Bartaman Logo
৫ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অব্যাহত বালির কালোবাজারি, দুই সপ্তাহেই ট্রলিপ্রতি দর বাড়ল আড়াই হাজার টাকা

বড়ঞায় বালি নিয়ে কালোবাজারি চলছে। মাত্র ১৫দিনের মধ্যে বালির দর ট্রলিপ্রতি প্রায় আড়াই হাজার টাকা বেড়ে গিয়েছে।

অব্যাহত বালির কালোবাজারি, দুই সপ্তাহেই ট্রলিপ্রতি দর বাড়ল আড়াই হাজার টাকা
  • ৩০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: বড়ঞায় বালি নিয়ে কালোবাজারি চলছে। মাত্র ১৫দিনের মধ্যে বালির দর ট্রলিপ্রতি প্রায় আড়াই হাজার টাকা বেড়ে গিয়েছে। প্রতি ৭০ স্কোয়ার ফুট বালির জন্য বাসিন্দাদের প্রায় সাড়ে ছ’হাজার টাকা দিতে হচ্ছে। ফলে বাসিন্দারা দুশ্চিন্তায় পড়ে নির্মাণকাজ বন্ধ করে রাখছেন। বালির দর নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনিক হস্তক্ষেপের দাবি করছেন বাসিন্দারা। প্রসঙ্গত, বড়ঞা ব্লকের উপর দিয়ে চলে গিয়েছে ময়ূরাক্ষী ও কানা নদী। ওই দু’টি নদীর বিভিন্ন জায়গায় যেমন সরকারি বালি খাদান রয়েছে, তেমনই অবৈধভাবে বালি তোলা হয় বলে অভিযোগ। কিন্তু বর্ষা শুরু হওয়ায় কিছুদিন ধরে প্রায় সমস্ত খাদান থেকে বালি তোলা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। যদিও খাদান বন্ধের আগে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাপকভাবে বালি মজুত করে রাখা হয়েছে। ঘাট বন্ধ হওয়ার পর এখন মজুত বালি ভরসা হয়ে উঠেছে বাসিন্দাদের। তবে নির্মাণকাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য বাসিন্দাদের এখন চড়া দরে বালি কিনতে হচ্ছে। ফলে তাঁদের নাভিশ্বাস উঠছে। অনেকে বাড়ির কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হচ্ছেন। অভিযোগ, প্রতি ৭০সিএফটি বালির জন্য নেওয়া হচ্ছে প্রায় সাড়ে ছ’হাজার টাকা। যা ১৫দিন আগেও ছিল প্রায় সাড়ে চার হাজার টাকা। গ্রামশালিকা গ্রামের বাসিন্দা ইনসান আলি বলেন, বালির দাম বৃদ্ধির কারণে দোতলার ঘরের কাজ বন্ধ কর দিয়েছি। আবার সামনের বছর দেখা যাবে। সুন্দরপুর গ্রামের বাসিন্দা বাদশা শেখ বলেন, খাদানে বালি তোলা বন্ধ হতেই এক ধাক্কায় দর আড়াই হাজার টাকা বেড়ে গিয়েছে। প্রশাসনের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। আর এক বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম বলেন, বড়ঞা ব্লকে অন্তত ১০০টি জায়গায় অবৈধভাবে বালি মজুত করে ব্যবসা চলছে।  • নিজস্ব চিত্র

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ