Bartaman Logo
৩ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গড়িমসি, বারাকপুরের আইসিকে কোর্টে এসে কারণ দর্শানোর নির্দেশ

আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু তাঁকে ধরতে বারাকপুর থানা চূড়ান্ত গাফিলতি দেখিয়েছে বলে অভিযোগ উঠল।

গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে গড়িমসি, বারাকপুরের আইসিকে কোর্টে  এসে কারণ দর্শানোর নির্দেশ
  • ৫ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আর্থিক প্রতারণা মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। কিন্তু তাঁকে ধরতে বারাকপুর থানা চূড়ান্ত গাফিলতি দেখিয়েছে বলে অভিযোগ উঠল। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ব্যাঙ্কশালের বিশেষ আদালতের বিচারক লীনা গোলদার। তিনি থানার আইসিকে সশরীরে উপস্থিত থেকে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিলেন। পাশাপাশি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর করতে মহকুমা পুলিশকে পদক্ষেপ নিতে বলেন। আদালতের নির্দেশের নথি বারাকপুর পুলিশ কমিশনারের দপ্তরে পাঠানোর নির্দেশও দেন বিচারক। শনিবার ব্যাঙ্কশাল আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৮ সালে সেবির দায়ের করা আর্থিক প্রতারণা  মামলায় এক অভিযুক্তের হদিশ মেলেনি। ২০২৪ সালে ব্যাঙ্কশাল ফেরার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কয়েক দফায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। তবে বারবারই পুলিশ আদালতে জানায়, অভিযুক্তের খোঁজ মিলছে না। পরোয়ানার নথি বারবার কোর্টে ফিরে আসে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে জারি করা পরোয়ানা কার্যকর করার ক্ষেত্রে যে পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি ছিল বারাকপুর থানা সেই পথে হাঁটেনি। পুলিশের চূড়ান্ত গাফিলতির বিষয়টি প্রকট হয়ে উঠেছে। এরপরই ক্ষুব্ধ বিচারক উষ্মা প্রকাশ করে কড়া নির্দেশ দেন। অন্যদিকে অভিযুক্ত গ্রেপ্তার না হওয়ায় মামলার শুনানি থমকে আছে। আইনের বিধান অনুসারে, কোনো মামলায় সমস্ত অভিযুক্ত আদালতে উপস্থিত না থাকলে চার্জ গঠন সম্ভব নয়। ফলে এই মামলাতেও অভিযুক্ত ধরা না পড়ায় ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিমত। 

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ