Bartaman Logo
২ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ঋতব্রত তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়ে উচ্ছ্বসিত খড়্গপুরের প্রদীপ, ভূয়সী প্রশংসা শুভেন্দু-দিলীপের

আদি তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই দল ছেড়েছিলেন খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার। গত ১৭ জুন দল ছাড়ার এক সপ্তাহ পরেই প্রদীপকে দেখা গিয়েছিল ঋতব্রত-শিবিরে।

ঋতব্রত তৃণমূলের জেলা সভাপতি হয়ে উচ্ছ্বসিত খড়্গপুরের প্রদীপ, ভূয়সী প্রশংসা শুভেন্দু-দিলীপের
  • ১১ জুলাই, ২০২৬ ২১:৩৩
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, খড়্গপুর: আদি তৃণমূলের জেলা সাধারণ সম্পাদক মনোনীত হওয়ার চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই দল ছেড়েছিলেন খড়্গপুরের প্রাক্তন বিধায়ক প্রদীপ সরকার। গত ১৭ জুন দল ছাড়ার এক সপ্তাহ পরেই প্রদীপকে দেখা গিয়েছিল ঋতব্রত-শিবিরে। শনিবার সেই ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়দের নব্য তৃণমূলেরই জেলা সভাপতি মনোনীত হলেন খড়্গপুরের এই দাপুটে নেতা। খড়্গপুরের প্রাক্তন পুরপ্রধান তথা ৬নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর প্রদীপ সরকারকে মেদিনীপুর সাংগঠনিক জেলার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। দায়িত্ব পাওয়ার পরই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন প্রদীপ। এদিন সন্ধ্যা নাগাদ কলকাতা থেকে ফোনে প্রদীপ বলেন, 'আমাদের এই আসল তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে যে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তা নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করব।'

Advertisement

পশ্চিম মেদিনীপুরের ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার সভাপতি করা হয়েছে তৃণমূলের এক সময়ের দাপুটে নেতা, কেশপুরের সঞ্জয় পানকে। তাৎপর্যপূর্ণ হল, প্রদীপ ও সঞ্জয় দু'জনই একসময় শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত 'ঘনিষ্ঠ' নেতা হিসেবে জেলায় পরিচিত ছিলেন। প্রদীপের সঙ্গে অবশ্য খড়্গপুর সদরের বিধায়ক তথা পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষেরও সখ্যতা রয়েছে। রাজনৈতিক মতাদর্শের বাইরে একে অপরকে 'বন্ধু' হিসেবেই পরিচয় দেন তাঁরা। শনিবার ঋতব্রত-তৃণমূলের জেলা সভাপতি মনোনীত হওয়ার পরও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন প্রদীপ। তিনি বলেন, 'বাংলার মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শুভেন্দু দা খুবই ভাল কাজ করছেন। পঞ্চায়েত মন্ত্রী এবং খড়্গপুরের বিধায়ক হিসেবে দিলীপ দাও তৎপরতার সাথে কাজ করছেন। বাংলা তথা খড়্গপুরের মানুষের স্বার্থে আমি তাঁদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।' প্রদীপকে কটাক্ষ করে খড়্গপুরের বর্ষীয়ান দুই তৃণমূল নেতা জহর পাল ও দেবাশিস চৌধুরী বলেন, 'নিজেদের স্বার্থ রক্ষার জন্য বিপদের সময়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গ ত্যাগ করেছেন ওঁরা। সেটা একান্তই ওঁদের বিষয়। মানুষ বিচার করবেন। আমরা দিদির সঙ্গেই আছি।' পাল্টা প্রদীপ সরকার বলেন, 'দিদির সঙ্গে বেইমানি করার হলে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসেই শুভেন্দু দার সঙ্গে বিজেপিতে যেতে পারতাম। কিন্তু, সহ্যেরও একটা সীমা থাকে!' পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, 'কে, কোন শিবিরে গেল, সেটা তাঁদের ব্যক্তিগত বিষয়। বিরোধী দল হিসেবে গঠনমূলক সমালোচনা করুন, আমরা সেটাই চাই।'

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ