Bartaman Logo
১ আগস্ট, ২০২৬

সরকারের সমালোচনা মানেই দেশদ্রোহ নয়: কোর্ট

প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর মতো প্রশাসনিক প্রধান, কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই কি দেশদ্রোহ? বিভিন্ন ইস্যুতে বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে এই বিতর্ক। এপ্রসঙ্গে এবার তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন পুনের একটি আদালতের বিচারক।

সরকারের সমালোচনা মানেই দেশদ্রোহ নয়: কোর্ট
  • ১৬ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

পুনে: প্রধানমন্ত্রী-মুখ্যমন্ত্রীর মতো প্রশাসনিক প্রধান, কিংবা সরকারের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়াই কি দেশদ্রোহ? বিভিন্ন ইস্যুতে বারবার ঘুরে ফিরে এসেছে এই বিতর্ক। এপ্রসঙ্গে এবার তাৎপর্যপূর্ণ মন্তব্য করেছেন পুনের একটি আদালতের বিচারক। তাঁর পর্যবেক্ষণ, মুখ্যমন্ত্রী-সরকারের সমালোচনাকে রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা বলে মনে করা যায় না। 

Advertisement

আদালত সূত্রে খবর, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বিকৃত ছবি প্রকাশ করার অভিযোগ উঠেছিল এনসিপি(এসপি)র সোশ্যাল মিডিয়া ইনচার্জ মহাদেবের বিরুদ্ধে। মাওবাদীদের প্রতি সহানুভূতিশীল পোস্টও করেছিলেন তিনি। এর জেরে মহারাষ্ট্র পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে। ন্যায় সংহিতার ১৫২ (দেশের সার্বভৌমত্ব, অখণ্ডতা, ঐক্যকে ঝুঁকির মুখে ফেলা) সহ একাধিক ধারায় ধৃতের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়। মঙ্গলবার সেই মামলার শুনানি ছিল পুনের অতিরিক্ত দায়রা বিচারক বি ডি কুলকার্নির এজলাসে। সেখানে বিচারকের পর্যবেক্ষণ, সরকারের কাজকর্মের প্রশংসা ও সমালোচনার অধিকার দেশের প্রতিটি জনগণের রয়েছে। মহাদেব দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, এমন কোনো নথি বা তথ্য মেলেনি। সেই যুক্তিতেই এদিন এনসিপি (এসপি) রাজ্য শাখার সোশ্যাল মিডিয়ায় ইনচার্জের জামিনের আবেদন মঞ্জুর করেছেন বিচারক। আদালত জানিয়েছে, ইতিমধ্যেই মামলার তদন্ত শেষ হয়েছে। চার্জশিটও জমা পড়ে গিয়েছে। তাই অভিযুক্তকে আর হেপাজতে রাখার প্রয়োজন নেই। তবে এই মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৫২ ধারা যুক্ত করার প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন বিচারক।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ