Bartaman Patrika
হ য ব র ল
 

যদি ফিরে আসে ডাইনোসর 

প্রায় ২৩ কোটি বছর আগের কথা। তখন পৃথিবীতে মানুষ ছিল না। সারা পৃথিবী ছিল জঙ্গলে ঘেরা! অরণ্য তখন এতই ঘন ছিল যে সূর্যের আলোও মাটিতে পৌঁছত না। এছাড়া ছিল দুর্গম পাহাড়, জলাভূমি, আগ্নেয়গিরি!
আর সেই সবুজ বনরাজিতে, পাহাড়ে দাপিয়ে বেড়াত কিম্ভূতকিমাকার সরীসৃপের বিশেষ প্রজাতি! আর তাদের বলা হতো ডাইনোসর!
তোমরা নিশ্চয়ই এতদিনে ডাইনোসরদের নিয়ে বানানো সেরা ছবিগুলো দেখে ফেলেছ? না দেখে থাকলে অতি অবশ্যই দেখে নাও— জুরাসিক পার্ক (১৯৯৩), দ্য লস্ট ওয়ার্ল্ড: জুরাসিক পার্ক (১৯৯৭), জুরাসিক পার্ক -৩ (২০০১), জুরাসিক ওয়ার্ল্ড (২০১৫), জুরাসিক ওয়ার্ল্ড ফলেন কিংডোম (২০১৮)। বেশ অবাক করা ব্যাপার নয়? সবকটি ছবির সঙ্গে একটা শব্দ আছেই। আর তা হল— ‘জুরাসিক’। আসলে আবির্ভাবের পর ডাইনোসররা মোটামুটি ১৬ কোটি বছর ধরে পৃথিবী দাপিয়ে বেড়িয়েছিল। এই ১৬ কোটি বছরকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। ট্রায়াসিক, জুরাসিক ও ক্রিটাসিয়াস। ট্রায়াসিক যুগে কিছু উভচর প্রাণীরা জল থেকে উঠে আসে ও পাকাপাকি ভাবে ডাঙায় বসবাস করতে শুরু করে। এরা ছিল আকারে ছোট। তবে এই যুগের শেষের দিকে বেশ কিছু লম্বা ডাইনোসরের দেখা মিলতে থাকে।
এরপর আসে জুরাসিক যুগ। এই সময়কাল হল বড় বড় ডাইনোসরদের। হিংস্র, মাংশাসী আর দানবাকৃতি ডাইনোসরদের সংখ্যা বাড়তে থাকে।
জুরাসিক যুগের পর আসে ক্রিটাসিয়াস যুগ। এই সময়ে তৃণভোজী ডাইনোসরদেরও দেখা মিলতে থাকে। এরপর কোনও এক কারণে ডাইনোসররা পৃথিবী থেকে অবলুপ্ত হয়ে যায়।
তবে অবলুপ্ত হয়ে গিয়েছে বলেই যে নিশ্চিন্তে বসে থাকা যাবে এমন নয়। ডাইনোসরদের নিয়ে তৈরি ছবিগুলো তোমরা কেউ কেউ নিশ্চয়ই দেখেছ? সেখানে দেখানো হয়েছে পরীক্ষাগারে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং-এর সাহায্যে ডাইনোসর তৈরি করা হচ্ছে।
প্রশ্ন হল কী এই জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং?
খুব সহজে বললে, এক কোষ থেকে নির্দিষ্ট জিন নিয়ে অন্য কোষে পুরে দেওয়া। এইভাবে উন্নত কোষ তৈরি করা। এবার প্রশ্ন হল জিন কী? এই প্রশ্নের উত্তরও সোজাভাবেই দিতে হবে। জিন হল কোষে থাকা একক। জিনের মধ্যেই লুকিয়ে থাকে আমার স্বভাব, গায়ের রং, চুলের রং ইত্যাদির রহস্য।
যাইহোক, মোট কথা পরীক্ষাগারে এভাবে উন্নত প্রাণী এবং উদ্ভিদ তৈরি করা যায়। শোনা যাচ্ছে, কিছু কিছু দেশে বিজ্ঞানীরা নাকি এমন হারিয়ে যাওয়া জীবদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন। কিন্তু তার জন্য দরকার পড়বে হারিয়ে যাওয়া জীবটির রক্ত। এমনকী শরীরের বিশেষ কিছু অংশ হলেও চলবে যেখান থেকে ওই প্রাণীটির জিনগত বৈশিষ্ট্যগুলি মিলবে।
এভাবে নাকি হাতির পূর্বপুরুষ ম্যামথদের ফিরিয়ে আনার চেষ্টাও চলছে। কিন্তু কিছু বিজ্ঞানীদের দাবি, ডাইনোসররা ম্যামথের চাইতেও বেশি পুরনো যুগের। ফলে ডাইনোসরের দেহের অংশবিশেষ মিললেও, তাদের পরীক্ষাগারে গবেষণা করেও ফিরিয়ে আনা যাবে না।
তবে বিজ্ঞান যেভাবে উন্নতি ঘটাচ্ছে তাতে ডাইনোসরদের ফিরিয়ে আনা খুব অসম্ভব কিছু নয়। কারণ কুমির, পাখি এরা সব ডাইনোসরদেরই প্রজাতি। ফলে পরীক্ষাগারে এইসব প্রাণীদের জিনে পরিবর্তন ঘটিয়ে ফের ডাইনোসরের মতো প্রাণী তৈরি করা অসম্ভব কিছু নয়!
আর এমন হলে কিন্তু বেশ মুশকিল। কারণ তখন রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়াবে বড় বড় ডাইনোসর! বাড়ির বাইরে বেরনো কঠিন হয়ে যাবে! তাছাড়া কোন ডাইনোসরের কী নাম তাও তো আমরা জানি না। বিজ্ঞানীরা বলছেন প্রায় ৭০০ রকমের ডাইনোসর ছিল সেই সময়। আমরা তো অত ধরনের ডাইনোসরের নামও মনে রাখতে পারব না। তবে মোটামুটি ৯ থেকে ১০ ধরনের প্রধান ডাইনোসরদের চিনে রাখা দরকার। অন্তত, রাস্তায় হঠাৎ করে ডাইনোসরের সঙ্গে মোলাকাত হলে মোকাবিলা করা যাবে।
টাইরানোসরাস
ক্রিটাসিয়াস যুগের শেষের দিকে এই দানবাকৃতি ডাইনোসরদের আবির্ভাব ঘটেছিল বলে মনে করা হয়। এদের টি রেক্স নামেও ডাকা হয়। খুনে প্রকৃতির এই ডাইনোসর ছিল মারাত্মক হিংস্র। সর্বক্ষণ শিকার ধরা ছিল টাইরানোসরাসের নেশার মতো। ছোট ছোট তৃণভোজী ডাইনোসরদের শিকার করত এই ডাইনোসর। প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট উচ্চতাবিশিষ্ট ডাইনোসরটি প্রতি ঘণ্টায় ৪০ কিলোমিটার বেগে দৌড়তে পারত। ফলে এই ডাইনোসরের সামনে হঠাৎ পড়ে গেলে টুক করে লুকিয়ে পড়াই ভালো।
সরোপডস
বিশাল বপু, বিরাট লম্বা গলা, লম্বা লেজ আর হাতির মতো চারটি পা, এই হল সরোপডসের আকার। ট্রায়াসিক যুগের শেষের দিকে তৃণভোজী এই প্রাণীগুলির আবির্ভাব হতে শুরু করে। জুরাসিক যুগে এই প্রাণীগুলি বহুসংখ্যায় বংশবিস্তার করে। মাটি থেকে এই ডাইনোসরের উচ্চতা প্রায় ৪০ ফুট অবধি হতো। তবে এই ডাইনোসরের গতি মোটেই বেশি ছিল না। প্রতি ঘণ্টায় ২ কিলোমিটারের কিছু বেশি বেগে হাঁটতে পারত। কিন্তু মুশকিল একটাই, বাড়ির ছাদের টবে গোলাপ গাছ লাগালে এই ডাইনোসর মুড়িয়ে খেয়ে নিতে পারে!
সেরাটোপসিয়ান
এই ডাইনোসরটিকে দেখে গণ্ডারের কথা মনে পড়ে যেতে পারে। কারণ এই ডাইনোসরটির মাথায় রয়েছে হর্ন বা খড়্গ! মোটামুটি একটা ছোটখাট মোটরগাড়ির আকারের চতুষ্পদ ডাইনোসরের প্রজাতিটি ছিল তৃণভোজী। ট্রাইসেরাটপস, পেন্টাসেরাটপস হল এই গোত্রের ডাইনোসর।
র‌্যাপটর
ক্রিটাসিয়াস যুগের শেষদিকে এই পাখির মতো দেখতে ডাইনোসরগুলির আবির্ভাব ঘটে। র‌্যাপটর গোত্রের ডাইনোসরদের আকার বিভিন্ন রকম হতো। তবে মোটামুটি ভাবে একটা টার্কি পাখির মতো আকারে ছিল বলে মনে করা হয়। এই গোত্রের ডাইনোসর ছিল মাংশাসী। এদের সামনের হাত দুটি ছিল পাখনার মতো পালকে ঢাকা। গায়েও পালক ছিল। এছাড়া লেজের অংশেও পালক থাকত। এরা রাতে শিকার ধরতে ভালোবাসত।
অ্যাংকিলোসরাস
ঠিক যেন শিরস্ত্রাণ আর বর্ম পরা সৈনিক! আর লেজটি যেন মুগুর! চারপেয়ে এই ডাইনোসরের চেহারা এমনই। সারা দেহে ছোট ছোট হাড়ের উপবৃদ্ধি! এরা ফলমূল আর পাতা খেয়ে জীবনধারণ করত। প্রায় ৬ মিটার দৈর্ঘ্যের এই প্রাণীটিকে বড় মাংশাসী ডাইনোসররা চাইলেই মারতে পারত না। কারণ এদের চামড়া ছিল বেশ মোটা। এছাড়া মুগুরের মতো লেজ দিয়ে আঘাত করতেও এরা বেশ পটু ছিল। ক্রিটাসিয়াস যুগের শেষের দিকে এদের আবির্ভাব ঘটেছিল বলে মনে করা হয়।
হাড্রোসরাস
পেটমোটা এই ডাইনোসরের দৈর্ঘ্য ছিল প্রায় ১০ থেকে ৩৫ ফুট পর্যন্ত। তৃণভোজী ডাইনোসরটির পেছনের পা ছিল মোটা আর বড়। সামনের হাতদুটি তুলনায় বেশ ছোট। তবে মোটা লেজ দিয়ে শরীরের ভারসাম্য রক্ষা করতে পটু ছিল এরা। এমনকী বড় বড় গাছের পাতাও খেত লেজের উপর ভর দিয়ে। মাথায় শিং-এর মতো উপবৃদ্ধি দেখা যেত। মনে করা হয় অন্য ডাইনোসররা যখন খাবার গিলে খেত, এই ডাইনোসররা খাবার চিবোতে শিখেছিল!
অর্নিথোমিমিডস
পাখির মতো দেখতে এই ডাইনোসরের সারা দেহ ছিল পালকে ঢাকা। পেছনের পা ছিল বেশ লম্বা আর শক্তপোক্ত। চোয়াল ছিল সরু অনেকটা পাখির মতোই। আর সামনের দুটি হাতে পাখির ডানার মতো পালক থাকত। গলা ছিল লম্বা। অনেকটা উটপাখির মতো।
এরা মূলত ছিল তৃণভোজী ডাইনোসর। তবে ছোট ছোট প্রাণী ধরেও খেত।
স্টেগোসরাস
সারাগায়ে পাতার মতো কঠিন উপবৃদ্ধি ছিল এই ডাইনোসরের। লেজের শেষ প্রান্তে ছিল কাঁটার মতো বৃদ্ধি। এই ডাইনোসরের আকারও ছিল বেশ বড়। প্রায় একটা বাসের মতো! এদের মাথা মাটির দিকে ঝুঁকে থাকত আর লেজ থাকত উপরের দিকে। মূলত মাটির কাছাকাছি থাকা বুনো ঝোপ ছিল এদের খাদ্য। লেজ আর পিঠে থাকা উপবৃদ্ধিগুলি এদের শিকারি প্রাণীর হাত থেকে রক্ষা করত।
জুরাসিক যুগের শেষের দিকে তৃণভোজী এই ডাইনোসরগুলির আগমন ঘটেছিল।
উড়ন্ত ডাইনোসর
টেরোসররা হল উড়ন্ত ডাইনোসর প্রজাতির অন্তর্ভুক্ত। ট্রায়াসিক যুগের শেষ থেকে ক্রিটাসিয়াস যুগের শেষ পর্যন্ত এরা রাজত্ব করে গিয়েছে। এদের ছিল ছুঁচালো লম্বা ঠোঁট। আর সামনের হাত থেকে পেছনের পায়ের গোড়া পর্যন্ত চামড়ার মতো পাখা ছিল এই ডাইনোসরদের দৈহিক বৈশিষ্ট্য। সামনের হাত দুটি পাখার সঙ্গেই লেগে থাকত। প্রায় এক মানুষ সমান বড় এই উড়ন্ত ডাইনোসররা পাহাড়ের উপরে বাসা তৈরি করত। খাদ্য বলতে ছিল ছোট ছোট জীবজন্তু, মাছ আর পোকামাকড়। এমনই একটি টেরোসর হল টেরোডাকটিল।
বেশ আপাতত এই পর্যন্তই থাক। ডাইনোসরদের সম্পর্কে অনেকটাই জানা হল। এখন শুধু অপেক্ষা, কবে বিজ্ঞানীরা ডাইনোসর তৈরি করবেন।
ছবি: সংশ্লিষ্ট সংস্থার সৌজন্যে 
14th  July, 2019
কাগাড়ু
স্বস্তিনাথ শাস্ত্রী

 কিন্তু নিত্যকে বিজয়মাল্যে ভূষিত করার বদলে স্যার চেয়ার থেকে উঠে তাড়াতাড়ি সরে যেতে গিয়ে চেয়ারের পায়ায় ঠোক্কর খেয়ে প্রায় পড়ে যাচ্ছিলেন। কোনওমতে টেবিলের কোনাটা ধরে সামলে নিলেন। তারপর প্রচণ্ড জোরে চিৎকার করে বললেন, গেট আউট! আই সে গেট আউট!! স্যারের চিৎকারে আমরা সবাই বেশ ভয় পেয়ে গেলাম। বিশদ

18th  August, 2019
 আনন্দ চন্দ্রিকায় নবদুর্গা

  প্রতি বছরের মতোই এবছরও আনন্দ চন্দ্রিকায় উৎসবের ছোঁয়া লেগেছে। সাংস্কৃতিক সংস্থা ও কত্থক নৃত্যের শিক্ষাকেন্দ্র আনন্দ চন্দ্রিকার কর্ণধার অমিতা দত্ত জানান এবছর তাঁরা নবদুর্গার ওপর একটি ওয়ার্কশপের আয়োজন করেছেন। কলকাতার দুঃস্থ শিশুদের নিয়ে এই উৎসবের আয়োজন করেছেন অমিতা দত্ত। বিশদ

18th  August, 2019
হিলি গিলি হোকাস ফোকাস

 চলছে নতুন বিভাগ হিলি গিলি হোকাস ফোকাস। এই বিভাগে জনপ্রিয় জাদুকর শ্যামল কুমার তোমাদের কিছু চোখ ধাঁধানো আকর্ষণীয় ম্যাজিক সহজ সরলভাবে শেখাবেন। আজকের বিষয় প্রিয় পানীয়-র চ্যালেঞ্জ! বিশদ

18th  August, 2019
ক্ষুদিরামের ছেলেবেলা 

আমাদের এই দেশকে গড়ে তোলার জন্য অনেকে অনেকভাবে স্বার্থত্যাগ করে এগিয়ে এসেছিলেন। এই কলমে জানতে পারবে সেরকমই মহান মানুষদের ছেলেবেলার কথা। এবার শহিদ ক্ষুদিরাম বসু। লিখেছেন চকিতা চট্টোপাধ্যায়। 
বিশদ

11th  August, 2019
স্বাধীনতা দিবস 

আমাদের স্বাধীনতা দিবস
‘স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিয়ে চায় হে, কে বাঁচিতে চায়’— কবির এই বাণী সর্বাংশে সত্য। আকাশের নক্ষত্র থেকে মাটির ক্ষুদ্রতম প্রাণটি পর্যন্ত স্বাধীনতা চায়।
অজস্র রক্তপাতের মূল্যে ছিনিয়ে আনে স্বাধীনতা।  
বিশদ

11th  August, 2019
ইস্কুলে বায়োস্কোপের সমাপ্তি অনুষ্ঠান 

সম্প্রতি ‘ইস্কুলে বায়োস্কোপ’-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠান হয়ে গেল। সস ব্র্যান্ড কমিউনিকেশনসের উদ্যোগে সাহিত্য অ্যাকাডেমির সহযোগিতায় প্রায় ২০ দিন ধরে বিভিন্ন স্কুলে এই ‘ইস্কুলে বায়োস্কোপ’ অনুষ্ঠানটি চলেছিল। 
বিশদ

04th  August, 2019
সোনার লক্ষ্যে ছুটে চলেছেন ধিং এক্সপ্রেস 

বড় হয়ে কী হবি?— ছোট্ট বন্ধুরা, তোমরা নিশ্চয়ই প্রায়ই এমন প্রশ্নের সম্মুখীন হও। আবার কখনও কখনও নিজেরাও মনে মনে চিন্তা কর, বড় হয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, ক্রিকেটার, ফুটবলার, কবি, সাহিত্যিক, গায়ক বা অভিনেতা হব। কিন্তু, বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই চিন্তা মনে দানা বাঁধে পারিপার্শ্বিক তারকাদের পারফরম্যান্স বা সাফল্যে প্রভাবিত হয়ে।  
বিশদ

04th  August, 2019
চাঁদের হাসি বাঁধ ভাঙার অপেক্ষা 

মঙ্গলযান-২ চাঁদে পা রাখবে ৪৮তম দিনে। মারাত্মক ঝুঁকি নিয়ে কোন পথে কীসের খোঁজে সে এগিয়ে চলেছে চাঁদের উদ্দেশ্যে, সে বিষয়ে তোমাদের জানানোর জন্য কলম ধরেছেন ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউট, কলকাতার রাশিবিজ্ঞানের অধ্যাপক অতনু বিশ্বাস। 
বিশদ

04th  August, 2019
শুরু হয়েছে সানফিস্ট কলকাতা স্কুল ফুটবল লিগ 

তোমাদের একটি ভালো খবর দিই। গতবারের মতো এবারও শুরু হয়েছে সানফিস্ট কলকাতা স্কুল ফুটবল লিগ (কে এস এফ এল)। এটি দ্বিতীয় সংস্করণ। কে এস এফ এল লিগ শুরু হয়েছে গত বছর থেকে।   বিশদ

28th  July, 2019
মার্কশিট
মাধ্যমিকে চলতড়িৎ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি অধ্যায় 

তোমাদের জন্য চলছে মার্কশিট। এই বিভাগে থাকছে পরীক্ষায় নম্বর বাড়ানোর সুলুক সন্ধান। এবারের বিষয় ভৌতবিজ্ঞান। 
বিশদ

28th  July, 2019
রুকু ও ছেলেটি 

বিজলি চক্রবর্তী: টলটল পায়ে ট্রাম রাস্তার ধারে এসে রুকু দাঁড়াল। রাস্তা কীভাবে পার হতে হয় সে এখন বুঝতে পারে। মায়ের পেছন পেছন এখন যায় না। দুধ খেয়ে পেট ভর্তি করে রুকু মাকে ছেড়ে একাই রাস্তায় চলে এসেছে।   বিশদ

28th  July, 2019
স্পাইসি অ্যালফানসো ও ওয়াটারমেলন ফেটা স্যালাড 

তোমাদের জন্য চলছে একটি আকর্ষণীয় বিভাগ ছোটদের রান্নাঘর। এই বিভাগ পড়ে তোমরা নিজেরাই তৈরি করে ফেলতে পারবে লোভনীয় খাবারদাবার। বাবা-মাকেও চিন্তায় পড়তে হবে না। কারণ আগুনের সাহায্য ছাড়া তৈরি করা যায় এমন রেসিপিই থাকবে তোমাদের জন্য। এবার সেরকমই দুটি জিভে জল আনা রেসিপি দিয়েছেন ওয়াটস আপ ক্যাফে রেস্তরাঁর শেফ দেবব্রত রায়। 
বিশদ

21st  July, 2019
কলকাতায় ডাবর ওডোমসের ডেঙ্গু-মুক্তি প্রচারাভিযান 

আজ তোমাদের একটা ভালো খবর দিই। ডাবর ইন্ডিয়া লিমিটেডের ওডোমস ব্র্যান্ড ভারতকে ডেঙ্গুমুক্ত করতে একটি বিশেষ প্রচারাভিযানের উদ্যোগ নিয়েছে। নাম দেওয়া হয়েছে ‘#মেকিংইন্ডিয়াডেঙ্গুফ্রি’। উদ্যোগটিকে সফল করতে ওডোমসের বিশেষজ্ঞ দল ভারতে বিভিন্ন জায়গায় প্রায় দশ লক্ষ অফিসকর্মীর কাছে পৌঁছেছিলেন।   বিশদ

21st  July, 2019
বিস্ময়কর নদী 

নদীর জল হবে স্বচ্ছ ও নীলাভ। আমরা ছোটবেলা থেকে এমন কথাই পড়েছি বইয়ের পাতায়। দেখেছিও তাই। বাস্তবের সঙ্গে কল্পনার রং মেলে না ঠিকই। কিন্তু আজ যেসব নদীর গল্প তোমাদের বলব, শুনলে মনে হবে রূপকথার গল্প। পৃথিবীতে এমন কিছু নদী আছে যার জলের রং প্রকৃতির আপন খেয়ালে তৈরি। কোনওটা বা মানুষের দুষ্কর্মের ফলে অন্য রং ধারণ করেছে। কোনওটির আবার গতিপথ এতটাই অদ্ভুত যে অবাক হতে হয়। এই নদীগুলির কথা জানলে সত্যিই মনে হবে, বিপুলা এ পৃথিবীর কতটুকু জানি। অদ্ভুত এই পাঁচটি নদীর রোমাঞ্চকর গল্প শুনিয়েছে সৌম্য নিয়োগী।  
বিশদ

21st  July, 2019
একনজরে
সংবাদদাতা, লালবাগ: জিয়াগঞ্জ শহরের ভট্টপাড়ায় ভাগীরথীর পাশে সবুজে ঘেরা পরিবেশে ভবঘুরেদের জন্য চারতলা ঝাঁ চকচকে আবাসন তৈরি হলেও তা এখন ফাঁকা পড়ে। ৫০শয্যার ‘ভালোবাসা’য় চলতি বছরের প্রথম থেকেই শহর বা পুরসভা এলাকার ভবঘুরেদের নিয়মিত থাকা-খাওয়ার কথা থাকলেও তাঁদের দেখা নেই। ...

সংবাদদাতা, ইসলামপুর: ইসলামপুর পুরসভার ১৪ নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলার তৃণমূল কংগ্রসের রঞ্জন মিশ্রের কাছ থেকে কাটমানি ফেরত পেতে বৃহস্পতিবার শতাধিক বাসিন্দা এবার পুরসভার চেয়ারম্যান কানাইয়ালাল আগরওয়ালের দ্বারস্থ হলেন। এদিন সকালে তাঁরা পুরসভা কার্যালয়ে এসে কানাইয়াবাবুর কাছে কাটমানি ফেরাতে পদক্ষেপের দাবি করেন। ...

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: দীর্ঘ ১৯ বছর পর মোহন বাগান ঐতিহাসিক ডুরান্ড কাপ জয়ের সামনে দাঁড়িয়ে। মোহন বাগান শেষবার ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ২০০০ সালে। সেবার দিল্লির ...

 ইসলামাবাদ, ২২ আগস্ট (পিটিআই): সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রসঙ্ঘের সাধারণ সভার অধিবেশন চলাকালীন নিউ ইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানোর নির্দেশ দিলেন ইমরান খান। কাশ্মীর ইস্যুকে সামনে রেখে তাঁর পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের নেতা-কর্মীদের এই নির্দেশ দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

উচ্চপদস্থ ব্যক্তির সহায়তায় কর্মস্থলে জটিলতার সমাধান। বাতজ বেদনায় কষ্ট পাবার সম্ভাবনা। প্রেম-প্রণয়ে সাফল্য। পরশ্রীকাতর ব্যক্তির ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৮৯৮-কথা সাহিত্যিক তারাশংকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের জন্ম
১৯৪৪- অভিনেত্রী সায়রাবানুর জন্ম
১৯৯৪- ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রমকারী সাঁতারু আরতি গুপ্তর (সাহা) মৃত্যু

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৭৯ টাকা ৭২.৪৯ টাকা
পাউন্ড ৮৫.৩৪ টাকা ৮৮.৫১ টাকা
ইউরো ৭৭.৯৮ টাকা ৮০.৯৪ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,২৮৫ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৩২৫ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৬,৮৭০ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৪,০৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৪,১৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]

দিন পঞ্জিকা

৬ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, সপ্তমী ৭/৪ দিবা ৮/৯। কৃত্তিকা ৫৬/৯ রাত্রি ৩/৪৭। সূ উ ৫/১৯/৪১, অ ৫/৫৯/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/০ মধ্যে পুনঃ ৭/৫১ গতে ১০/২৩ মধ্যে পুনঃ ১২/৫৬ গতে ২/৩৭ মধ্যে পুনঃ ৪/১৮ গতে অস্তাবধি। রাত্রি ৭/৩০ গতে ৯/১ মধ্যে পুনঃ ৩/৩ গতে ৩/৪৮ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯ গতে ১১/৩৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৪৯ গতে ১০/১৪ মধ্যে।
৫ ভাদ্র ১৪২৬, ২৩ আগস্ট ২০১৯, শুক্রবার, অষ্টমী ৫৫/৩০/৩৯ রাত্রি ৩/৩১/১। কৃত্তিকানক্ষত্র ৪৭/২৮/৩০ রাত্রি ১২/১৮/৯, সূ উ ৫/১৮/৪৫, অ ৬/২/১৩, অমৃতযোগ দিবা ৭/২ মধ্যে ও ৭/৫২ গতে ১০/২০ মধ্যে ও ১২/৪৮ গতে ২/২৭ মধ্যে ও ৪/৬ গতে ৬/২ মধ্যে এবং রাত্রি ৭/১২ গতে ৮/৫১ মধ্যে ও ৩/৪ গতে ৩/৫১ মধ্যে, বারবেলা ৮/২৯/৩৭ গতে ১০/৫/৩ মধ্যে, কালবেলা ১০/৫/৩ গতে ১১/৪০/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ৮/৫১/২১ গতে ১০/১৫/৫৫ মধ্যে।
২১ জেলহজ্জ

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
হলদিয়ায় প্রতারণার অভিযোগে গ্রেপ্তার ১
 

সরকারি চাকরি পাইয়ে দেওয়ার নামে আট লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ। ...বিশদ

04:01:36 PM

হাওড়ায় নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার ১ 
এক নাবালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেপ্তার অভিযুক্ত। বৃহস্পতিবার রাতে হাওড়ার শ্যামপুর ...বিশদ

03:49:00 PM

লুধিয়ানায় সাইকেল মার্কেট এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড 

02:28:00 PM

চাকরি দেওয়ার নামে প্রতারণা, গ্রেপ্তার ৩
চাকরি পাইয়ে দেবার নাম করে ৩৭ লক্ষ টাকার প্রতারণার অভিযোগ। ...বিশদ

02:17:00 PM

৭০০ পয়েন্ট উঠল সেনসেক্স 

02:15:00 PM

সোমবার পর্যন্ত চিদম্বরমকে গ্রেপ্তার করতে পারবে না ইডি, জানাল সুপ্রিম কোর্ট  

01:40:00 PM