Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

চুঁচুড়া পুরসভায় নয়া বোর্ড গড়তে উদ্যোগী ২ প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সোমবার নির্বাচনি বৈঠক

হুগলিতে পুরসভাগুলিতে পদত্যাগের পর্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পরে নয়া চমক চুঁচুড়ায়। চুঁচুড়া পুরসভার দুই বর্ষীয়ান কাউন্সিলার তথা দুই প্রাক্তন পুরপ্রধান নতুন বোর্ড গড়ার জন্য বৈঠক ডেকেছেন। আইনগতভাবে সঠিক হলেও বর্তমান ‘ভাঙন’-পর্বে নতুন ওই ডাক ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

চুঁচুড়া পুরসভায় নয়া বোর্ড গড়তে উদ্যোগী ২ প্রাক্তন চেয়ারম্যান, সোমবার নির্বাচনি বৈঠক
  • ১৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: হুগলিতে পুরসভাগুলিতে পদত্যাগের পর্ব শেষ হয়ে যাওয়ার পরে নয়া চমক চুঁচুড়ায়। চুঁচুড়া পুরসভার দুই বর্ষীয়ান কাউন্সিলার তথা দুই প্রাক্তন পুরপ্রধান নতুন বোর্ড গড়ার জন্য বৈঠক ডেকেছেন। আইনগতভাবে সঠিক হলেও বর্তমান ‘ভাঙন’-পর্বে নতুন ওই ডাক ঘিরে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণভাবে নতুন চেয়ারম্যান গঠনের ওই বৈঠকে কাউন্সিলাররা হাজির হলেও কেউ চেয়ারম্যান হতে চান, এমন ইঙ্গিত মেলেনি। একাধিক প্রবীণ ও এক সময়ের দাপুটে কাউন্সিলাররা চেয়ারম্যান হতে চান না বলেই একান্ত আলোচনায় জানিয়েছেন। আর সেই প্রেক্ষিতেই বৈঠকের প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।  

Advertisement

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, সরকারি নিয়ম অনুসারে কাউন্সিলাররা বোর্ড গড়তে ব্যর্থ হলে তবেই প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত কার্যকর করা যায়। চুঁচুড়া পুরসভাতেও সেখানেই জটিলতা তৈরি হয়ে আছে। কারণ, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান সহ একদল পদাধিকারী কাউন্সিলার পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু সিংহভাগ (প্রায় ২৪জন) কাউন্সিলার পদত্যাগ করেননি। ফলে, নতুন বোর্ড গড়া অথবা না গড়ার বিষয়টি আইনগতভাবে নির্দিষ্ট হওয়া প্রয়োজন। তাতে প্রশাসক বসানোর পদ্ধতি সহজ হবে। এনিয়ে প্রবীণ কাউন্সিলার তথা প্রাক্তন পুরপ্রধান অমিত রায় বলেন, আমাদের ২৪ জন কাউন্সিলার আছেন। ফলে, নতুন বোর্ড গড়া যায়। সেই কারণেই বৈঠক ডাকা হয়েছে। যদিও শনিবার আসন্ন ২১ জুলাই কর্মসূচি নিয়ে মমতা-তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি তথা চুঁচুড়ার প্রাক্তন বিধায়ক অসিত মজুমদার বৈঠক ডেকেছিলেন। সেখানে এ প্রসঙ্গে তাঁর মত জানতে চাওয়া হয়। তাঁর দাবি, ওই বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। প্রকাশ্য ওই বিবৃতি ঘিরেও একপ্রস্ত জল্পনা শুরু হয়েছে। গোটা বিষয় নিয়ে বিজেপি’র হুগলি সাংগঠনিক জেলার সভাপতি গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেন, ‘তৃণমূল নেতারা কি করতে চান, সেটা তাঁরাই ভালো বলতে পারবেন। আমরা শুধু জানি, বোর্ড নিয়ে ডামাডোলে তাঁরা মানুষকে পরিষেবা দিচ্ছেন না।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ