Bartaman Logo
৩১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

অপারেশন সিঁদুর ভারতের বড় সাফল্য, দাবি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোনের

পাকিস্তানের কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন নোরিন নিয়াজি দাবি করেছেন, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল বড় ধরনের ‘সফল’ অভিযান এবং সেই অভিযানে ‘ব্যর্থতা’ আড়াল করতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ‘বিজয়ের গল্প’ তৈরি করেছে।

অপারেশন সিঁদুর ভারতের বড় সাফল্য, দাবি প্রাক্তন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোনের
  • ২২ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৯
Prefer us on Google

ইসলামাবাদ, ২২ জুন: পাকিস্তানের কারাবন্দি প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের বোন নোরিন নিয়াজি দাবি করেছেন, ভারতের ‘অপারেশন সিঁদুর’ ছিল বড় ধরনের ‘সফল’ অভিযান এবং সেই অভিযানে ‘ব্যর্থতা’ আড়াল করতে পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ‘বিজয়ের গল্প’ তৈরি করেছে। একটি ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত এক সাক্ষাৎকারে নোরিন নিয়াজি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে চার দিনের সংঘাত পাকিস্তানের সামরিক নেতৃত্ব যেভাবে দেশের জনগণের সামনে তুলে ধরেছে, বাস্তবে পরিস্থিতি তেমন ছিল না। তার দাবি, অপারেশন সিঁদুরে ভারত উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে এবং পাকিস্তান সেনাবাহিনী নিজেদের পরাজয় গোপন করার চেষ্টা করছে। নিয়াজির এই বক্তব্যের পরই পাকিস্তানের ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এনসিসিআইএ) তাকে তলব করেছে। 

Advertisement

এই সাক্ষাৎকারে নোরিন নিয়াজি আরও দুটি গুরুত্বপূর্ণ দাবি করেন। প্রথমত, তার দাবি, ইজরায়েলকে ঘিরে একটি ‘নীরব সমঝোতার’ কারণে ভারত ইচ্ছাকৃতভাবে সংঘাত আরও বাড়ায়নি। তার কথায়, পাকিস্তানকে আব্রাহাম অ্যাকর্ডসে অন্তর্ভুক্ত করা এবং ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেওয়ার সম্ভাব্য প্রক্রিয়াকে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যেই এমন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। আমেরিকার মধ্যস্থতায় ২০২০ সালে হওয়া আব্রাহাম অ্যাকর্ডস হল একগুচ্ছ চুক্তি, যার মাধ্যমে ইজরায়েলের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, বাহরিন, সুদান ও মরক্কোর কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা প্রতিষ্ঠিত হয়। পাকিস্তান এখনও ইজরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি এবং দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্কও নেই।

দ্বিতীয় দাবিতে নোরিন নিয়াজি বলেন, পাকিস্তানের সরকার ও সামরিক বাহিনী যে সংঘাতকে ‘মারকা-ই-হক’ নাম দিয়েছে, সেটি আরও বড় আকার ধারণ করার আগেই আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ব্যক্তিগতভাবে হস্তক্ষেপ করেন। তার দাবি, পাকিস্তানের নেতৃত্বকে ‘সম্মানজনকভাবে পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসার’ সুযোগ করে দিতেই ট্রাম্প এই উদ্যোগ নেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ