Bartaman Patrika
শরীর ও স্বাস্থ্য
 

অ্যান্টিবায়োটিক মাঝপথে
বন্ধ করলে কী হয়?

পাঁচদিন ওষুধ খেতে বলেছেন ডাক্তারবাবু। আপনি দু’দিন ওষুধ খেয়েই ট্যাবলেট খাওয়া বন্ধ করে দিলেন! অদূর ভবিষ্যতে এর ফলাফল কিন্তু ভয়াবহ হতে পারে। পরামর্শে আর জি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের ফার্মাকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডাঃ অঞ্জন অধিকারী।

 অ্যান্টিবায়োটিক কীভাবে তৈরি হয়?
 দু’টি শব্দ আছে। একটি অ্যান্টিবায়োটিক অন্যটি হল অ্যান্টি মাইক্রোবিয়াল। আমাদের যেমন ঘাম হয় তেমনি ছোট ছোট মাইক্রোদের গা থেকে জলের মতো জিনিস বের হয়। এটা নিজেদের বাঁচার জন্যই ওরা বের করে। এই নিঃসরণ থেকেই ওষুধ বানিয়ে ব্যাকটেরিয়া মারার কাজ করি। অ্যান্টি মাইক্রোবিয়ালের অধীনে অ্যান্টি বায়োটিক, অ্যান্টি ভাইরাল বা অ্যান্টি ফাঙ্গাস সবই পড়ে।
 আচ্ছা। অ্যান্টিবায়োটিকের তো একটা ডোজ আছে। ডাক্তাররা নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত খেতে বলেন। যদি তার আগেই রোগ সারে, তাহলেও কি পুরো ডোজ সম্পূর্ণ করতে হবে?
 ডাক্তাররা রোগীর শরীর ও রোগের উপর নির্ভর করেই ওই ডোজ দেন। ব্যাকটেরিয়া সাধারণত দ্রুত দেহে বংশবৃদ্ধি করে। অ্যান্টিবায়োটিক হয় সেটিকে ধ্বংস করে, না হয় তার বংশবৃদ্ধি রোধ করে দেয়। যাতে একটা সময় পরে দেহের সক্ষমতা বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে সেই ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়াকে পরোক্ষে মেরে দেয়। তাই ওই ডোজ সম্পূর্ণ করাটাই উচিত।
 যদি সেই ডোজ সম্পূর্ণ না করি, তবে কী ক্ষতি হতে পারে?
 সেক্ষেত্রে দু’টো জিনিস হতে পারে। প্রথমত ওই ব্যাকটেরিয়া পুরোপুরি ধ্বংস হল না। সেক্ষেত্রে যেগুলি বেঁচে থাকবে, সেগুলি কিন্তু ওই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে ফেলল। ফলে রোগ আবার হবে। কিন্তু তখন ওই অ্যান্টিবায়োটিক আর কাজ করবে না। শুধু তাই নয়, সমগ্র সমাজই এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। কারণ, ওই প্রতিরোধ ক্ষমতা সম্পন্ন ব্যাকটেরিয়া হাঁচি, কাশি, কথা বলার মধ্য দিয়ে অন্যের শরীরে ঢুকে যায়। এভাবে জীবাণু ছড়াতে ছড়াতে প্রায় সকলেরই দেহে ব্যাকটেরিয়ার অনুপ্রবেশ ঘটবে। তখন দেখা যাবে ওই এলাকাতেই কারও ক্ষেত্রেই ওই অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকর হবে না। দ্বিতীয়ত, ওই ব্যাকটেরিয়া থেকে অন্য কোনও ব্যাকটেরিয়া তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও থেকে যায়। এই নতুন ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কোনও ওষুধ কাজ করতে পারে না। ক্রিটিকাল কেয়ার বা বাচ্চাদের ইউনিটে গেলে দেখতে পাবেন মাঝে মধ্যে কী অসহায় অবস্থা তৈরি হয়। কোনও অ্যান্টি বায়োটিক কাজ করছে না। আসলে, ডোজ কমপ্লিট না করার ক্ষতিটা তখনই হয়তো রোগী বুঝতে পারেন না। বোঝেন অনেক পরে, বিশেষ করে যখন তিনি দেখেন কিডনিটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বা অন্য বড় কিছু হয়েছে।
 অসম্পূর্ণ ডোজ কি কিছুদিন বাদে আবার চালু করা যায়?
 কখনও হয় ঠিকই। যদি দেখা যায় ওই একই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা ব্যক্তি সংক্রামিত হয়েছেন। কিন্তু অন্য ধরনের জীবাণু দ্বারা ব্যক্তিটি সংক্রামিত হলে সেই ডোজ চালু করে লাভ নেই। কিন্তু প্রশ্ন হল সমস্যাটা একই কি না। এটা তো কোনও রোগী ধরতে পারবেন না। উপসর্গ বোঝা সাধারণ মানুষের কাজ নয়। মানুষ জ্বর বাড়ছে না কমছে, পেটে ব্যথা হচ্ছে কি না, সেটা বুঝতে পারে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কী তফাৎ সেটা তাঁরা ধরতে পারবেন না। তাই ওষুধ হঠাৎ বন্ধের পর শরীর ফের খারাপ হলে ডাক্তারের পরামর্শ নিতেই হবে।
 অ্যান্টিবায়োটিকের ক্ষেত্রে যে কথা বললেন, তা কি যে কোনও ওষুধের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য?
 না সব ওষুধের ক্ষেত্রে একই কথা প্রযোজ্য নয়। নন কমিউনিকেবল রোগ যেমন হাইপারটেনশন, ডায়াবেটিসের মতো রোগের ক্ষেত্রে ওষুধ নিয়মিত খাওয়া উচিত। লাইফ স্টাইল ঠিক রাখতে হয়। এগুলি কিন্তু দীর্ঘকালীন প্রক্রিয়া। তাই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া মাঝপথে ওষুধ ছাড়াও উচিত নয়, মাত্রাও পরিবর্তন করা উচিত নয়। তবে সাধারণ সংক্রমণ বা জ্বরের মতো রোগের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়। বরং বলাই হয়, এটা হলে তবেই খাবেন। যেমন বলা হয়, জ্বর এলে তবেই এটা দেবেন। কাশি হলে কাফ সিরাপ খাও।
 আমরা তো সাধারণ নানাবিধ রোগের জন্য দোকান থেকে ওষুধ কিনি। অথবা কেউ কেউ বলেও দেন এই ওষুধটা ব্যবহার করুন, রোগ সেরে যাবে। এই অভ্যেস কতটা বিজ্ঞানসম্মত?
 একেবারেই বিজ্ঞানসম্মত নয়। যিনি দিচ্ছেন তিনি হয়তো ভালোর জন্যই দিচ্ছেন। কিন্তু এতে হিতে বিপরীত হতে পারে। আমরা হয়তো পয়সা বাঁচানোর জন্য ডাক্তার এড়িয়ে যাই। কিন্তু এই অভ্যেস ক্ষতিই করে। কারণ মনে রাখা দরকার সব কিছুতেই বিশেষজ্ঞ রয়েছেন। তাই আদতে কী রোগ হয়েছে সেটা আমরা সঠিকভাবে না বুঝেই ওষুধ খেয়ে ফেলি। দোকানদার রোগীর মুখের কথা শুনে একটা ওষুধ দিয়ে দেন। গায়ে ব্যথা হচ্ছে শুনে, হয়তো বিশেষ গোত্রের বেদনানাশক দিয়ে দিলেন। সেই ওষুধ খেয়ে আপনার ব্যথা কমে গেল! কিন্তু কেউ জানলই না, ওই ব্যথার আসল কারণ হয়ত কিডনিতে সমস্যার কারণে। ফলে ব্যথা কমে গেল, কিন্তু মূল সমস্যাটা রয়ে গেল। এভাবে দিনের পর দিন ধরে বেদনানাশক খেয়ে উপসর্গ কমানো হল, কিন্তু মূল সমস্যাটা আয়ত্ত্বের বাইরে চলে গেল। ফলে রোগীর যখন প্রকৃতপক্ষেই কিডনির সমস্যা হয়তো যখন জানবে তখন অনেক দেরি হয়ে গিয়েছে। তাই না জেনেই ওই ওষুধ দিলে পরোক্ষে ক্ষতিই হয়ে যায়।
 আচ্ছা একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক কি একসঙ্গে খাওয়া যায়?
 হ্যাঁ, খাওয়া তো যেতেই পারে। প্রয়োজন পড়লে দেওয়া হয়ও। একাধিক অঙ্গের প্রয়োজনে একাধিক অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া হয়। আবার দেখা যায়, রোগীকে একটা ওষুধ দিয়ে বাঁচানো যাবে না। তখন দ্বিতীয় অ্যান্টিবায়োটিক যোগ করা হয়। তবে সবটাই হয় রোগীকে পরীক্ষা করে।
 অনেক সময়ই দেখা যায় ডাক্তারবাবু অ্যান্টিবায়োটিক পাল্টে দিলেন বা মাত্রা বাড়িয়ে দিলেন...
 দেখুন, চিকিৎসা বিজ্ঞান ধারাবাহিক প্রক্রিয়া। মূল্যায়ণ করতে হয়। আমরা রোগীকে পরীক্ষা করে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা দিয়ে একটা অ্যান্টিবায়োটিক দিলাম। কিন্তু তার সঙ্গে কয়েকটা পরীক্ষাও দিলাম। এর ফলে চিকিৎসক রোগীর অসুখ সম্পর্কে ভাবনাটা ঠিক কি না, তা মিলিয়ে নিতে পারেন। এটা একটা পুনর্মূল্যায়নের বিষয়। কিন্তু আবার বলছি, এই ডোজ বা ওষুধ পরিবর্তনের যৌক্তিকতা রয়েছে। দেখবেন, ডাক্তারবাবু হয়তো প্রথমে ৫০০ এমএল ডোজের ওষুধ দিলেন। কিন্তু পরে তিনিই বললেন ১০০০ খাও। সবটাই রোগ আর রোগীর উপর নির্ভর করে। কিন্তু রোগী নিজে থেকে কম ডোজ খেল বা সময় কমালো, সেটা ঠিক নয়।
 একই গ্রুপের সব অ্যান্টিবায়োটিকের গুণগত মান এক?
 হিসেব মতো এক হওয়ার কথা। কিন্তু আমাদের দেশে গুণগত মান নিশ্চিত করা কঠিন। তার উপর ওষুধের দাম নিয়ে লড়াই করতে গিয়ে দেখা যাবে জাল ওষুধ বিক্রি হচ্ছে, কম গুণের ওষুধ বিক্রি হচ্ছে। তাই দেখবেন অনেক সময় একটা অ্যান্টিবায়োটিক ভালো কাজ দিয়েছে। কারণ সেটার গুণগত মান ভালো। কিন্তু অন্য ওষুধটা তেমন কাজ দিচ্ছে না।
 ঘন ঘন বা যখন তখন অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াটা কি ঠিক?
 অযথা ওষুধ খাওয়াই ঠিক নয়। দোকানদার বা লোকের পরামর্শ মেনে ওষুধ না খেয়ে ডাক্তারের কথা শোনা উচিত। নিজের ডাক্তারি নিজে করা ঠিক নয়। অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া তো উচিত নয়ই। এমনিতেই খুব কম সংখ্যক অ্যান্টিবায়োটিক আমাদের হাতে রয়েছে। তার উপর যথেচ্ছ এবং ভুল পদ্ধতিতে অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহারের ফলে বহু অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু তৈরি হচ্ছে। তাই বিশ্বে অ্যান্টিবায়োটিকের সংখ্যাও ক্রমশ কমে আসছে। তাই বারবার বলা হচ্ছে, খুব প্রয়োজন না হলে অ্যান্টি বায়োটিক ব্যবহার করবেন না। এখন মানুষের সচেতনতাই আমাদের ভরসা।
সাক্ষাৎকার প্রীতম দাশগুপ্ত
13th  June, 2019
পাওয়ার থাকলে চোখের যত্ন নেবেন কীভাবে? 

চোখের পাওয়ার
জানলে অবাক হবেন, দেশের ৩০ শতাংশ মানুষ মাইয়োপিক। অর্থাৎ তাঁদের চোখে মাইনাস পাওয়ারের চশমা রয়েছে। তুলনায় প্লাস পাওয়ার বা হাইপারমেট্রোপিকের সমস্যায় ভোগা রোগীর সংখা কম। 
বিশদ

আত্মহত্যা বিরোধী দিবস উদযাপন
 

১০ সেপ্টেম্বর ছিল বিশ্ব আত্মহত্যা বিরোধী দিবস। এই উপলক্ষ্যে মেডিক্যাল ব্যাঙ্কের পক্ষ থেকে কলকাতার বিভিন্ন স্কুলের পড়ুয়াদের একত্রিত করে শোভাবাজার মেট্রো স্টেশনের সামনে আত্মহত্যা বিরোধী প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছিল।  
বিশদ

বিএমবিড়লায় প্রাণ বাঁচানোর অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি 

বারবার বুকে ব্যথা হয়েই চলেছিল পঞ্চাশোর্ধ্ব এক রোগীর। রোগী বিশ্রামরত অবস্থাতে থাকলেও বুকে এমন ব্যথা হতো। এমনকী শেষ কদিনে অ্যান্টি অ্যানজাইনাল ওষুধও আর কাজ করছিল না। অথচ কয়েকমাস আগেই তিনি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করিয়েছিলেন।  
বিশদ

বোন অ্যান্ড জয়েন্ট ক্লিনিকের অনুষ্ঠান 

চতুর্থ প্রতিষ্ঠা দিবস উপলক্ষে বোন অ্যান্ড জয়েন্ট ক্লিনিক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে নেওয়া হয়েছিল অভিনব উদ্যোগ। সংস্থার পক্ষ থেকে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ওই অনুষ্ঠানে ২৫ জন বিশেষ ভাবে সক্ষম ও দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের সম্বর্ধনা দেওয়া হয়। 
বিশদ

তারাপিঠে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবির 

কৌশিকী অমাবস্যা উপলক্ষ্যে তারাপিঠ মন্দিরের কাছে বিনামূল্যে স্বাস্থ্য পরীক্ষা শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। বাম তারা অর্চনম ট্রাস্ট পরিচালিত এই শিবিরে কলকাতার বিশিষ্ট চিকিৎসকরা উপস্থিত ছিলেন।  
বিশদ

নারায়ণা হাওড়ায় হার্টের বিরল চিকিৎসা 

‘ওয়ার্ল্ড হার্ট ডে’ উপলক্ষ্যে হাওড়ার নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের তরফে প্রেস ক্লাবে একটি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে সম্প্রতি হাসপাতালে বিরল কার্ডিয়াক ইন্টারভেনশন সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে বলে সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।   বিশদ

 পুজোয় বেড়াতে গেলে
কী কী ওষুধ রাখবেন?
ডাঃ আশিস মিত্র ( মেডিসিন বিশেষজ্ঞ)

 সারা বছরের ধকল কাটাতে পুজোর ছুটিতে বাইরে বেড়াতে যাওয়া বাঙালির সংখ্যা নেহাত কম নয়। শরতের আবাহাওয়ায় পাহাড়, জঙ্গল, সমুদ্র যেন নতুন রূপে সেজে ওঠে। আর সেই অপরূপ সাজ চাক্ষুষ করতে ভ্রমণ পিপাসুরা দলে পৌঁছে যান প্রকৃতির কোলে। বুনে ফেলেন নতুন অভিজ্ঞতার স্মৃতি।
বিশদ

12th  September, 2019
 হোমিওপ্যাথিক ওষুধ
ডাঃ দেবর্ষি দাস ( হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক)

 বাঙালি আর বেড়ানো এই দুই শব্দকে কখনওই আলাদা করা যায় না। কিন্তু বেড়াতে গিয়ে শরীর খারাপ হলে প্রকৃতি দর্শনের পুরো আনন্দটাই মাটি। আর এই বেড়ানোর আনন্দটা যাতে কোনওভাবেই নিরানন্দে পরিণত না হয় তাই বেড়াতে যাবার ব্যাগ গোছানোর সময় অবশ্যই কিছু জরুরি ওষুধ ব্যাগে নিতে হবে। দরকারে এগুলো ভীষণ উপযোগী এবং বেড়ানোটাকে নির্ঝঞ্ঝাট রাখতে পারে। বিশদ

12th  September, 2019
 শিশুদের সমস্যায়
ডাঃ সুজয় চক্রবর্তী ( শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ)

  বর্ষার শেষ আর শরতের আগমন মানেই বাঙালির এক বছরের অপেক্ষার অবসান। মা দুর্গার আগমনীবার্তায় যখন আকাশ-বাতাসে খুশির সুর, ঘরকুনো বাঙালিও তাঁর বদনাম ঘোচাতে হয়ে ওঠে ভ্রমণ পিপাসু। পাহাড় থেকে সমুদ্র, অরণ্য থেকে সমতল— এই সময়টাতে সর্বত্র আমাদের অবাধ বিচরণ।
বিশদ

12th  September, 2019
 ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক কলেজের পুনর্মিলন উৎসব

  শিয়ালদহের কৃষ্ণপদ ঘোষ মেমোরিয়াল প্রেক্ষাগ্রৃহে অনুষ্ঠিত হল ডি এন দে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজের বার্ষিক পুনর্মিলন উৎসব। আয়োজক ছিল ওই কলেজের প্রাক্তন ছাত্র সমিতি। উৎসবের সূচনা করেন রামকৃষ্ণ মঠ ও মিশনের (যোগোদদান) অধ্যক্ষ স্বামী বিমলাৎমানন্দজী মহারাজ।
বিশদ

12th  September, 2019
মাতৃভবন হাসপাতালে ল্যাপেরোস্কোপি

  আধুনিক ল্যাপেরোস্কোপি ও হিস্টেরেস্কোপির পদ্ধতিতে পেটের উপর শুধুমাত্র কয়েকটি ছিদ্র করে অপারেশন করা হচ্ছে। এরফলে রোগীর ব্যথা বেদনা কম হওয়া, অপারেশনের ঝুঁকি কম থাকা সহ আরও অনেক সুবিধে রয়েছে। কিন্তু খরচের কারণে অনেকেই এই সার্জারির সুবিধে নিতে পারেন না।
বিশদ

12th  September, 2019
গঙ্গা হাসপাতাল 

তামিলনাড়ুর কোয়াম্বাটুরের গঙ্গা মেডিক্যাল সেন্টার অ্যান্ড হাসপাতালের তরফে সল্টলেকে রিকনস্ট্রাকটিভ মাইক্রোসার্জারি, আগুনে পোড়া, ব্রেস্ট ক্যান্সার, প্লাস্টিক সার্জারি ইত্যাদি চিকিৎসার নয়া কেন্দ্র চালু হল।   বিশদ

05th  September, 2019
তামাকমুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে শিক্ষকদের নিয়ে প্রশিক্ষণ শিবির 

গ্লোবাল অ্যাডাল্ট টোব্যাকো সার্ভে (গ্যাটস ২০১৭) অনুযায়ী পশ্চিমবঙ্গে রোজ তামাকের নেশায় পা দিয়ে চলেছে ৪৩৮টি শিশু! রাজ্য জুড়ে যে হারে শিশুরা তামাকের নেশায় জড়িয়ে পড়ছে তা যথেষ্ট চিন্তায় রেখেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের শিক্ষা দপ্তরকে।   বিশদ

05th  September, 2019
মেডিকার সেন্টার ফর লিভার ডিজিজ 

লিভারের রোগের চিকিৎসা এবং লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টের ক্ষেত্রে চিকিৎসা পরিষেবা দিতে মেডিকা হাসপাতালে শুরু হল সেন্টার ফর লিভার ডিজিজ ক্লিনিক। লিভারের চিকিৎসার সঙ্গে প্যাংক্রিয়াস ও গল ব্লাডারের রোগেরও চিকিৎসা হবে সেখানে।  বিশদ

05th  September, 2019
একনজরে
 সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: নিজের কর্মস্থলে যেসব জিনিস নিয়ে হাতেকলমে কাজ করেন, সেইসব জিনিস দিয়ে বিশ্বকর্মা প্রতিমা বানানোর ইচ্ছা অনেকদিন থেকেই ছিল ফুলেশ্বরের বৈকুণ্ঠপুরের রথতলার বাসিন্দা সুনীল কুণ্ডুর। ...

নয়াদিল্লি, ১৮ সেপ্টেম্বর (পিটিআই): উৎসবের মরশুমে সুখবর। বুধবার রেলকর্মীদের জন্য ৭৮ দিনের উৎপাদনভিত্তিক বোনাস ঘোষণা করল কেন্দ্র। এদিন মন্ত্রিসভার বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন প্রকাশ জাভরেকর ও নির্মলা সীতারামন।  ...

 রবীন রায়, আলিপুরদুয়ার, সংবাদদাতা: নিম্ন অসমে এনআরসি তালিকা থেকে বাদ পড়া বাঙালিদের মন ভালো নেই। তাই এনআরসির জেরে নিম্ন অসম থেকে প্রতিমারও বরাত এবার আলিপুরদুয়ারের মৃৎশিল্পীদের কাছে আসেনি। ফলে একইভাবে মন ভালো নেই এখানকার মৃৎশিল্পীদেরও। ...

 ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জে যেসব সংস্থার শেয়ার গতকাল লেনদেন হয়েছে শুধু সেগুলির বাজার বন্ধকালীন দরই নীচে দেওয়া হল। ...




আজকের দিনটি কিংবদন্তি গৌতম
৯১৬৩৪৯২৬২৫ / ৯৮৩০৭৬৩৮৭৩

ভাগ্য+চেষ্টা= ফল
  • aries
  • taurus
  • gemini
  • cancer
  • leo
  • virgo
  • libra
  • scorpio
  • sagittorius
  • capricorn
  • aquarius
  • pisces
aries

কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক ও মানসিক কষ্ট। দূর ভ্রমণের সুযোগ। অর্থপ্রাপ্তির যোগ। যেকোনও শুভকর্মের বাধাবিঘ্ন ... বিশদ


ইতিহাসে আজকের দিন

১৯১৯- অভিনেতা জহর রায়ের জন্ম
১৯২১- সাহিত্যিক বিমল করের জন্ম
১৯২৪- গায়িকা সুচিত্রা মিত্রের জন্ম
১৯৬৫- মহাকাশচারী সুনীতা উইলিয়ামসের জন্ম
 

ক্রয়মূল্য বিক্রয়মূল্য
ডলার ৭০.৬৪ টাকা ৭২.৩৪ টাকা
পাউন্ড ৮৭.৭০ টাকা ৯০.৯০ টাকা
ইউরো ৭৭.৬৩ টাকা ৮০.৬২ টাকা
[ স্টেট ব্যাঙ্ক অব ইন্ডিয়া থেকে পাওয়া দর ]
পাকা সোনা (১০ গ্রাম) ৩৮,৪৩০ টাকা
গহনা সোনা (১০ (গ্রাম) ৩৬,৪৬০ টাকা
হলমার্ক গহনা (২২ ক্যারেট ১০ গ্রাম) ৩৭,০০৫ টাকা
রূপার বাট (প্রতি কেজি) ৪৬,৩৫০ টাকা
রূপা খুচরো (প্রতি কেজি) ৪৬,৪৫০ টাকা
[ মূল্যযুক্ত ৩% জি. এস. টি আলাদা ]
18th  September, 2019

দিন পঞ্জিকা

২ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ৩৪/৫৭ সন্ধ্যা ৭/২৭। ভরণী ৮/১৩ দিবা ৮/৪৫। সূ উ ৫/২৭/৪৭, অ ৫/৩৩/৪১, অমৃতযোগ দিবা ৭/৪ মধ্যে পুনঃ ১/৩০ গতে ৩/৬ মধ্যে। রাত্রি ৬/১৯ গতে ৯/৩০ মধ্যে পুনঃ ১১/৫৪ গতে ৩/৫ মধ্যে পুনঃ ৩/৫২ গতে উদয়াবধি, বারবেলা ২/৩১ গতে অস্তাবধি, কালরাত্রি ১১/৩১ গতে ১২/৫৯ মধ্যে। 
১ আশ্বিন ১৪২৬, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, পঞ্চমী ২৬/১২/৩৯ দিবা ৩/৫৬/৩৩। ভরণী ৩/৩৯/২৫ দিবা ৫/৫৫/১৫, সূ উ ৫/২৭/২৯, অ ৫/৩৫/২৯, অমৃতযোগ দিবা ৭/৭ মধ্যে ও ১/২২ গতে ২/৫৬ মধ্যে এবং রাত্রি ৬/৬ গতে ৯/২২ মধ্যে ও ১১/৪৯ গতে ৩/৬ মধ্যে ও ৩/৫৫ গতে ৫/২৮ মধ্যে, বারবেলা ৪/৪/২৯ গতে ৫/৩৫/২৯ মধ্যে, কালবেলা ২/৩৩/২৯ গতে ৪/৪/২৯ মধ্যে, কালরাত্রি ১১/৩১/২৯ গতে ১/০/২৯ মধ্যে। 
মোসলেম: ১৯ মহরম 

ছবি সংবাদ

এই মুহূর্তে
রাজীব কুমার: সিবিআইকে কী বলল আদালত?
আজ সিবিআইয়ের কাছে তারা রাজীব কুমারের বিরুদ্ধে ঠিক কী আবেদন ...বিশদ

04:04:51 PM

৫৫০ পয়েন্ট পড়ল সেনসেক্স 

03:36:11 PM

রাজীব কুমারকে ফের নোটিস সিবিআই-য়ের
রাজীব কুমারকে ফের নোটিস দিল সিবিআই। পার্ক স্ট্রিটে তাঁর কোয়ার্টারে ...বিশদ

03:34:41 PM

দঃ ২৪ পরগনার বিষ্ণুপুরে শ্রমিকের রহস্যমৃত্যু 

03:31:00 PM

বারুইপুরে ঘরের একাংশ ভেঙে আহত প্রাক্তন পুলিসকর্মী 
বাড়ির একাংশ ভেঙে আহত হলেন প্রাক্তন মহিলা পুলিসকর্মী। ঘটনাটি ঘটেছে ...বিশদ

03:03:00 PM

পুরুলিয়ায় এক হোটেল কর্মীর মৃত্যু, চাঞ্চল্য 
পুরুলিয়ার বাঘমুন্ডি এলাকার পাটডি গ্রামে এক হোটেল কর্মীর মৃত্যুকে ঘিরে ...বিশদ

02:41:00 PM