Bartaman Logo
৪ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

পাকিস্তানি সেনার সমালোচনায় সরব সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিক

আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান। লক্ষ্য একটাই—নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। পাকিস্তান যতই সে চেষ্টা করুক, তাদের অভ্যন্তরীণ সংকট ক্রমশ বাড়ছে।

পাকিস্তানি সেনার সমালোচনায় সরব সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিক
  • ৪ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতা করেছে পাকিস্তান। লক্ষ্য একটাই—নিজের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করা। পাকিস্তান যতই সে চেষ্টা করুক, তাদের অভ্যন্তরীণ সংকট ক্রমশ বাড়ছে। এমনই দাবি সিঙ্গাপুরের প্রাক্তন কূটনীতিক বিলহরি কৌশিকানের। ২০১০-১৩ সাল পর্যন্ত তিনি সিঙ্গাপুরে বিদেশ মন্ত্রকের পার্মানেন্ট সেক্রেটারি হিসাবে কর্মরত ছিলেন। রাশিয়া ও ফিনল্যান্ডে রাষ্ট্রদূতও ছিলেন তিনি। সম্প্রতি একটি রাজনৈতিক সম্মেলনে কৌশিকান বলেন, ‘পাকিস্তান এমন একটি দেশ, যা ব্যর্থতার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। পাকিস্তানের সমস্যা ভারত বা পাকিস্তান নয়। এর জন্য দায়ী পাকিস্তানের রাজনীতিবিদ ও তাদের সেনাবাহিনী। চরম আর্থিক দুর্নীতি ও জেহাদি আন্দোলনকে মদত দেওয়ার ফলে তারা আজ ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে চলেছে।’ ওই অনুষ্ঠানে এক পাকিস্তানি সাংবাদিক দাবি করেন, ভারত ও আফগানিস্তানের সঙ্গে সীমান্ত থাকার কারণেই ইসলামাবাদকে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। তাতে প্রাক্তন কূটনীতিক বলেন, ‘সব কিছুর জন্য ভৌগলিক অবস্থানকে দায়ী করা যায় না। এটা অজুহাত মাত্র। শুরু থেকেই পাকিস্তান চরম অব্যবস্থার শিকার। দল-মত নির্বিশেষে সেখানকার রাজনীতিকরা কোনো কাজ করতে পারেন না। আর সমস্যার বড়ো অংশ জুড়ে রয়েছে পাকিস্তানি সেনা।’ এই প্রসঙ্গে ১৯৯১ সালের একটি ঘটনার উল্লেখ করেছেন দেশিকান। সেই বছর পাকিস্তানি জঙ্গিরা সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্সের একটি বিমান হাইজ্যাক করে। জঙ্গিরা শর্ত হিসাবে পাকিস্তানের তত্কালীন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর সঙ্গে কথা বলতে চায়। দেশিকান বহু চেষ্টার পর সিন্ধ প্রদেশে ভুট্টোর বাড়িতে ফোনে যোগাযোগ করতে সক্ষম হন। কিন্তু তাঁকে বলা হয়, ‘ম্যাডাম এখন ঘুমোচ্ছেন। বিরক্ত করা যাবে না।’ শেষ পর্যন্ত সিঙ্গাপুর সেনা জঙ্গিদের খতম করে বিমানযাত্রীদের প্রাণ বাঁচায়।

Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ