Bartaman Patrika
গল্পের পাতা
 

পুণ্য ভূমির পুণ্য ধূলোয়
দেবী সপ্তশৃঙ্গী, পর্ব-২৬
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়  

সহ্যাদ্রি পর্বতে দেবী সপ্তশৃঙ্গীর বাস। তাই এবারে আসা যাক সহ্যাদ্রি পর্বতমালার বুকে নাসিকের সপ্তশৃঙ্গীতে। এর উচ্চতা ৫ হাজার ২৫০ ফুট। কাজেই স্থানটি শীতল ও রমণীয়।
এই তীর্থদর্শনে এলে প্রথমেই আসতে হবে নাসিকে। সত্যযুগে ভগবান ব্রহ্মা এই নাসিকে পদ্মাসনে বসে সৃষ্টি চিন্তা করেছিলেন, তাই এর নাম ‘পদ্মনগর’। ত্রেতাযুগে ঘন অরণ্য পরিবেষ্টিত এই নাসিকে খর, দূষণ এবং ত্রিশির নামক রাক্ষসের বিচরণ ভূমি ছিল, তাই এর নাম হয়েছিল ‘ত্রিকণ্টক’। জনকরাজা এখানে অনেক যজ্ঞ করেছিলেন বলে দ্বাপরে এর নাম হয়েছিল ‘জনস্থান’। কিন্তু কলিযুগের মানুষের কাছে লক্ষ্মণ কর্তৃক শূর্পণখার নাসিকা ছেদন কারণে এই স্থান নাসিক নামেই পরিচিত।
নাসিকে এসে আমি পঞ্চবটীতে সিন্ধানিয়া ধর্মশালায় উঠেছিলাম। নাসিক এবং পঞ্চবটী একই শহর হলেও গোদাবরী নদী এই শহরটিকে দু’ভাগে ভাগ করেছে। গোদাবরীতে স্নান ও সপ্তশৃঙ্গী দর্শনের অভিলাষে এই শহরে আমি দু’বার এসেছিলাম।
ধর্মশালার খুব কাছেই বাস স্ট্যান্ড। সেখান থেকে সপ্তশৃঙ্গী যাওয়ার বাস পাওয়া যায়। সেই বাস অবশ্য সপ্তশৃঙ্গী যায় না। এই বাসে নান্দুরি পর্যন্ত গিয়ে বাস বদল করতে হয়। ভাগ্য ভালো যে স্ট্যান্ডে যাওয়ামাত্রই সিবিএসের একটি বাস পাওয়া গেল।
মিনিট পাঁচেকের মধ্যেই ছাড়ল বাস। পথের দূরত্ব ৪৮ কিমি। পথে দিন্দুরি ও ওনি নামে দু’জায়গায় বাস থামল। তারপর ঘণ্টা দুয়েকের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম চানবরগাঁও তালুকের সপ্তশৃঙ্গীর পাদদেশে নান্দুরিতে। সেখান থেকে অন্য বাসে সপ্তশৃঙ্গী।
প্রথমেই এখানকার একটি ধর্মশালায় আশ্রয় নিলাম। ঘন পর্বতমালায় শোভিত এই পুণ্যক্ষেত্রে এসে আনন্দে নন্দিত হয়ে উঠলাম। এবার যাত্রীসাধারণের জ্ঞানার্থে বলি, আমি কিন্তু নান্দুরি থেকে সরাসরি বাসে আসিনি। এসেছিলাম এক দুর্গম পন্থায় রোদনতুণ্ড হয়ে। পরবর্তীকালে বাসে এসেছিলাম। আমারই লেখা দশমাতৃকা তীর্থে এই ব্যাপারে বিশদ আছে।
যাই হোক, ধর্মশালাকে ঘিরে সমস্ত মন্দির প্রাঙ্গণ পূজাসামগ্রী ও অন্যান্য দোকানপত্তরে ঘেরা। এই জায়গা থেকে আরও উচ্চস্থানে দেবীর গুহামন্দির। মন্দিরে ওঠার সিঁড়ির মুখে তোরণ। একটি বিশাল শৃঙ্গ এখানে দেওয়ালের মতো খাড়া। তারই এক চতুর্থাংশ উচ্চতায় দেবীর মন্দির। সেই পর্বতগাত্রে অসংখ্য গুহা। সেই গুহায় পেচক ও অন্যান্য নিশাচর পক্ষীদের বাস। এখানে মায়ের মন্দির পর্যন্ত লোহার রেলিং দিয়ে ঘেরা সিঁড়ির ব্যবস্থা আছে। পেশোয়ার সর্দার খাণ্ডেরাও দাবাড়ের স্ত্রী উমাবাঈ দাবাড়ে ৪৭২টি ধাপযুক্ত এই সিঁড়ি ১৭১০ সালে তৈরি করে দিয়েছিলেন।
আমি দর্শনের জন্য শুদ্ধবস্ত্রে পূজার ডালি নিয়ে সিঁড়িভাঙা শুরু করলাম। খানিক ওঠার পর ‘রাম কা টপ্পা’ পড়ল। কথিত আছে, রামচন্দ্র বনবাস কালে লক্ষ্মণ ও সীতা সহ সপ্তশৃঙ্গী দর্শনে এসে এখানে বিশ্রাম করেছিলেন। ‘রাম কা টপ্পা’ পেরিয়ে যখন মূল মন্দিরে গেলাম তখনই দর্শন মিলল সপ্তশৃঙ্গী দেবীর। একটি ১৮ ফুট গুহাকে কেন্দ্র করে এই মন্দির। মন্দিরের ভেতর ৮ ফুট উঁচু দেবীর মূর্তি। রণসজ্জায় সজ্জিতা দেবী বামদিকে ঘাড় কাত করে আছেন। শান্ত সিঁদুর রঞ্জিত মূর্তি তাঁর। রক্তবর্ণ চোখ। আঠারোভুজা দেবী। তাঁর দক্ষিণ হস্তে মণিমালা, পদ্ম, বাণ, তরবারি, বজ্র, চক্র, ত্রিশূল ও কুড়ুল। বাম হস্তে শঙ্খ, ঘণ্টা, পাশা, গদা, দণ্ড, ঢাল, ধনুক, পানপাত্র ও কমণ্ডলু।
ভাগ্যক্রমে আমি গিয়ে পড়েছিলাম দেবীর অভিষেক মুহূর্তে। এখানকার পাণ্ডারা খুব ভালো। বিশেষ করে বাঙালি যাত্রী দেখে খুব খুশি। নাটমন্দিরে তখন অনক যাত্রী বসে আছেন। পাণ্ডারা আমাকে সকলের সামনের সারিতে বসিয়ে দিলেন।
অভিষেক পর্ব আরম্ভ হল। দীর্ঘ এক ঘণ্টা ধরে চলল সেই অভিষেক পর্ব। প্রথমে জল দিয়ে দেবীর মুখ প্রক্ষালন। তারপর দুধে স্নান। এবার দেবীর সর্বাঙ্গে দধি মর্দন করে রাশি রাশি ঘি, মধু, এবং চিনি লেপন করা হল। তারপর ঘড়া ঘড়া জলে দেবীর স্নান। এরও পরে দুটি বালতিতে মেটেসিঁদুর গুলে দেবীর সর্বাঙ্গে মাখাতে লাগলেন পাণ্ডারা। পরে কাজল দিয়ে চোখ এঁকে চক্ষুদান করানো হল। সব শেষে বস্ত্র পরিধান।
এবার মন্ত্রধ্বনি সহকারে শুরু হল আরতি। আরতির পর পুজোপাঠ ও প্রসাদ বিতরণ।
এবার সপ্তশৃঙ্গী দেবীর একটু পরিচয় দেওয়া যাক। ইনিও ৫২ পীঠের অন্তর্গত এক দেবী। তবে সতীদেহের কোন অংশটি এখানে পড়েছিল তা সঠিকভাবে কেউ বলতে পারলেন না। দেবী ভাগবতে আছে সপ্তশৃঙ্গী মহারাষ্ট্রের সাড়ে তিন পীঠের এক দেবী। সপ্তশৃঙ্গী সাড়ে তিন পীঠের অর্ধপীঠ। ইনিও ত্রিগুণাত্মিকা দেবী।
এই অঞ্চলে সহ্যাদ্রি শিখরে সাতটি শৃঙ্গ। এগুলি ভীষণাকৃতি ও অসম সদৃশ। তার কারণ হনুমান যখন গন্ধমাদনকে বয়ে নিয়ে যান তখন সেই পাহাড়ের বিশাল বিশাল অংশগুলির এক একটি অংশ সহ্যাদ্রি পর্বতের সাতটি স্থানে পড়ে। তাই এই পাহাড়ের সাতটি শৃঙ্গ। এই সাতটি শিখরে সাত দেবী আছেন। তাঁদের বলা হয় সপ্ত দুর্গা। যেমন— ইন্দ্রাণী, কার্তিকেয়ী, বারাহী, বৈষ্ণবী, শিবা, চামুণ্ডী ও ন্যায়সিংহী। এই সাত দেবীর অনুরোধে সপ্তশৃঙ্গী এই পর্বতের সর্বোচ্চ শিখরে বিরাজ করছেন।
মার্কণ্ডেয় মুনি এই পর্বতেই তপস্যা করতেন। তিনিই স্বপ্নাদেশে দেবীকে এখানে প্রতিষ্ঠা করেন। সপ্তশৃঙ্গী হলেন দেবী চণ্ডিকার অন্য রূপ। মহিষাসুর বধের সংবাদ পেয়ে ভীমাসুর পাতাল ফুঁড়ে বেরিয়ে এসে এখানে প্রচণ্ড উপদ্রব শুরু করলে দেবী আঠারোভুজা হয়ে এখানেই তাকে বধ করেন।
কালক্রমে মার্কণ্ডেয় মুনির স্থাপনা করা এই মূর্তিটি জঙ্গলের গভীরে ঢাকা পড়ে যায়। বহুকাল পরে একবার এক মেষপালক মেষ চরাতে এসে এই পাহাড়ের বিশাল গুহায় একটি মৌচাক দেখে লুব্ধ হয়। একদিন গোপনে একাকী সেটি ভাঙতে এসেই চক্ষুস্থির। দেখল মৌচাক থেকে মধুর বদলে গল গল করে গোলা সিঁদুর বেরিয়ে আসছে। তাই দেখে সে ভয়ে পালিয়ে এসে গ্রামে খবর দেয়। মেষপালকের কথা শুনে গ্রামবাসীরা এসে মৌমাছি সরিয়ে চাক ভাঙতেই বেরিয়ে পড়ল দেবীর মূর্তি। গ্রামবাসীরা সবাই জানতেন সপ্তশৃঙ্গীর কথা। কিন্তু দেবী ঠিক কোনখানে অবস্থান করছেন তা কেউ জানতেন না। এবার মূর্তি আবিষ্কারের পর থেকেই শুরু হল নিয়ম করে সপ্তশৃঙ্গী দেবীর পূজার্চনা। এখন আমরা দলে দলে সেই দেবীকে দর্শন করে ধন্য হচ্ছি।
(ক্রমশ)
অলংকরণ : সোমনাথ পাল 
01st  September, 2019
বীরবল
তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাদশাহের মর্জিতেই তাকে নামানো হয়েছে লড়াইতে, কিন্তু তাকে কিছুতেই বাগ মানাতে পারছে না তার পিলবান। কিছুক্ষণের মধ্যেই সে প্রতিদ্বন্দ্বী হাতিকে ছেড়ে তাড়া করল এক জওয়ান লেড়কা দর্শককে, সেই লেড়কা দ্রুত পালিয়ে ঢুকে গেল আম-আদমির ভিড়ের মধ্যে। হাতিটা তখন দূর থেকে দেখছে বীরবরের লাল বেনিয়ান পরা চেহারাটা। বিশদ

17th  November, 2019
 বন্ধুত্ব
তপনকুমার দাস

দীনবন্ধুর যে ক’জন বন্ধু ছিল, তাদের সবাই প্রায় হারিয়ে গেছে। কলেজবেলার পর চাকরিবেলার শুরুতেই হারানোর পালা শুরু হতে হতে সংসারবেলায় পৌঁছে একেবারে ফেড আউট হয়ে গেছিল যাবতীয় বন্ধুত্ব। একে অপরকে ভুলে যেতে যেতে একসময় গল্পের উঠোনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল সব বন্ধুত্ব।
বিশদ

17th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
পুষ্করের সাবিত্রী মা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

পর্ব-৩৫

রাজস্থান ভ্রমণে এসে পুষ্কর তীর্থে স্নান করে ভারতের একমাত্র ব্রহ্মা মন্দিরে পুজো দিয়ে সাবিত্রী পাহাড়ে সাবিত্রী মাতাকে দর্শন করেন না এমন যাত্রী নেই বললেই চলে।
আজমির থেকে পুষ্করের দূরত্ব ১১ কিমি।  
বিশদ

10th  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়  

৩৫

ঔপন্যাসিক উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায়। ১৩৩৪ বঙ্গাব্দের আষাঢ় মাসে ‘বিচিত্রা’ পত্রিকা প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সঙ্গে শুরু হল এক নতুন যুগের। জন্ম হল উপেন্দ্রনাথ গঙ্গোপাধ্যায় নামে এক স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠানের। সম্পর্কে তিনি ছিলেন কথা সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মামা।   বিশদ

10th  November, 2019
সম্পর্ক
সম্পন্ন চৌধুরী 

রাত প্রায় বারোটা
মুষলধারে বৃষ্টি হয়েই চলেছে। থামার কোনও লক্ষণই যেন নেই। কিন্তু গরমটা কিছুতেই যেন কমছে না। মানে বৃষ্টিটা আরও হবে। গোটা বাড়িটাই প্রায় জলে ভরে গেছে। ঘরের ভিতরেও জল ঢুকবে ঢুকবে করছে। 
বিশদ

10th  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
দেশনোকের করণীমাতা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

পর্ব-৩৪

দেশনোকের করণীমাতার প্রসঙ্গে এবার আসা যাক। ইনি রাজস্থানের মরু অঞ্চলে রাজ পরিবারের আরাধ্যা দেবী। করণীমাতার মন্দির হচ্ছে পৃথিবীবিখ্যাত মন্দির, অসংখ্য ইঁদুরের জন্য এই মন্দির ‘চুহা মন্দির’ নামে প্রসিদ্ধ। সেবার রাজস্থান ভ্রমণের সময় মুলতানি ঘাঁটির কোলায়েতে গিয়েছিলাম কপিলমুনির মন্দির ও পবিত্র সরোবর দেখতে।  
বিশদ

03rd  November, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায় 

৩৪

সংসার সুখের হয় রমণীর গুণে। জমে উঠল বন্দ্যোপাধ্যায় দম্পতির সুখের সংসার। আর সেই দৃশ্য দেখে বিধাতা বোধহয় একটু মুচকি হেসেছিলেন, হয়তো মনে মনে বলেছিলেন, বিভূতিভূষণ, সুখ নয় , তোমাকে আমি পৃথিবীতে পাঠিয়েছি সৃষ্টি করার জন্য, সুখভোগের অধিকারী তুমি নও!  
বিশদ

03rd  November, 2019
পরম্পরা
বিনতা রায়চৌধুরী 

প্রাণগোপাল সরকার জমিদার না হলেও গ্রামের একজন অত্যন্ত সম্পন্ন গৃহস্থ। বিঘের পর বিঘে জমিতে তাঁর ধান চাষ হয়। ধান-চালের ব্যবসায়ে প্রাণগোপাল সবদিক থেকেই সার্থক। তারসঙ্গে সে সৎ-ও। তাঁর অধীনস্থ কোনও কর্মচারীকে সে ঠকায় না।  
বিশদ

03rd  November, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
সিদ্ধপীঠ রাজরপ্পা
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 এবার ছিন্নমস্তা দেবীর কথা বলি। দশমহাবিদ্যার ভয়ঙ্করী রূপের প্রকাশ ছিন্নমস্তায়। এটি হল মহাদেবীর অন্তর্মুখী রূপ। এঁর স্বরূপ অনুধাবন করার শক্তি একমাত্র সাধকের পক্ষেই সম্ভব। ছিন্নশির হয়েও ইনি জীবিত থাকেন। চতুর্দিকে এঁর বসন। অর্থাৎ ইনি দিগবসনা। বিশদ

27th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 কিন্তু সুখ দীর্ঘস্থায়ী নয়। পঞ্চাননবাবু মারা যাওয়ার আগে জাহ্নবীদেবী এক কন্যা সন্তানের মাতা হন। কিন্তু পিতার অকাল মৃত্যুর দায় বহন করতে হয়েছিল সদ্যোজাত সেই কন্যা সন্তানকে। তাকে চট পেতে শুইয়ে রাখা হতো বাড়ির বাইরের নারকেল গাছের তলায়। স্বভাব কবি বিভূতিভূষণকে নাড়িয়ে দিয়েছিল এই দৃশ্য। বিশদ

27th  October, 2019
ঝাঁপ
পার্থ বন্দ্যোপাধ্যায়

 বাবলু তিনতলার ছাদ থেকে দূরের চার্চের ঘড়িটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘড়ির কাঁটা ঘুরে চলেছে। সেকেন্ডের কাঁটা ঘুরে ঘুরে বারোটার কাছে যাচ্ছে। আর কয়েকটা মুহূর্ত। তারপর-ই বাবলু ঝাঁপ দেবে। নিজেকে ছিন্নভিন্ন করে শেষ করে দেবে। এখন ছাদের এক কোণায় এসে ও দাঁড়িয়েছে। এখানটাতে রেলিং নেই।
বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়

 নদীর বালুচরে পথ চলতে চলতে হঠাৎই একটি বালি সংগ্রহকারী লরি এসে পড়ায় আমরা তারই সাহায্যে এগিয়ে গেলাম অনেকটা পথ। এইভাবে বিশেষ একটি জায়গায় যাওয়ার পর যেখানে লরি থেকে নামলাম সেখান থেকে একই নদী-কাঠের গুঁড়ির সাঁকোয় কতবার যে পার হলাম তার ঠিক নেই। বিশদ

20th  October, 2019
ছায়া আছে কায়া নেই
অপূর্ব চট্টোপাধ্যায়

 এই দাম্পত্য জীবন কিন্তু মোটেই দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। ঠিক ষোলো মাসের মাথায় পুজোর পর পরই একই দিনে আগে মা কামিনী দেবী এবং তার কিছুক্ষণ পরেই চলে গেলেন মেয়ে গৌরী দেবী। মহামারীর আকারে সেবার বাংলায় প্রবেশ করেছিল ইনফ্লুয়েঞ্জার মতো এক জ্বর। সেই জ্বরে কিছুক্ষণের তফাতে একই পরিবার থেকে অকালে ঝরে গেল দুটি প্রাণ। বিশদ

20th  October, 2019
পুণ্য ভূমির পুণ্য ধুলোয়
মণিকূটের বিগ্রহ, পর্ব-৩১
ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায় 

তিব্বতের লোহিত সরোবর থেকে বয়ে আসা সাংমা (ব্রহ্মপুত্র) নদের তীরে পাহাড় নদী ও নানা দেব-দেবীর মন্দিরে ভরা এক অন্য তীর্থভূমির কথা এবার বলব। তার কারণ স্থানটি গুয়াহাটি শহর থেকে মাত্র ৩২ কিমি দূরে— হাজো। এটি হল নানা ধর্মসমন্বয়ের ক্ষেত্র। অনেকেই কিন্তু এই স্থানটির সম্বন্ধে পরিচিত নন। 
বিশদ

13th  October, 2019
একনজরে
 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...

 ওয়াশিংটন, ১৯ নভেম্বর (পিটিআই): এক মার্কিন তরুণীকে যৌন নিগ্রহ করার অভিযোগ উঠল ৩৫ বছর বয়সি এক ভারতীয়ের বিরুদ্ধে। আফগানিস্তানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীতে কন্ট্রাক্টর হিসেবে কাজ করার সময় ওই মহিলাকে যৌন নিগ্রহ করা হয় বলে অভিযোগ। ...

বিএনএ, জলপাইগুড়ি: ব্যারাকপুরে একটি খুনের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে জলপাইগুড়ি শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হল একজনকে। মঙ্গলবার পিন্টু শর্মা নামে ওই অভিযুক্তকে জলপাইগুড়ি মুখ্য বিচারবিভাগীয় আদালতে তোলা হয়।  ...

সুজিত ভৌমিক, কলকাতা: সাট্টা ডন রশিদ খানের সঙ্গী তথা বউবাজার বিস্ফোরণ মামলায় টাডা আইনে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি মহম্মদ খালিদের আর্জি খারিজ করে দিল লালবাজার। খালিদ ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

বিদ্যায় অধিক পরিশ্রম করতে হবে। ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তির পক্ষে দিনটি শুভ। প্রেম-প্রীতিতে আগ্রহ বাড়বে। নতুন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম
১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের মৃত্যু
১৯১৭- কলকাতায় প্রতিষ্ঠা হল বোস রিসার্চ ইনস্টিটিউট
১৯৫৫- নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ভারতের পক্ষে টেস্টে প্রথম দ্বিশতরান করলেন পলি উমরিগড় 





ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৩৪ টাকা ৭৩.৫০ টাকা
পাউন্ড ৯১.০২ টাকা ৯৫.৪১ টাকা
ইউরো ৭৭.৮১ টাকা ৮১.৫৫ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৭৫৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৭৭০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,৩২০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৫,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৫,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, অষ্টমী ১৯/২৩ দিবা ১/৪১। মঘা ৩৫/২১ রাত্রি ৮/৪। সূ উ ৫/৫৬/৪, অ ৪/৪৮/১০, অমৃতযোগ দিবা ৬/৪০ মধ্যে পুনঃ ৭/২৩ গতে ৮/৬ মধ্যে পুনঃ ১০/১৭ গতে ১২/২৮ মধ্যে। রাত্রি ৫/৪১ গতে ৬/৩৩ মধ্যে পুনঃ ৮/১৯ গতে ৩/১৯ মধ্যে, বারবেলা ৮/৪০ গতে ১০/১ মধ্যে পুনঃ ১১/২২ গতে ১২/৪৪ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৩৯ গতে ৪/১৮ মধ্যে। 
৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬, ২০ নভেম্বর ২০১৯, বুধবার, অষ্টমী ১৪/২/৪২ দিবা ১১/৩৫/৪। মঘা ৩২/১৪/২৪ রাত্রি ৬/৫১/৪৫, সূ উ ৫/৫৭/৫৯, অ ৪/৪৮/৯, অমৃতযোগ দিবা ৬/৫১ মধ্যে ও ৭/৩৪ গতে ৮/১৬ মধ্যে ও ১০/২৪ গতে ১২/৩২ মধ্যে এবং রাত্রি ৫/৪১ গতে ৬/৩৪ মধ্যে ও ৮/২১ গতে ৩/২৮ মধ্যে, বারবেলা ১১/২৩/৬ গতে ১২/৪৪/২২ মধ্যে, কালবেলা ৮/৪০/৩২ গতে ১০/১/৪৯ মধ্যে, কালরাত্রি ২/৪০/৩২ গতে ৪/১৯/১৬ মধ্যে।  
২২ রবিয়ল আউয়ল 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
এবার মাসুল বাড়ানোর পথে জিও
এয়ারটেল ও ভোডাফোনের পর এবার মাসুল বাড়ানোর কথা ঘোষণা করল ...বিশদ

09:07:22 AM

রাস্তায় নেচে ট্রাফিক আইন বোঝান যুবতী 
ইন্দোরের বিভিন্ন ব্যস্ততম রাস্তায় একটি অভিনব ঘটনায় একবার হলেও থমকে ...বিশদ

09:00:00 AM

মহাকাশ থেকে নজরদারি, আগামী ২৫ নভেম্বর উপগ্রহ উৎক্ষেপণ ইসরোর
মহাকাশ থেকে নজরদারি চালাতে তৃতীয় প্রজন্মের আর্থ অবজার্ভেশন কৃত্রিম উপগ্রহ ...বিশদ

08:54:26 AM

মদ্যপ ছেলেকে খুন করল পরিবারের সদস্যরা
দাতিয়া (মধ্যপ্রদেশ), ১৯ নভেম্বর: মধ্যপ্রদেশের দাতিয়া জেলায় এক পরিবারের চার ...বিশদ

08:50:00 AM

ইতিহাসে আজকের দিনে
১৭৫০- মহীশূরের শাসক টিপু সুলতানের জন্ম১৯১০- রুশ সাহিত্যিক লিও তলস্তয়ের ...বিশদ

08:25:26 AM

আজকের রাশিফল 
মেষ: ব্যবসায় যুক্ত ব্যক্তির পক্ষে দিনটি শুভ। বৃষ: কর্মক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন ...বিশদ

08:02:30 AM