Bartaman Logo
২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: পরিসংখ্যানে ফ্রান্স বনাম স্পেন

বিশ্বকাপে দু’দলের দ্বৈরথ মাত্র একবার। ২০০৬ সালে শেষ ষোলোর ম্যাচে ফ্রান্স ৩-১ গোলে হারায় স্পেনকে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬: পরিসংখ্যানে ফ্রান্স বনাম স্পেন
  • ১৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

আন্তর্জাতিক ফুটবলে ফ্রান্স ও স্পেন ৩৮ বার মুখোমুখি হয়েছে। লা রোহা ব্রিগেডের জয় ১৮টি। ফরাসিরা জিতেছে ১৩ বার। ড্র ৭টি।

Advertisement

বিশ্বকাপে দু’দলের দ্বৈরথ মাত্র একবার। ২০০৬ সালে শেষ ষোলোর ম্যাচে ফ্রান্স ৩-১ গোলে হারায় স্পেনকে।
২০২৫ নেশনস লিগের সেমি-ফাইনালে দু’দলের শেষ সাক্ষাতে ইয়ামালের জোড়া গোলে ৫-৪ জয় স্পেনের।

ফ্রান্সের অস্ত্র: এমবাপেই দলের সবচেয়ে বিধ্বংসী অস্ত্র। ৮টি গোল ও ৩টি অ্যাসিস্টের সুবাদে গোল্ডেন বুটের দৌড়ে সবার সামনে তিনি। এছাড়া আক্রমণভাগে ডেম্বেলে (৫টি গোল) এবং মাইকেল ওলিসেও (৫টি অ্যাসিস্ট) দুর্দান্ত ফর্মে।

স্পেনের অস্ত্র: মাঠমাঝে রড্রি ও অ্যাটাকিং থার্ডে ড্যানি ওলমো গোটা দলকে পরিচালনা করছেন। ওয়ারজাবালের নামের পাশে ৪টি গোল। কোচের আস্থার মর্যাদা রাখছেন সুপার-সাব মিকেল মেরিনো। সেরা তারকা লামিনে ইয়ামালও ক্রমশ ছন্দে ফিরছেন।

ফ্রান্সের শক্তি ও দুর্বলতা: অত্যন্ত শক্তিশালী ও ঈর্ষণীয় আক্রমণভাগ। ডেম্বেলের সঙ্গে এমবাপের যুগলবন্দি দুর্দান্ত জমেছে। মাঝমাঠে খেলা তৈরি করছেন ওলিসে ও ডুয়ে।

গ্রুপ পর্বে রক্ষণভাগে দুর্বলতা দেখা গিয়েছিল। নক-আউটে গত তিনটি ম্যাচে গোল হজম না করলেও ছোটোখাটো ভুল চোখে পড়েছে। পাশাপাশি অতিরিক্ত এমবাপে নির্ভরতা কাটাতে হবে।

স্পেনের শক্তি ও দুর্বলতা: শক্তিশালী মাঝমাঠ। সঙ্গে সুদৃঢ় রক্ষণভাগ। ছয় ম্যাচে স্পেন মাত্র একটি গোল খেয়েছে। বল দখলে রেখে খেলার দক্ষতায়ও লা রোহা ব্রিগেড প্রতিপক্ষের থেকে অনেকটাই এগিয়ে।

আক্রমণভাগে অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও ভেদশক্তির অভাবে ভুগছে স্প্যানিয়ার্ডরা। ইয়ামালকেও আরও বেশি দায়িত্ব নিতে হবে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ