Bartaman Logo
৩১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

ডুরান্ড কাপের বড়ো ম্যাচে মাঠ ভরানোর আহ্বান ক্রীড়ামন্ত্রীর

আগামী শনিবার ঢাকে কাঠি পড়ছে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের। টুর্নামেন্টের শুরুতেই মর্যাদার ডার্বির সাক্ষী থাকতে চলেছেন কলকাতা ফুটবলপ্রেমীরা।

ডুরান্ড কাপের বড়ো ম্যাচে মাঠ ভরানোর আহ্বান ক্রীড়ামন্ত্রীর
  • ২৩ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আগামী শনিবার ঢাকে কাঠি পড়ছে ১৩৫তম ডুরান্ড কাপের। টুর্নামেন্টের শুরুতেই মর্যাদার ডার্বির সাক্ষী থাকতে চলেছেন কলকাতা ফুটবলপ্রেমীরা। ইতিমধ্যে মেগা ম্যাচের প্রস্তুতিতে নেমে পড়েছে দুই প্রধান। তবে গত কয়েক মরশুম ধরেই ঐতিহ্যবাহী টুর্নামেন্টের টিকিট বণ্টন নিয়ে দেখা দিয়েছিল নানা সমস্যা। টিকিটের চাহিদা থাকা সত্ত্বেও ম্যাচের দিন গ্যালারি ভরতো না। এবার সেই সমস্যা মেটাতে উদ্যোগী রাজ্যের নবনিযুক্ত ক্রীড়ামন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। বুধবার টুর্নামেন্টের আনুষ্ঠানিক সাংবাদিক সন্মেলনে তিনি জানান, ‘ডুরান্ড কাপে টিকিট স্ট্যাম্পিং নিয়ে নানা অভিযোগ কানে এসেছে। তাই আমরা সেনাবাহিনীর সঙ্গে কথা বলে পেপারলেস টিকিট করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। অন-লাইনে যারা টিকিট কাটবেন, তাদের আর নতুন করে কোনো কপি তুলতে হবে না।’ তবে বড় ম্যাচের জন্য অন-লাইনে কাটা টিকিট কাউন্টার থেকেই রিডিম করতে হবে। পরের ম্যাচগুলি থেকে পেপারলেস টিকিট চালু হচ্ছে। ক্রীড়ামন্ত্রী আরও জানান, ‘দুই প্রধানকে ৫১০০ করে টিকিট দেওয়া হবে। আমার চাই, ফুটবলপ্রেমীরা আরও বেশি করে মাঠে আসুক। বিশ্বকাপে আমরা ব্রাজিল, আর্জেন্তিনা, পর্তুগাল, স্পেনকে সমর্থক করেছি। এবার নিজেদের দেশের ফুটবলারদের পাশে দাঁড়ানোর সময়।’ উল্লেখ্য, শনিবার উদ্বেধনী অনুষ্ঠানে হাজির থাকবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি ম্যাচের সময় স্টেডিয়ামে পানীয় জলের সমস্যাও মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন ক্রীড়ামন্ত্রী।

Advertisement

গত কয়েক বছর ধরেই ডুরান্ড কাপ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে আয়োজনের উপর জোর দিয়েছে সেনাবাহিনী। এবারও কলকাতার পাশাপাশি ভেনু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রাঁচি, গুয়াহাটি, শিলং ও ইম্ফলকে। বিশেষত মণিপুরে উত্তপ্ত পরিস্থিতির মধ্যেই সেখানকার মানুষ যেভাবে ফুটবলকে আগলে রেখেছে, তার প্রশংসায় পঞ্চমুখ সেনাকর্তারা। একই সঙ্গে আগামী দিনে মহিলাদের জন্য ডুরান্ড কাপের পৃথক আসর আয়োজনের ব্যাপারেও ভাবনাচিন্তা করছে আয়োজকরা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ