়না ধরেছে রাতে দিশি মুরগির ঝোল খাবে। বাবার কাছে শুনেছে, আমি নাকি দারুণ রাঁধি। বিকেলে বেড়াতে বেরবে।’
‘বলিস কীরে? তার মানে রাতে থাকবে? কাল যাবে? না না, এসব অ্যালাউ করিস না তিথি। লোকটা তো চলে যাবে। তারপর গ্রামে ঢি ঢি পড়ে যাবে। না না, একদম না। তুই পোটেস্ট কর। তোর বাবা তো সাদাসিধে ভোলাভালা মানুষ। লোকটা কী মতলবে এসেছে, ধর রাতে যদি লোকটা তোর ঘরে হানা দেয়। বলা তো যায় না। কার মনে হরর বাপ, কার মনে গোখরো সাপ। একটা কেলেঙ্কারি কিছু ঘটে গেলে তখন? কেউ যদি বলে, গোলোকদা টাকার জন্য মেয়ের ঘরে লোক ঢুকিয়েছে, তখন?
‘অসম্ভব, আমার বাবাকে সেরকম কেউ ভাববে না।’
ভাববে না। ভাবতে কতক্ষণ। তা পরে তুই যখন ওই দামি সালোয়ার আর শাড়িতে সাজবি, কলেজ যাবি, তখন গ্রামের মেয়ে-বউরা ওই যারা তোর এই আগুন রূপে জ্বলেপুড়ে মরে, তারা কি তখন বলতে ছাড়বে যে, বাড়িতে বড়লোকের আনাগোনা, তাই এত ঠাঁট তোর। না না তুই লোকটাকে ভাগিয়ে দে।’
মিষ্টিবউদির কথা শুনে এই মাঘের দুপুরেও তিথির দুধ ফর্সা মুখে হামের মতো ঘাম জমতে থাকে। কপালে ভাঁজ পড়ে। বলে, ‘তুমি কথাটা ঠিক বলেছ মিষ্টিবউদি। দাঁড়াও লোকটাকে আগে বিদেয় করার ব্যবস্থা করি।’
গোলোকচন্দ্র তখন কল্যাণব্রতর সঙ্গে খোশগল্পে মজে রয়েছেন। তিথি পর্দা ফাঁক করে ভেতরে মুখ বাড়াল। বলল, ‘বাবা, একটু শুনে যাও।’ গোলোকচন্দ্র গল্পে গদগদ হয়ে আছেন। বললেন, ‘আয় না ভেতরে।’
‘না তুমি শুনে যাও।’ গোলোকচন্দ্র বাইরে আসতেই তিথি বাবার হাত ধরে হেঁচকা টান দিয়ে টেনে নিয়ে যায় নিজের ঘরে। গোলোকচন্দ্র অবাক হন। বলেন, ‘কীরে, ব্যাপার কী? অত ঘামছিস কেন?’ তিথি চোখ-চিবুক শক্ত করে বলে, ‘বাবা, লোকটাকে বিদেয় করো। রাতে থাকা-টাকা চলবে না। এটা ভদ্রলোকের বাড়ি।’ গোলোকচন্দ্র মেয়ের মুখ চেপে ধরেন। বলেন, ‘আস্তে বল, উনি শুনতে পাবেন।’ এক ঝটকায় বাবার হাত সরিয়ে নিয়ে ঝাঁঝিয়ে ওঠে তিথি। গলার রগ ফুলিয়ে চিৎকার করে বলে, ‘শুনুক, উনি আমাদের আত্মীয় না, কুটুম না, তোমার বন্ধুও না। তোমার অফিসের বড়সাহেব।’
‘আমিই তো ওনাকে আসতে বলেছি। একবার নয়, বহুবার বলেছি। যাকে বলে অনুরোধ করেছি। কীভাবে আসতে হবে, পই পই করে ছবি এঁকে রাস্তা চিনিয়ে দিয়েছি। তাই এসেছেন। আমার সঙ্গে উনি বন্ধুর মতোই মেশেন।’
‘মিশলেও মিল হয় না। বন্ধু হয় সমানে সমানে। একজন অনাত্মীয় অত বড়লোক দুম করে বাড়ি এসে রাত কাটিয়ে গেলে তোমার মেয়ের বদনাম হতে পারে, তা তুমি ভেবে দেখেছ। মা থাকলে তা-ও কথা ছিল।’
‘তোর মা মারা গেল তখন তোর বয়স সাত। আজ বারো বছর তোর কোনও জন্মদিনে আমাকে কেক কেনার টাকা দিতে ভোলেননি উনি। তোর কলেজে ভর্তির ওই অতগুলো টাকা উনিই দিয়েছেন। বলেছেন, এটা তোমার বকশিস। অফিসের কাজের জন্য নয়।
মেয়েকে মানুষ করার বকশিস। আমি যে রোজ এই তিন ঘণ্টার পথ ট্রেনে করে অফিস যাই, রোজই তো লেট হয়। উনি কোনওদিন লেট মার্ক দিতে দেননি। ছুটির অনেক আগেই অফিস থেকে বেরিয়ে পড়ি। উনিই বলেন, গোলোক তুমি যাও। বাড়িতে মেয়ে একা। বেরিয়ে পড়ো। সেই মানুষটা নিজে থাকতে চেয়েছে, আর আমি বলব চলে যান। রাতে থাকলে বদনাম হবে? হোক বদনাম। আমি অত পরোয়া করি না। তোদের এত নিচু মন! ছিঃ!’
মেয়ের ঘর থেকে বাইরে এসেই কল্যাণব্রতর মুখোমুখি হলেন গোলোকচন্দ্র। তাঁকে থতমত খেতে দেখে কল্যাণব্রত বললেন, ‘এই যে গোলোক, তোমাকেই খুঁজছিলাম। বুঝলে, আমার রাতে থাকা হবে না। বাড়ি থেকে ফোন এসেছে, আমার মিসেস হঠাৎই অসুস্থ হয়েছে। আমাকে এখনই ফিরে যেতে হবে। কী করব ভাই, ব্যাড লাক। ভেবেছিলাম, বিকেলে তোমাদের গ্রামটাকে ঘুরে দেখব। তোমার মুখে যে ঝিলের গল্প শুনি, যে ঝিলে সাদা বকের হাট বসে যায়, সেই ঝিলটা দেখব। পরিযায়ী পাখিদের দেখব। বিকেল ফুরিয়ে যাওয়ার বেলায় পাখিরা কেমন দল বেঁধে উড়ে গিয়ে নীড়ে ফেরে। খোলা আকাশটাকে দু’চোখ ভরে দেখব। ভেবেছিলাম সূর্যাস্তের সময় নদীর পাড়ে বালুচরে বসে বসে দেখব, সূর্য কেমন একটু একটু করে নদীর জলে ডুবে যায়। তারপর দেখব নদীতে জ্যোৎস্নার ঝিকিমিকি। দেখব, এই শীতের সন্ধেরাতেই তোমাদের গ্রামটা কেমন গুড়িসুড়ি মেরে ঘরের মধ্যে সিঁধিয়ে যায়। ভোরের পাখিরা কেমন সুর করে ডেকে ওঠে। মোরগের ডাক শুনতে শুনতে কুয়াশার চাদর সরিয়ে আলপথ ভেঙে হেঁটে যাব তোমাদের রহমত আলির বাগানে। সদ্য পেড়ে আনা টাটকা খেজুর রস হাড়মাংসে আজও কেমন করে কাঁপন ধরায় দেখব। অনেককাল পরে প্রকৃতিকে একটু ছুঁয়ে দেখার সাধ হয়েছিল। কিন্তু মিসেসের শ্বাসকষ্টটা বেড়েছে। আমি বলেছি, আমি ফিরছি।’ বলেই কল্যাণব্রত দ্রুত পায়ে ঘরে যান। গোলোকচন্দ্র হতবাক হয়ে দাঁড়িয়ে থাকেন। কাঁধে কিড ব্যাগ ঝুলিয়ে বেরিয়ে আসেন কল্যাণব্রত। তিথি ততক্ষণে উঠোনে এসে দাঁড়িয়েছে। কল্যাণব্রত চিবুক ছুঁয়ে বলেন, ‘তোর চোখকে সত্যিই ফাঁকি দিতে পারিনি আমি। তুই ঠিকই ধরেছিস। খেতে বসে আমি সত্যিই কাঁদছিলাম। কিছুতেই চোখের জলকে ধরে রাখতে পারছিলাম না। কেন জানিস? তুই ঠিক আমার মায়ের মতো। বহুযুগ পরে আজ ভাতের মধ্যে মায়ের গন্ধ পেলাম।’
অলংকরণ : সুব্রত মাজী 
01st  September, 2019
ম্যাজিক
ধ্রুব মুখোপাধ্যায় 

নম্বরগুলো মেলানোর পর যে আনন্দটা হয়েছিল, বিশ্বাস করুন, আমি জীবনে অতটা খুশি কোনওদিনও হয়নি। ‘পঞ্চাশ হাজার’ -না, এমনটা নয় যে আমি কোনওদিনও ভাবিনি। আসলে আমি বিগত কুড়ি বছর ধরে এটাই ভেবে এসেছি। আজকে ভাবনাটা সত্যি হল।
বিশদ

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
চন্দ্রগুট্টির দেবী গুত্তেভারা, পর্ব-২৯
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সেবার কোলহাপুর থেকে সৌন্দত্তি গিয়েছিলাম দেবদাসী তীর্থের ইয়েলাম্মাকে দেখতে। ঠিক তার পরের বছরই ওই একই তিথিতে অর্থাৎ মাঘী পূর্ণিমায় কর্ণাটকেরই আর এক দেবী চন্দ্রগুট্টির গুত্তেভারা দেবীকে দর্শন করতে গেলাম। কিন্তু কেন এত জায়গা থাকতে এই সুদূর দেবীতীর্থে আসা? কারণটা বলছি। 
বিশদ

ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৯

বিয়ের বারো বছর বাদে কন্যা সন্তানসম্ভবা হয়েছে জেনে কবি যথেষ্ট আনন্দিত হয়েছিলেন। তিনি তখন আমেরিকায়। তিনি মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনীকে টেলিগ্রাম করে বেলার সাধভক্ষণের ব্যবস্থা করার অনুরোধ জানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয় তিনি বাড়ির খাজাঞ্চি যদু চট্টোপাধ্যায়কে পাঁচশো টাকা এই কারণে মেজ বৌঠানের কাছে পৌঁছে দেওয়ার নির্দেশও দেন। 
বিশদ

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
সৌন্দত্তির দেবী ইয়েলাম্মা, পর্ব-২৮
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

এবার রওনা দেওয়া যাক সুদূর কর্ণাটকের দিকে। এখানে সৌন্দত্তিতে আছেন ভক্তজন বাঞ্ছিতদেবী ইয়েলাম্মা। ইনি হলেন মূলত দেবদাসীদের আরাধ্যা দেবী। প্রতিবছর মাঘীপূর্ণিমা তিথিতে দলে দলে মেয়েরা এই মন্দিরে দেবদাসী হন। 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৮
আবার মৃত্যু, কবি-জীবন থেকে ঝরে যাবে আরও একটি ফুল। কবির জ্যেষ্ঠা কন্যা মাধুরীলতা। ডাকনাম বেলা। কবির বেল ফুল-প্রীতির কথা পরিবারের সবাই জানতেন। সেই ভালোবাসার কথা মাথায় রেখেই কবির মেজ বৌঠান জ্ঞানদানন্দিনী দেবী সদ্যোজাত কন্যার নাম রাখলেন বেলা। রবীন্দ্রনাথ তাঁর এই কন্যাকে নানা নামে ডাকতেন, কখনও বেলা, কখনও বেল, কখনও বেলি, কখনও বা বেলুবুড়ি। 
বিশদ

15th  September, 2019
অবশেষে এল সে
রঞ্জনকুমার মণ্ডল 

ঋজু অফিস থেকে ফিরতেই রণংদেহি মূর্তি নিয়ে সামনে দাঁড়াল রিনি, প্রশ্ন করল, ‘তুমি গতকাল আদিত্যদের বাড়িতে গিয়েছিল?’
একটু থমকে দাঁড়াল ঋজু, জানতে চাইল, ‘তুমি কোন আদিত্যর কথা বলছ? আমার কলিগ?’ 
বিশদ

15th  September, 2019
ছায়া আছে, কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

প্রিন্স দ্বারকানাথ ঠাকুরের পুত্র, ব্রাহ্ম নেতা,আচার্য, দানবীর মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর জীবনের শেষ উইলটি এবার করবেন। তাঁর মন আজকে বড়ই শান্ত, কাকে কী দেবেন তা পূর্ব রাত্রেই ঠিক করে ফেলেছেন। মনে আর কোনও দ্বিধা বা সংশয় নেই। কারণ তিনিও যে তার পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছেন। মৃত্যুর পায়ের শব্দ— দিন ফুরিয়ে এল, এবার ফেরার পালা!
বিশদ

08th  September, 2019
কোলহাপুরের মহালক্ষ্মী - পর্ব-২৭
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

ভারতের মুখ্য দেবীপীঠগুলির মধ্যে করবীর নিবাসিনী মহালক্ষ্মী হলেন অন্যতমা। করবীর বর্তমানে কোলহাপুর নামে খ্যাত। কোলহাপুরং মহাস্থানং যত্র লক্ষ্মী সদা স্থিতা। পঞ্চগঙ্গার দক্ষিণ তীরে অবস্থিত এবং ৫১ (মতান্তরে ৫২) পীঠের অন্তর্গত এই মহাপীঠে সতীর ত্রিনয়ন (ঊর্ধ্বনেত্র) পতিত হয়েছিল। মহারাষ্ট্রের পুনে থেকে আমি কোলহাপুরে গিয়েছিলাম।
বিশদ

08th  September, 2019
তর্পণ
দেবাঞ্জন চক্রবর্তী

রাত শেষ হয়ে এসেছে। এই সময় স্বপ্নটা দেখছিল সমীরণ। স্বপ্ন বলে কোনওভাবেই সেটাকে শনাক্ত করা যাচ্ছে না। অথচ সে স্পষ্ট বুঝতে পারছে— এখন যা ঘটছে তা বাস্তবে ঘটা সম্ভব নয়। বাবা চলে গেছেন আজ পঁচিশ বছর হল। পঁচিশ বছরে বাবার মাত্র একটা স্বপ্ন দেখেছে সে। এই নিয়ে সমীরণের মনের মধ্যে দুঃখও আছে। লোকে নাকি মৃতদের নিয়ে স্বপ্ন দেখে।
বিশদ

08th  September, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়। 
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

২৬
বাজার সরকার শ্যামলাল গঙ্গোপাধ্যায়ের কন্যা, ঠাকুর পরিবারের অন্যতম কৃতী ও গুণবান সন্তান জ্যোতিরিন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্ত্রী কাদম্বরী দেবীর মৃত্যু জোড়াসাঁকোর সেই বিখ্যাত বাড়ির সদস্যদের সম্পর্কের ভিতে বোধহয় চোরা ফাটল ধরিয়ে দিয়েছিল। অনেকেই কাদম্বরী দেবীর মৃত্যুর জন্য তাঁর স্বামীর দিকেই আঙুল তুলতেন। তাঁরা মনে করতেন স্বামীর অবহেলা, কথার খেলাপ অভিমানিনী কাদম্বরী দেবী কিছুতেই মেনে নিতে পারতেন না।  
বিশদ

01st  September, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

২৫
‘কাদম্বিনী মরিয়া প্রমাণ করিল, সে মরে নাই।’ ‘জীবিত ও মৃত’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ছোট গল্প। এখানেও এসেছেন কাদম্বরী দেবী, তবে নিজ নামে নয় কাদম্বিনী নামে। এই গল্পের শেষ অর্থাৎ ক্লাইম্যাক্সে কি হল! শোনাব আপনাদের। ‘কাদম্বিনী আর সহিতে পারিল না; তীব্রকণ্ঠে বলিয়া উঠিল, ‘ ওগো, আমি মরি নাই গো, মরি নাই।  
বিশদ

25th  August, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
পাওয়াগড়ের কালী, পর্ব-২৫
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

‘আদ্যেতে বন্দনা করি হিঙ্গুলার ভবানী। তারপরে বন্দনা করি পাওয়াগড়ের কালী।’ পাওয়াগড় যেতে হলে গুজরাত প্রদেশের বারোদা থেকেই যাত্রা শুরু করতে হবে। বারোদা এখন নাম পাল্টে ভাদোদারা।  
বিশদ

25th  August, 2019
কুঞ্জবিহারী
তরুণ চক্রবর্তী 

‘জানো তো হাটতলার কোণে পান-বিড়ির একটা দোকান দিয়েছে কুঞ্জবিহারী?’
গাঁয়ের বাড়িতে গিয়ে কথাটা শুনে প্রথমে নিজের কানকেই বিশ্বাস করতে পারিনি— অ্যাঁ, ঠিক শুনছি তো?
কথাটা যে ঠিক, এখন দোকানটা থেকে একটু দূরে দাঁড়িয়ে স্বচক্ষেই তা দেখছি আর উপভোগ করছি বিস্ময়ের আনন্দ। 
বিশদ

25th  August, 2019
একনজরে
 ওয়াশিংটন ও হিউস্টন, ২১ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): ‘হাউডি মোদি’ অনুষ্ঠান ঘিরে আমেরিকায় সাজ সাজ রব। মোদি-জ্বরের উন্মাদনায় অন্তিম মুহূর্তের জন্য প্রহর গুনছে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মার্কিন নাগরিকরা। ...

  নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: গত এক সপ্তাহ ধরে মহমেডান স্পোর্টিং মাঠের পরিচর্যা চলছে। কালো-সাদা ব্রিগেডের টেকনিক্যাল ডিরেক্টর দীপেন্দু বিশ্বাসের উদ্যোগে কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষজ্ঞরা এসে মাঠটির হাল ফেরানোর চেষ্টা করছেন। গত এক সপ্তাহর মধ্যে শনিবারই মহমেডান নিজেদের মাঠে অনুশীলন করল। ...

 নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্র বিক্ষোভের জেরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির মধ্যে উপাচার্য-সহ উপাচার্যের অনুপস্থিতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়কে উদ্ধার করতে রাজ্যপাল জগদীপ ধনকার ক্যাম্পাসে যেতে ...

বিএনএ, রায়গঞ্জ: শনিবার দুপুরে রায়গঞ্জের বাহিন গ্রাম পঞ্চায়েতের শঙ্করপুরে জমিতে কাজ করার সময় এক মহিলা শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম লক্ষ্মী দাস(২৫)। মৃতের বাড়ি বাহিনের হাঁটমুনি গ্রামে।  ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বেফাঁস মন্তব্যে বন্ধুর সঙ্গে মনোমালিন্য। সম্পত্তি নিয়ে ভ্রাতৃবিরোধ। সৃষ্টিশীল কাজে আনন্দ। কর্মসূত্রে দূর ভ্রমণের সুযোগ।প্রতিকার— ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৫৩৯: পাঞ্জাবের শহর কর্তারপুরে প্রয়াত গুরু নানক
১৭৯১: ইংরেজ বিজ্ঞানী মাইকেল ফ্যারাডের জন্ম
১৮৮৮: ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক ম্যাগাজিন প্রথম প্রকাশিত
১৯১৫ - নদিয়া পৌরসভার নামকরণ বদল করে করা হয় নবদ্বীপ পৌরসভা
১৯৩৯: প্রথম এভারেস্ট জয়ী মহিলা জুনকো তাবেইয়ের জন্ম
১৯৬২ – নিউজিল্যাণ্ডের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা ধারাভাষ্যকার মার্টিন ক্রোর জন্ম
১৯৬৫: শেষ হল ভারত-পাকি স্তান যুদ্ধ। রাষ্ট্রসংঘের আহ্বানে সাড়া দিয়ে দু’দেশ যুদ্ধ বিরতি ঘোষণা করল
১৯৭০: লেখক শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যু
১৯৭৬: ব্রাজিলের প্রাক্তন ফুটবলার রোনাল্ডোর জন্ম
১৯৮০: ইরান আক্রমণ করল ইরাক
১৯৯৫: নাগারকোভিল স্কুলে বোমা ফেলল শ্রীলঙ্কার বায়ুসেনা। মৃত্যু হয় ৩৪টি শিশুর। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই তামিল
২০১১: ক্রিকেটার মনসুর আলি খান পতৌদির মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৬৯.১৯ টাকা ৭২.৭০ টাকা
পাউন্ড ৮৬.৪৪ টাকা ৯১.১২ টাকা
ইউরো ৭৬.২৬ টাকা ৮০.৩৮ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
21st  September, 2019
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮, ৩৩৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬, ৩৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬, ৯১৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬, ১০০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬, ২০০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৫ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, অষ্টমী ৩৫/৫৪ রাত্রি ৭/৫০। মৃগশিরা ১৫/৪৪ দিবা ১১/৪৬। সূ উ ৫/২৮/৪০, অ ৫/৩০/৩৮, অমৃতযোগ দিবা ৬/১৬ গতে ৮/৪১ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৭ মধ্যে। রাত্রি ৭/৫৫ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ১/২৯ মধ্যে পুনঃ ২/১৭ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ৯/৫৯ গতে ১/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১২/৫৯ গতে ২/২৯ মধ্যে।
৪ আশ্বিন ১৪২৬, ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৯, রবিবার, অষ্টমী ২৩/৭/৩২ দিবা ২/৪৩/৩১। মৃগশিরা ৬/৫২/৫৬ দিবা ৮/১৩/৪০, সূ উ ৫/২৮/৩০, অ ৫/৩২/৩০, অমৃতযোগ দিবা ৬/২০ গতে ৮/৪১ মধ্যে ও ১১/৪৭ গতে ২/৫৪ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/৪২ গতে ৯/২১ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ১/২৭ মধ্যে ও ২/১৭ গতে ৫/২৯ মধ্যে, বারবেলা ১০/০/০ গতে ১১/৩০/৩০ মধ্যে, কালবেলা ১১/৩০/৩০ গতে ১/১/০ মধ্যে, কালরাত্রি ১/০/০ গতে ১১/৩০/৩০ মধ্যে।
 ২২ মহরম

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
টি ২০: ভারত ৭৬/৩ (১০ ওভার) 

07:47:17 PM

টি ২০: ভারত ৪১/১ (৫ ওভার) 

07:30:18 PM

পূর্ব মেদিনীপুরের রামনগরে বাসের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু, জখম ১ 

06:59:00 PM

তৃতীয় টি ২০: টসে জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত ভারতের 

06:42:49 PM

মালদহে বজ্রাঘাতে তিনজনের মৃত্যু
রবিবার দুপুরে মালদহের পরানপুর চুনাখালী মাঠে বাজ পড়ে তিনজনের মৃত্যু ...বিশদ

04:09:46 PM

রায়গঞ্জে ব্যাপক বৃষ্টি 

03:42:00 PM